ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

সুগার-ফ্রি ডায়েটে ফল খাওয়া যাবে কি না?

  • জীবনযাপন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৫ বার পড়া হয়েছে

ক্যালরি কমাতে গেলে অনেকেই প্রথমে চিনি বাদ দেওয়ার কথা ভাবেন। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— ফলেও তো চিনি আছে, তাহলে ডায়েটের সময় ফল খাওয়া কি বন্ধ করা উচিত?

এই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। তার মতে, ফলের প্রাকৃতিক চিনি আর বাইরে থেকে যোগ করা চিনি এক নয়। শরীরের ওপর এই দুই ধরনের চিনির প্রভাব আলাদা।

ডা. শেঠি জানান, ফলে শুধু চিনি নয়, সঙ্গে থাকে ফাইবার, পানি ও নানা উপকারী উপাদান। এগুলো একসঙ্গে কাজ করে শরীরে চিনির শোষণ ধীরে করে। ফলে রক্তে হঠাৎ সুগার বেড়ে যায় না, ইনসুলিনের চাপও কম পড়ে। অন্যদিকে, অ্যাডেড সুগার খুব দ্রুত শরীরে ঢুকে পড়ে এবং রক্তে সুগার ও ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়ায়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

সুগার রিসেটের মূল উদ্দেশ্য হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া। এই সময়ে ফল খাওয়া নিয়ে অনেকের দ্বিধা থাকে। ডা. শেঠির মতে, ১৪ দিনের সুগার রিসেট চলাকালীন দিনে এক বা দুইবার ফল খাওয়া নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। খাবারের সঙ্গে বা প্রোটিন ও ফ্যাটের সঙ্গে ফল খেলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাও কমে।

আপেল, বেরি, লেবুজাতীয় ফল বা নাশপাতি গোটা অবস্থায় খেলে শরীরের জন্য উপকারী। তবে ফলের জুস বা শুকনো ফল খেলে তা অনেকটা অ্যাডেড সুগারের মতো কাজ করে। তাই ফলের চেয়ে ফল কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সুগার রিসেটের সময় ফল রাখলে ডায়েট মেনে চলা সহজ হয়, হঠাৎ মিষ্টির তীব্র চাহিদা তৈরি হয় না এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকিও কমে। তবে যাদের গুরুতর ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফলের পরিমাণ কিছুটা কমানো দরকার হতে পারে।

সব মিলিয়ে ডা. শেঠির বক্তব্য— সুগার-ফ্রি ডায়েট মানে ফল বাদ দেওয়া নয়। এর মানে হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া।

সূত্র : আজকাল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

সুগার-ফ্রি ডায়েটে ফল খাওয়া যাবে কি না?

আপডেট সময় ০৩:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ক্যালরি কমাতে গেলে অনেকেই প্রথমে চিনি বাদ দেওয়ার কথা ভাবেন। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— ফলেও তো চিনি আছে, তাহলে ডায়েটের সময় ফল খাওয়া কি বন্ধ করা উচিত?

এই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। তার মতে, ফলের প্রাকৃতিক চিনি আর বাইরে থেকে যোগ করা চিনি এক নয়। শরীরের ওপর এই দুই ধরনের চিনির প্রভাব আলাদা।

ডা. শেঠি জানান, ফলে শুধু চিনি নয়, সঙ্গে থাকে ফাইবার, পানি ও নানা উপকারী উপাদান। এগুলো একসঙ্গে কাজ করে শরীরে চিনির শোষণ ধীরে করে। ফলে রক্তে হঠাৎ সুগার বেড়ে যায় না, ইনসুলিনের চাপও কম পড়ে। অন্যদিকে, অ্যাডেড সুগার খুব দ্রুত শরীরে ঢুকে পড়ে এবং রক্তে সুগার ও ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়ায়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

সুগার রিসেটের মূল উদ্দেশ্য হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া। এই সময়ে ফল খাওয়া নিয়ে অনেকের দ্বিধা থাকে। ডা. শেঠির মতে, ১৪ দিনের সুগার রিসেট চলাকালীন দিনে এক বা দুইবার ফল খাওয়া নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। খাবারের সঙ্গে বা প্রোটিন ও ফ্যাটের সঙ্গে ফল খেলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাও কমে।

আপেল, বেরি, লেবুজাতীয় ফল বা নাশপাতি গোটা অবস্থায় খেলে শরীরের জন্য উপকারী। তবে ফলের জুস বা শুকনো ফল খেলে তা অনেকটা অ্যাডেড সুগারের মতো কাজ করে। তাই ফলের চেয়ে ফল কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সুগার রিসেটের সময় ফল রাখলে ডায়েট মেনে চলা সহজ হয়, হঠাৎ মিষ্টির তীব্র চাহিদা তৈরি হয় না এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকিও কমে। তবে যাদের গুরুতর ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফলের পরিমাণ কিছুটা কমানো দরকার হতে পারে।

সব মিলিয়ে ডা. শেঠির বক্তব্য— সুগার-ফ্রি ডায়েট মানে ফল বাদ দেওয়া নয়। এর মানে হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া।

সূত্র : আজকাল