সংবাদ শিরোনাম ::
গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের উদ্যোগে ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দূর্নীতিবাজ প্রদীপ বসাক আবরও নতুন দূর্নীতিতে আলোচনায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন সঞ্জিত ১২ বছরে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় বরিশালে এলজিইডিতে প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচনায় রহমত-ই-খুদা লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার এসআই জনি কান্তি দে’র বিরুদ্ধে ৮৪ কেজি গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগ কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম শতকোটি টাকার মালিক সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ও তার স্ত্রী রিক্তা মুক্তিযোদ্ধা বাবার সরকারি ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে বাঁ পায়ের জাদুতে গোল করে চমক দেখালেন জাইমা রহমান

ভোটের খরচ মেটাতে প্রবাসী ভাইয়ের দ্বারস্থ রুমিন ফারহানা

বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে নেমেছেন দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে লড়তে নিজের গচ্ছিত অর্থের পাশাপাশি প্রবাসী খালাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবীর হাতে নগদ ও ব্যাংক মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ৩২ লাখ টাকা গচ্ছিত আছে। এর মধ্যে তিনি ২০ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে খরচ করবেন। তবে এতে সংকুলান না হওয়ায় আরও ৫ লাখ টাকা তিনি তার প্রবাসী খালাতো ভাই গালিব মেহেদীর কাছ থেকে হাওলাত বা ঋণ হিসেবে নেবেন বলে উল্লেখ করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, বিগত কয়েক বছরে রুমিন ফারহানার আয় বিস্ময়করভাবে বেড়েছে। ২০১৯ সালে একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হওয়ার সময় তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন মাত্র ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকা। অথচ ২০২৫ সালের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৭ লাখ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র ৬ বছরের ব্যবধানে তার আয় বেড়েছে ২২ গুণেরও বেশি।

স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রুমিন ফারহানার কাছে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে। এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি চট্টগ্রামের পাঁচ কাঠা জমি এবং ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জোটের সিদ্ধান্ত না মেনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদসহ সব পর্যায় থেকে রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের উদ্যোগে ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ভোটের খরচ মেটাতে প্রবাসী ভাইয়ের দ্বারস্থ রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে নেমেছেন দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে লড়তে নিজের গচ্ছিত অর্থের পাশাপাশি প্রবাসী খালাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবীর হাতে নগদ ও ব্যাংক মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ৩২ লাখ টাকা গচ্ছিত আছে। এর মধ্যে তিনি ২০ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে খরচ করবেন। তবে এতে সংকুলান না হওয়ায় আরও ৫ লাখ টাকা তিনি তার প্রবাসী খালাতো ভাই গালিব মেহেদীর কাছ থেকে হাওলাত বা ঋণ হিসেবে নেবেন বলে উল্লেখ করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, বিগত কয়েক বছরে রুমিন ফারহানার আয় বিস্ময়করভাবে বেড়েছে। ২০১৯ সালে একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হওয়ার সময় তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন মাত্র ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকা। অথচ ২০২৫ সালের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৭ লাখ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র ৬ বছরের ব্যবধানে তার আয় বেড়েছে ২২ গুণেরও বেশি।

স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রুমিন ফারহানার কাছে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে। এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি চট্টগ্রামের পাঁচ কাঠা জমি এবং ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জোটের সিদ্ধান্ত না মেনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদসহ সব পর্যায় থেকে রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।