ঋণখেলাপির অভিযোগে ঢাকা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) রিপোর্টে তার নাম ঋণখেলাপি হিসেবে আসায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে একই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী আমানউল্লাহ আমানের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম যাচাই-বাছাই শেষে এই রায় দেন।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল হকের উদ্দেশে বলেন, ‘‘সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী আপনি অফিশিয়ালি বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ঋণখেলাপি। নির্বাচনের আগে আপনার উচিত ছিল এই বিষয়গুলো আপডেট করা। যেহেতু আপনি ঋণখেলাপি, তাই এই মুহূর্তে আপনার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার কোনো আইনগত সুযোগ আমাদের নেই।’’
ঋণখেলাপি হওয়া ছাড়াও জামায়াত প্রার্থীর কাগজপত্রে আরও বেশ কিছু ঘাটতি পাওয়া গেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আব্দুল হক তার আয়কর রিটার্নের ‘টেন বি’ ফর্ম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দেননি। এমনকি প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্যও তার নথিপত্রে অনুপস্থিত ছিল। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছেন যে, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
এদিকে, ঢাকা-২ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে আব্দুল হকের মনোনয়ন বাতিল হলেও বিএনপির আমানউল্লাহ আমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এই দুই প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে রইলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























