ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিএসসিসির জোন-৯ এ জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা নুরুল ইসলাম, টাকার বিনিময়ে মিলছে ভুয়া জন্মসনদ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব, ৮ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, আপত্তি ইউজিসির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে কী হবে নেতানিয়াহু ও বিরোধীদের? বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ওয়াসায় ক্যাটাগরি পরিবর্তনের নামে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট চালুর পায়তারা, জ্বালানি বিভাগে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের তদবির দিরাইয়ের ওসির বিরুদ্ধে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কুরিয়ার অফিস থেকে পার্সেল নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ভুয়া চুক্তিতে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

দুই দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো সেলিম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৯০ বার পড়া হয়েছে

দেশবিরোধী প্রচারণায় অর্থযোগান, পরামর্শ ও নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ এ তথ্য জানান।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এরপর তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুন তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। আসামি ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সাথে জড়িত সদস্যদের অর্থ যোগান দিয়ে থাকেন বলেন তথ্য পাওয়া গেছে। এ
সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল সকাল ৭টায় গুলশান-১ এ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ছাত্রলীগের সাথে আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পাঁচকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে গুলশানের বারিধারার নেক্সাস ক্যাফে প্লেস নামক একটি রেস্তোরাঁ থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। পরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পান।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসসিসির জোন-৯ এ জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা নুরুল ইসলাম, টাকার বিনিময়ে মিলছে ভুয়া জন্মসনদ

দুই দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো সেলিম

আপডেট সময় ০৩:২৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

দেশবিরোধী প্রচারণায় অর্থযোগান, পরামর্শ ও নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ এ তথ্য জানান।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এরপর তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুন তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। আসামি ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সাথে জড়িত সদস্যদের অর্থ যোগান দিয়ে থাকেন বলেন তথ্য পাওয়া গেছে। এ
সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল সকাল ৭টায় গুলশান-১ এ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ছাত্রলীগের সাথে আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পাঁচকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে গুলশানের বারিধারার নেক্সাস ক্যাফে প্লেস নামক একটি রেস্তোরাঁ থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। পরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পান।