ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
জাকসু নির্বাচন

আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি : শিবির সমর্থিত জিএস প্রার্থী

  • সাভার (ঢাকা)
  • আপডেট সময় ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৩২ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, আমরা বলিনি আমরা জিততে চাই। শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদান করে আমাদের যদি রায় দেয়, আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো প্রকার ও সহিংসতা কিংবা জোরপূর্বক জয়ের ব্যাপারে কোনো চেষ্টা করিনি।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন,তাজউদ্দীন হলে প্রার্থী হয়েও জোর করে কেন্দ্রে ঢুকেছে। শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। সামগ্রিক ব্যাপারগুলো আমাদের দিকে আসে না, অন্যদিকে যাচ্ছে এবং বিপরীত দিকে যাচ্ছে। এত কিছু থাকার পরও আমাদের যদি দায়ী করা হয়, টান্সপারেসি রক্ষার জন্য গতকাল রাত থেকে আমরা এফোর্ড দিয়েছি, গতকাল রাতে আমাদের পাশে কেউ ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা আমাদের গ্রহণ করলেও মেনে নেব, গ্রহণ না করলেও মেনে নেব। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা যে কতটা আন্তরিক ছিলাম তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ গতকাল রাতে নির্বাচন কমিশনার অফিস যেখানে সবার এক্সেস থাকার কথা না, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের থাকার কথা, কিন্তু সেখানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রবেশ কতটা স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, সকাল থেকে বলেছিলাম পোলিং এজেন্টরা যথাযথভাবে কাজ করতে পারেন এবং নির্বাচনে অনেকগুলো জটিলতা ছিল অতিরিক্ত ব্যালট পেপার রাখা। আমরা বলেছিলাম, যতজন শিক্ষার্থী ততগুলো যাতে ব্যালট পেপার রাখা হয়। আপনারা লক্ষ্য করে দেখেন আমাদের প্রত্যেকটা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা কোনো গোঁজামিল ও ফাঁকফোকোর করে রাখিনি। তারা জোরপূর্বক হট্টগোল করেছে, স্বাভাবিক নখের কালির জন্য বলা হয়েছে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। অনেক জনকে লিফটেড কেন বিতরণ করা হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে শিবির। তারপরও আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এটা অবান্তর।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

জাকসু নির্বাচন

আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি : শিবির সমর্থিত জিএস প্রার্থী

আপডেট সময় ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, আমরা বলিনি আমরা জিততে চাই। শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদান করে আমাদের যদি রায় দেয়, আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো প্রকার ও সহিংসতা কিংবা জোরপূর্বক জয়ের ব্যাপারে কোনো চেষ্টা করিনি।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন,তাজউদ্দীন হলে প্রার্থী হয়েও জোর করে কেন্দ্রে ঢুকেছে। শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। সামগ্রিক ব্যাপারগুলো আমাদের দিকে আসে না, অন্যদিকে যাচ্ছে এবং বিপরীত দিকে যাচ্ছে। এত কিছু থাকার পরও আমাদের যদি দায়ী করা হয়, টান্সপারেসি রক্ষার জন্য গতকাল রাত থেকে আমরা এফোর্ড দিয়েছি, গতকাল রাতে আমাদের পাশে কেউ ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা আমাদের গ্রহণ করলেও মেনে নেব, গ্রহণ না করলেও মেনে নেব। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা যে কতটা আন্তরিক ছিলাম তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ গতকাল রাতে নির্বাচন কমিশনার অফিস যেখানে সবার এক্সেস থাকার কথা না, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের থাকার কথা, কিন্তু সেখানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রবেশ কতটা স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, সকাল থেকে বলেছিলাম পোলিং এজেন্টরা যথাযথভাবে কাজ করতে পারেন এবং নির্বাচনে অনেকগুলো জটিলতা ছিল অতিরিক্ত ব্যালট পেপার রাখা। আমরা বলেছিলাম, যতজন শিক্ষার্থী ততগুলো যাতে ব্যালট পেপার রাখা হয়। আপনারা লক্ষ্য করে দেখেন আমাদের প্রত্যেকটা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা কোনো গোঁজামিল ও ফাঁকফোকোর করে রাখিনি। তারা জোরপূর্বক হট্টগোল করেছে, স্বাভাবিক নখের কালির জন্য বলা হয়েছে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। অনেক জনকে লিফটেড কেন বিতরণ করা হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে শিবির। তারপরও আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এটা অবান্তর।