ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অডিও ফাঁসের পর সুর বদলে ‘পা ধরতে’ চান কর্মচারী “বন কর্মকর্তা সামছু উদ্দিনের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে দুদক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ ৩০ দিনের মধ্যেই অন্য বিভাগে পদায়ন নদীবন্দর শাখার সাবেক কর্মকর্তা আরিফ উদ্দিনের এমপির স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা অভিযোগের কেন্দ্রে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক আকতার জাহান কাঁকন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ঠিকাদার অ্যাসোসিয়েশনের কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক ইউসুফের অঢেল সম্পদের পাহাড় ইউএইচএফ টেন্ডারে ‘মটোরোলা ফাঁদ’ বিপাকে ডিপিডিসি ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ

ভবানিপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক মাদক সম্রাট আ.লীগ নেতা মালেক মোক্তার

গাজীপুর ভবানিপুরের সাধারণ জনগণের মূর্তিমান আতঙ্ক মাদক সম্রাট আওয়ামিলীগ নেতা মালেক মোক্তার। তথ্য সূত্রে জানা যায়,বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুরো ভবানিপুর এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল মালেক। এলাকায় মাদক বিক্রি,মাদক সেবন ও অন্যের জমি জবর দখল তার নিত্যদিনের কাজ ছিল। তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, মালেকের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত মাদকের আরেক গডফাদার আমীনুল। আমিনুল অন্যের জমি দখল করে ছোট ঘর বানিয়ে মাদকের আখড়ায় পরিনত করেছে ভবানীপুর এলাকার সাধারণ জনগণ তাদের ভয়ে তটস্থ।কেউ আমীনুল ও মালেকের ভয়ে মুখ খুলছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন লোক বলেন আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছি কোন প্রকার প্রতিকার পাইনি। সাধারণ জনগণ বলেন আমিনুল ও মালেকের মাধ্যমে পুরো এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়াশোনা বাদ দিয়ে এলাকায় নানা ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। ভবানীপুর এলাকায় মাদক এখন মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকের টাকা না পেলে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা শুরু কর চুরি, ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো ঘৃণিত কাজ। পুরো এলাকায় আবাল বৃদ্ধ বনিতা এখন মাদকের স্বর্গ রাজ্যে বিচরণ করছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত মালেকের সাথে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কর্ম করি আর খাই। আপনারা যা শুনেছেন তা সঠিক নহে। তিনি আরো বলেন,আমি কখনো এই কাজের সাথে জড়িত নই। আমার মামা গাজীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি। আপনারা এলাকায় এসে খবর নেন আমি কিরকম লোক।বন বিভাগের প্রায় পাঁচশত বিঘা জমি দখল করে মানুষের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কি জমি দখল করার মতো লোক। আপনারা প্রশাসন দিয়ে তদন্ত করেন । আমার যা শাস্তি দিবেন তা মাথা পেতে নেব।

অভিযুক্ত আমিনুলকে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার টাকা দিয়ে মাদক ও বিক্রি করি তাতে আপনার কি? আমাকে প্রশাসন সবসময় কাছে টেনে নেয়। প্রশাসন আমাদের টাকায় চলে ও আমাদেরকে সমিহ করে। মাদকের কড়াল থাবা থেকে বাঁচতে ও যুব সমাজকে বাঁচাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করে মাদক সম্রাট মোক্তার ও আমিনুলকে গ্ৰেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে এলাকাকে মাদক মুক্ত করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অডিও ফাঁসের পর সুর বদলে ‘পা ধরতে’ চান কর্মচারী

ভবানিপুরের মূর্তিমান আতঙ্ক মাদক সম্রাট আ.লীগ নেতা মালেক মোক্তার

আপডেট সময় ০৯:২৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুর ভবানিপুরের সাধারণ জনগণের মূর্তিমান আতঙ্ক মাদক সম্রাট আওয়ামিলীগ নেতা মালেক মোক্তার। তথ্য সূত্রে জানা যায়,বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুরো ভবানিপুর এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল মালেক। এলাকায় মাদক বিক্রি,মাদক সেবন ও অন্যের জমি জবর দখল তার নিত্যদিনের কাজ ছিল। তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, মালেকের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত মাদকের আরেক গডফাদার আমীনুল। আমিনুল অন্যের জমি দখল করে ছোট ঘর বানিয়ে মাদকের আখড়ায় পরিনত করেছে ভবানীপুর এলাকার সাধারণ জনগণ তাদের ভয়ে তটস্থ।কেউ আমীনুল ও মালেকের ভয়ে মুখ খুলছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন লোক বলেন আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছি কোন প্রকার প্রতিকার পাইনি। সাধারণ জনগণ বলেন আমিনুল ও মালেকের মাধ্যমে পুরো এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়াশোনা বাদ দিয়ে এলাকায় নানা ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। ভবানীপুর এলাকায় মাদক এখন মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকের টাকা না পেলে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা শুরু কর চুরি, ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো ঘৃণিত কাজ। পুরো এলাকায় আবাল বৃদ্ধ বনিতা এখন মাদকের স্বর্গ রাজ্যে বিচরণ করছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত মালেকের সাথে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কর্ম করি আর খাই। আপনারা যা শুনেছেন তা সঠিক নহে। তিনি আরো বলেন,আমি কখনো এই কাজের সাথে জড়িত নই। আমার মামা গাজীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি। আপনারা এলাকায় এসে খবর নেন আমি কিরকম লোক।বন বিভাগের প্রায় পাঁচশত বিঘা জমি দখল করে মানুষের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কি জমি দখল করার মতো লোক। আপনারা প্রশাসন দিয়ে তদন্ত করেন । আমার যা শাস্তি দিবেন তা মাথা পেতে নেব।

অভিযুক্ত আমিনুলকে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার টাকা দিয়ে মাদক ও বিক্রি করি তাতে আপনার কি? আমাকে প্রশাসন সবসময় কাছে টেনে নেয়। প্রশাসন আমাদের টাকায় চলে ও আমাদেরকে সমিহ করে। মাদকের কড়াল থাবা থেকে বাঁচতে ও যুব সমাজকে বাঁচাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করে মাদক সম্রাট মোক্তার ও আমিনুলকে গ্ৰেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে এলাকাকে মাদক মুক্ত করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।