সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ জানা গেল ফাইনাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ও সূচি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি, থমকে গেল অধিবেশন চীন-মায়ানমার করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে বিনিয়োগ বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠিকেও পাত্তা দেননি আইএফআইসি চেয়ারম্যান মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি গাছ কাটা সহ দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিলা পাট বীজ খামারের ৪০ বছরের পুরোনো ৫টি গাছ কেটে নিজের
ফার্নিচার করেছেন জেডি। চিৎলা পাট বীজ খামারে যোগদান করার পর দূর্নীতি অনিয়মের অনেক সংবাদ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। অত্র খামারের যুগ্ম পরিচালকের প্রয়োজনে একটা একটা করে খামারের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা মূল্যর গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার বানাচ্ছেন। এর মধ্যে অত্র খামারের দক্ষিণ ব্লক থেকে ঢেপা, পাঁকুড়িয়া, বান্দা গ্রামের রাস্তা পানে যেতে খামারের রাস্তার ২ পার্শ্বে ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ৩ টা সেগুণ গাছ কেটেছে, মধ্যে ব্লকের জমির ফসল মাড়াই করার খোলার কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ, উত্তর ব্লকে বাশবাড়িয়া দঃ পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর বাড়ির কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ কেটে গাছের গোড়াটা জেডির ফার্নিচার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে গেছে বাকি ডালপালা গুলো খামারের প্রয়োজনে কিছু কাজে লাগিয়েছে বাকি গুলো জেডির কাছের শ্রমিকদের কে দিয়ে দিয়েছে তারা বিক্রয় করে নিয়েছে। এছাড়াও খামারের প্রয়োজনে ছোট বড় মেহগুনী, নীম, বাবলা অন্যান্য গাছ প্রতি বছরে নিয়মিত ভাবে খামারের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে আসছে। এই গাছ কাটার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যায় যে, সরকারি গাছ কাটার যে নিয়মনীতি আছে সেই নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে খামারের গাছ কেটে থাকে জেডি সাহেবরা। খামারের পুরোনো ভবন বিক্রয় করার সময় সর্বচ্চো দরদাতা সাকিব এন্টারপ্রাইজ ৬৫ লক্ষ্য টাকা প্রস্তাবিত মূল্য ছিলো খামারের জেডি তার নিজ স্বার্থে একটি গেম প্লান করে মাত্র ১৩ লক্ষ্য ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করেছে। এতে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হলো ৫১,৪৫০০০/= (একান্ন লক্ষ্য পাঁচচল্লিশ হাজার টাকা)। খামারের কাগজ কলম ঠিক রেখে অদৃশ্য ভাবে জেডির পকেটে মোটা অংকের টাকা ঢুকেছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে। খামারের উত্তর ব্লকের বাসা বাড়ি বিক্রয় করার পর ঐ বাসা বাড়িতে গভীর নলকূপ থেকে পানি সাপ্লাই দেওয়ার জন্য মাটির নিচ দিয়ে ৬-৮ ইঞ্চি লোহার পাইপ ও বাসা বাড়ির নিচ থেকে উপরে পানি তোলার জন্য ১-২ ইঞ্চি জিআই পাইপ খামারের শ্রমিক দিয়ে মাটির নিচ থেকে তুলে নাম মাত্র ক্রয় মূল্যের একটি রিসিপ কেটে জেডি বিক্রয় করেছে লোহা/জিআই পাইপ আনুমানিক মোট ৫০-৭০ টন লোহা/জিআই পাইপ বিনা ট্রেন্ডারে/নিলামে বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা জেডি পকেটে ঢুকিয়েছেন। এই বিষয়ে খামারের শ্রমিক ইউনিয়নের আহব্বায়ক ও গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আঃ সাত্তার, শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও গাংনী উপজেলা ওয়ার্কাস পার্টির নেতা ওমর ফারুক সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়ে শিকারোক্তি দেন। বাশবাড়িয়া দঃ পাড়া সংলগ্ন খামারের উত্তর ব্লকের ৩ একর নিচু জায়গায় পানি দিয়ে মসজিদের নাম করে জেডি সাহেবদের সন্তুষ্ট করে গত ১০ বছর ধরে মৌখিক নির্দেশে জেডি সাহেবের কিছু প্রিয় মানুষদের কে ইজারা দিয়ে থাকে। এই বছরে জেডি মোর্শেদুল ইসলাম ও জেডির মনোনিত শ্রমিক দিয়ে গঠিত নাজিম বাহিনীর সদস্যরা পাট জাক দেওয়ার বাণিজ্য করছে। পাট চাষিরা একরে ৬ হাজার টাকা দিয়ে সরকারি ফার্ম এর জায়গাতে পাট জাক দিচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরে এইখানে ১-২ লাখ টাকা বাণিজ্য হয়ে থাকে। জেডির বাণিজ্য করার এই জায়গার পাশে মোঃ মাসুদ নামের একজন মৎস চাষির পুকুরে মৎস চাষ করেন। পাটের পচাঁ পানি মোঃ মাসুদ এর লিজ নেওয়া পুকুরে প্রবেশ করে ২ লাখ টাকার মৎস মারা গেছে। মোঃ মাসুদ জেডির কাছে ক্ষতি পূরণ চাইলে ক্ষতি পূরণ দিবে দিবে বলে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি গাছ কাটা সহ দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:০১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিলা পাট বীজ খামারের ৪০ বছরের পুরোনো ৫টি গাছ কেটে নিজের
ফার্নিচার করেছেন জেডি। চিৎলা পাট বীজ খামারে যোগদান করার পর দূর্নীতি অনিয়মের অনেক সংবাদ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। অত্র খামারের যুগ্ম পরিচালকের প্রয়োজনে একটা একটা করে খামারের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা মূল্যর গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার বানাচ্ছেন। এর মধ্যে অত্র খামারের দক্ষিণ ব্লক থেকে ঢেপা, পাঁকুড়িয়া, বান্দা গ্রামের রাস্তা পানে যেতে খামারের রাস্তার ২ পার্শ্বে ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ৩ টা সেগুণ গাছ কেটেছে, মধ্যে ব্লকের জমির ফসল মাড়াই করার খোলার কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ, উত্তর ব্লকে বাশবাড়িয়া দঃ পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর বাড়ির কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ কেটে গাছের গোড়াটা জেডির ফার্নিচার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে গেছে বাকি ডালপালা গুলো খামারের প্রয়োজনে কিছু কাজে লাগিয়েছে বাকি গুলো জেডির কাছের শ্রমিকদের কে দিয়ে দিয়েছে তারা বিক্রয় করে নিয়েছে। এছাড়াও খামারের প্রয়োজনে ছোট বড় মেহগুনী, নীম, বাবলা অন্যান্য গাছ প্রতি বছরে নিয়মিত ভাবে খামারের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে আসছে। এই গাছ কাটার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যায় যে, সরকারি গাছ কাটার যে নিয়মনীতি আছে সেই নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে খামারের গাছ কেটে থাকে জেডি সাহেবরা। খামারের পুরোনো ভবন বিক্রয় করার সময় সর্বচ্চো দরদাতা সাকিব এন্টারপ্রাইজ ৬৫ লক্ষ্য টাকা প্রস্তাবিত মূল্য ছিলো খামারের জেডি তার নিজ স্বার্থে একটি গেম প্লান করে মাত্র ১৩ লক্ষ্য ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করেছে। এতে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হলো ৫১,৪৫০০০/= (একান্ন লক্ষ্য পাঁচচল্লিশ হাজার টাকা)। খামারের কাগজ কলম ঠিক রেখে অদৃশ্য ভাবে জেডির পকেটে মোটা অংকের টাকা ঢুকেছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে। খামারের উত্তর ব্লকের বাসা বাড়ি বিক্রয় করার পর ঐ বাসা বাড়িতে গভীর নলকূপ থেকে পানি সাপ্লাই দেওয়ার জন্য মাটির নিচ দিয়ে ৬-৮ ইঞ্চি লোহার পাইপ ও বাসা বাড়ির নিচ থেকে উপরে পানি তোলার জন্য ১-২ ইঞ্চি জিআই পাইপ খামারের শ্রমিক দিয়ে মাটির নিচ থেকে তুলে নাম মাত্র ক্রয় মূল্যের একটি রিসিপ কেটে জেডি বিক্রয় করেছে লোহা/জিআই পাইপ আনুমানিক মোট ৫০-৭০ টন লোহা/জিআই পাইপ বিনা ট্রেন্ডারে/নিলামে বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা জেডি পকেটে ঢুকিয়েছেন। এই বিষয়ে খামারের শ্রমিক ইউনিয়নের আহব্বায়ক ও গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আঃ সাত্তার, শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও গাংনী উপজেলা ওয়ার্কাস পার্টির নেতা ওমর ফারুক সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়ে শিকারোক্তি দেন। বাশবাড়িয়া দঃ পাড়া সংলগ্ন খামারের উত্তর ব্লকের ৩ একর নিচু জায়গায় পানি দিয়ে মসজিদের নাম করে জেডি সাহেবদের সন্তুষ্ট করে গত ১০ বছর ধরে মৌখিক নির্দেশে জেডি সাহেবের কিছু প্রিয় মানুষদের কে ইজারা দিয়ে থাকে। এই বছরে জেডি মোর্শেদুল ইসলাম ও জেডির মনোনিত শ্রমিক দিয়ে গঠিত নাজিম বাহিনীর সদস্যরা পাট জাক দেওয়ার বাণিজ্য করছে। পাট চাষিরা একরে ৬ হাজার টাকা দিয়ে সরকারি ফার্ম এর জায়গাতে পাট জাক দিচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরে এইখানে ১-২ লাখ টাকা বাণিজ্য হয়ে থাকে। জেডির বাণিজ্য করার এই জায়গার পাশে মোঃ মাসুদ নামের একজন মৎস চাষির পুকুরে মৎস চাষ করেন। পাটের পচাঁ পানি মোঃ মাসুদ এর লিজ নেওয়া পুকুরে প্রবেশ করে ২ লাখ টাকার মৎস মারা গেছে। মোঃ মাসুদ জেডির কাছে ক্ষতি পূরণ চাইলে ক্ষতি পূরণ দিবে দিবে বলে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।