সংবাদ শিরোনাম ::
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাই আনিসুজ্জামান ও স্ত্রীর বিলাসবহুল ৩ সম্পদের মালিকানা বদল নিয়ে প্রশ্ন গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ গিয়াসের বিরুদ্ধে কমিশন আদায় ও হয়রানির অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই কাস্টমস কর্মকর্তা শামীমের পদোন্নতি ঘিরে বিতর্ক শুধু রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাক্যান্টিন থেকেই প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা গুনে গুনে নেন ডিআইজি মোঃ কামাল ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে পানামা পেপারসে নাম, ১২১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে মামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন আমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার “ড্রাই আনারস” এর চমক! কৃষি শিল্পে নতুন বিপ্লব ৬ মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে

পিরোজপুর জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে এবং কোনো ধরনের ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন না করেই বহুল আলোচিত ৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের বিশেষ সহযোগী ও তৎকালীন পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে শত শত কোটি টাকার অবৈধ বিল প্রদান এবং কোটি কোটি টাকার অনিয়ম ও ঘুষবাণিজ্যের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হলেও এখনো রয়েছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩০ জুন প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি পিরোজপুরে যোগদানের পর থেকেই একটি বিশেষ মহলের সঙ্গে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে তার পূর্ববর্তী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশেষ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার বিল প্রদান করেন।

দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া উপজেলার শিংগা গ্রামের বাসিন্দা হরিদাশ হাওলাদার শিপন গত ৬ জানুয়ারি প্রধান প্রকৌশলী বরাবর, ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বরাবর এবং ৫ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কাজ না করা সত্ত্বেও নির্বাহী প্রকৌশলী তার পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রায় শত কোটি টাকা বিল দিয়েছেন। এছাড়াও ভান্ডারিয়ার ইফতি ইটিসিএল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো কাজ না করেই ৮৯ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে গত বছরের ১৪ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট বিভাগ কুড়িগ্রামে স্ট্যান্ড রিলিজ করে। তিনি ২৮ নভেম্বর বিভিন্ন কৌশলে তার প্রত্যাহারাদেশ স্থগিত করান। আবারও রাষ্ট্রপতির আদেশে সংশ্লিষ্ট বিভাগ গত ৪ ফেব্রুয়ারি তাকে পুনরায় বদলির আদেশ দেয়। কিন্তু অজ্ঞাত শক্তির বলে তিনি স্বপদে বহাল থাকেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন মহলে আবারও আবেদন করা হলে তাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে পুনরায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়ার পর রঞ্জিত দে অফিসিয়ালি কাউকে কিছু না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে পিরোজপুর ত্যাগ করেন।

একটি সূত্র জানায়, পিরোজপুর থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়ার পর পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দীর্ঘদিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করেন। পরে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আবারও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর নিজেকে বিএনপি কর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বিএনপি নেতার মাধ্যমে চাকরিতে পুনর্বহালের চেষ্টা করেন।

বর্তমানে দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে ঢাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবারও চাকরিতে পুনর্বহাল হয়ে পিরোজপুরে পুনরায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে। প্রায় শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া এই নির্বাহী প্রকৌশলী এক অদৃশ্য শক্তির বলে বারবার পুনর্বহাল থাকায় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঠিকাদার মো. মামুন মিয়া বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। তার বদলির আদেশ হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। আমরা সাধারণ ঠিকাদাররা শঙ্কিত।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঠিকাদার বলেন, “এ ইঞ্জিনিয়ার মহা দুর্নীতিবাজ এবং অফিসে অনিয়মিত ছিলেন। তার পছন্দের ঠিকাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে কাজ ভাগিয়ে দেন। কাজ না করলেও সেসব প্রতিষ্ঠানকে শত কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসে আমার মোটা অঙ্কের বিল বকেয়া রয়েছে। আমি প্রকাশ্যে কিছু বললে আমার সমস্যা হয়ে যাবে।”

সূত্র জানায়, পিরোজপুরের সাবেক দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে নেছারাবাদ উপজেলার শফিক সুমন নামে এক ঠিকাদারকে বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে কোনো ধরনের কাজ না হলেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ১২২ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

মো. আব্দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “কাজ না করলেও ইঞ্জিনিয়ার ঠিকাদারকে টাকা দিয়েছেন। এ কাজ আদৌ হবে কি না জানি না। আমরা সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ারের এ কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।”

দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ না করেই বিল প্রদান করায় পিরোজপুরের সাধারণ জনগণ এবং নিয়মিত ঠিকাদাররা পিরোজপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সাবেক দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম করার সাহস কেউ না পায়।

এদিকে পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাই আনিসুজ্জামান ও স্ত্রীর বিলাসবহুল ৩ সম্পদের মালিকানা বদল নিয়ে প্রশ্ন

ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পিরোজপুর জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে এবং কোনো ধরনের ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন না করেই বহুল আলোচিত ৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের বিশেষ সহযোগী ও তৎকালীন পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে শত শত কোটি টাকার অবৈধ বিল প্রদান এবং কোটি কোটি টাকার অনিয়ম ও ঘুষবাণিজ্যের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হলেও এখনো রয়েছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩০ জুন প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি পিরোজপুরে যোগদানের পর থেকেই একটি বিশেষ মহলের সঙ্গে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে তার পূর্ববর্তী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশেষ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার বিল প্রদান করেন।

দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া উপজেলার শিংগা গ্রামের বাসিন্দা হরিদাশ হাওলাদার শিপন গত ৬ জানুয়ারি প্রধান প্রকৌশলী বরাবর, ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বরাবর এবং ৫ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কাজ না করা সত্ত্বেও নির্বাহী প্রকৌশলী তার পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রায় শত কোটি টাকা বিল দিয়েছেন। এছাড়াও ভান্ডারিয়ার ইফতি ইটিসিএল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো কাজ না করেই ৮৯ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে গত বছরের ১৪ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট বিভাগ কুড়িগ্রামে স্ট্যান্ড রিলিজ করে। তিনি ২৮ নভেম্বর বিভিন্ন কৌশলে তার প্রত্যাহারাদেশ স্থগিত করান। আবারও রাষ্ট্রপতির আদেশে সংশ্লিষ্ট বিভাগ গত ৪ ফেব্রুয়ারি তাকে পুনরায় বদলির আদেশ দেয়। কিন্তু অজ্ঞাত শক্তির বলে তিনি স্বপদে বহাল থাকেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন মহলে আবারও আবেদন করা হলে তাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে পুনরায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়ার পর রঞ্জিত দে অফিসিয়ালি কাউকে কিছু না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে পিরোজপুর ত্যাগ করেন।

একটি সূত্র জানায়, পিরোজপুর থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়ার পর পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দীর্ঘদিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করেন। পরে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আবারও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর নিজেকে বিএনপি কর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বিএনপি নেতার মাধ্যমে চাকরিতে পুনর্বহালের চেষ্টা করেন।

বর্তমানে দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে ঢাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবারও চাকরিতে পুনর্বহাল হয়ে পিরোজপুরে পুনরায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে। প্রায় শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া এই নির্বাহী প্রকৌশলী এক অদৃশ্য শক্তির বলে বারবার পুনর্বহাল থাকায় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঠিকাদার মো. মামুন মিয়া বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। তার বদলির আদেশ হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। আমরা সাধারণ ঠিকাদাররা শঙ্কিত।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঠিকাদার বলেন, “এ ইঞ্জিনিয়ার মহা দুর্নীতিবাজ এবং অফিসে অনিয়মিত ছিলেন। তার পছন্দের ঠিকাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে কাজ ভাগিয়ে দেন। কাজ না করলেও সেসব প্রতিষ্ঠানকে শত কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসে আমার মোটা অঙ্কের বিল বকেয়া রয়েছে। আমি প্রকাশ্যে কিছু বললে আমার সমস্যা হয়ে যাবে।”

সূত্র জানায়, পিরোজপুরের সাবেক দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে নেছারাবাদ উপজেলার শফিক সুমন নামে এক ঠিকাদারকে বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে কোনো ধরনের কাজ না হলেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ১২২ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

মো. আব্দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “কাজ না করলেও ইঞ্জিনিয়ার ঠিকাদারকে টাকা দিয়েছেন। এ কাজ আদৌ হবে কি না জানি না। আমরা সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ারের এ কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।”

দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ না করেই বিল প্রদান করায় পিরোজপুরের সাধারণ জনগণ এবং নিয়মিত ঠিকাদাররা পিরোজপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সাবেক দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম করার সাহস কেউ না পায়।

এদিকে পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।