ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

মিথ্যা দলিল তৈরির অভিযোগে ইনডেক্স প্রপার্টিজের পরিচালক জাহিদুল কারাগারে

মিথ্যা দলিল তৈরি করে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইনের মামলায় আবাসন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান ইনডেক্স প্রপার্টিজ লিমিটেড এর পরিচালক এম.এন. জাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় আসামি জাহিদুল প্রথমে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। তবে নির্ধারিত সময় শেষে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হননি। গত ১৭ আগস্ট ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহর আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। পরে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
উত্তরা পশ্চিম থানাধীন বাইলজুরি মৌজায় পাঁচ কাঠা জমির মিথ্যা দলিল তৈরি করে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে জাহিদুলসহ চারজনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন ভোরের আলো কল্যাণ সংস্থা এনজিওর ভাইস চেয়ারম্যান লাবনী রহমান।
মামলায় অপর আসামিরা হলেন- হাসিব উদ্দিন মিয়া, তার স্ত্রী নূর আফরিনা খানম ও বোরহান উদ্দিন আহমেদ।
মামলায় বাদীর অভিযোগ, ২০০৫ সালে তিনি বাইলজুরি মৌজায় আড়াই কাঠা জমি কেনেন। সেখানে আট রুমের একতলা বাড়ি তৈরি করে তিন রুম নিজের জন্য রেখে বাকি পাঁচ রুম ভাড়া দেন। ২০১৪ সালের মার্চে টাকার প্রয়োজনে তিনি বাড়িটি ৭০ লাখ টাকা দাম ধরে বিক্রির জন্য আসামি জাহিদুলের কাছে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে অরেজিষ্ট্রি বায়না দলিল সম্পন্ন করেন। এক মাস পরে জাহিদুল রেজিষ্ট্রেশন খরচ কমাতে জায়গার দাম ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ধরে ১৫ লাখ প্রদান দেখিয়ে বায়না দলিল বেআইনিভাবে রেজিস্ট্রেশন করে নেন। এরপর বাদী বায়না দলিল সম্পন্ন হওয়া জমির লাগোয়া দাগে আরও আড়াই কাঠা জমি কেনেন। পরবর্তীতে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অস্ত্রের মুখে বাদীর কাছ থেকে জোর করে কয়েকটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেন। এরপর আসামিরা বাদীকে তার জায়গা থেকে উচ্ছেদ করেন। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বাদীর মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

মিথ্যা দলিল তৈরির অভিযোগে ইনডেক্স প্রপার্টিজের পরিচালক জাহিদুল কারাগারে

আপডেট সময় ০৩:১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

মিথ্যা দলিল তৈরি করে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইনের মামলায় আবাসন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান ইনডেক্স প্রপার্টিজ লিমিটেড এর পরিচালক এম.এন. জাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় আসামি জাহিদুল প্রথমে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। তবে নির্ধারিত সময় শেষে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হননি। গত ১৭ আগস্ট ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহর আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। পরে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
উত্তরা পশ্চিম থানাধীন বাইলজুরি মৌজায় পাঁচ কাঠা জমির মিথ্যা দলিল তৈরি করে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে জাহিদুলসহ চারজনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন ভোরের আলো কল্যাণ সংস্থা এনজিওর ভাইস চেয়ারম্যান লাবনী রহমান।
মামলায় অপর আসামিরা হলেন- হাসিব উদ্দিন মিয়া, তার স্ত্রী নূর আফরিনা খানম ও বোরহান উদ্দিন আহমেদ।
মামলায় বাদীর অভিযোগ, ২০০৫ সালে তিনি বাইলজুরি মৌজায় আড়াই কাঠা জমি কেনেন। সেখানে আট রুমের একতলা বাড়ি তৈরি করে তিন রুম নিজের জন্য রেখে বাকি পাঁচ রুম ভাড়া দেন। ২০১৪ সালের মার্চে টাকার প্রয়োজনে তিনি বাড়িটি ৭০ লাখ টাকা দাম ধরে বিক্রির জন্য আসামি জাহিদুলের কাছে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে অরেজিষ্ট্রি বায়না দলিল সম্পন্ন করেন। এক মাস পরে জাহিদুল রেজিষ্ট্রেশন খরচ কমাতে জায়গার দাম ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ধরে ১৫ লাখ প্রদান দেখিয়ে বায়না দলিল বেআইনিভাবে রেজিস্ট্রেশন করে নেন। এরপর বাদী বায়না দলিল সম্পন্ন হওয়া জমির লাগোয়া দাগে আরও আড়াই কাঠা জমি কেনেন। পরবর্তীতে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অস্ত্রের মুখে বাদীর কাছ থেকে জোর করে কয়েকটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টিপসই নেন। এরপর আসামিরা বাদীকে তার জায়গা থেকে উচ্ছেদ করেন। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বাদীর মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।