জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খানের দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকাখ্যাতি ও রাজনৈতিক দায়িত্ববোধকে একসূত্রে গেঁথে হেলাল খান আজ জাসাসকে একটি আধুনিক, সক্রিয় ও সুসংগঠিত সামাজিক শক্তিতে রূপান্তর করছেন।
গত এক বছরে তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে কার্যকর নেতৃত্ব নির্বাচন, এবং নানা সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে সংগঠনটি ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
হেলাল খান বলেছেন,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী জাসাস কখনোই কেবল সাংগঠনিক শক্তি নয়, এটি একটি সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সংগঠন ।”
জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসব ও আলোচনা সভা:
তরুণ শিল্পীদের উদ্দীপনায় দলীয় ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া
সিলেট বিভাগীয় সফর ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়
জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা মনে করছেন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে জনপ্রিয় চিত্র নায়ক হেলাল খানের নেতৃত্বে জাসাস তার ঐতিহাসিক গৌরব ফিরে পাচ্ছে। সংস্কৃতিমনা তরুণ প্রজন্ম তার আহ্বানে জাসাসের পতাকাতলে সমবেত হচ্ছে।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার জেল-জুলুমের মাঝেও ঐক্যবদ্ধ ছিলো জাসাস নেতাকর্মীরা :
স্বৈরাচারী আওয়ামী শাসনের রক্তচক্ষু, মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার ও জুলুমের মধ্যেও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ ছিলেন । ফ্যাসিবাদী সরকারের দমননীতি ও সাংস্কৃতিক শূন্যতার বিরুদ্ধে জাসাসের অভিভাবক এর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও তারুণ্যের অহংকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তরেক রহমানের ৩১ দফা কে বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী আদর্শ বুকে ধারণ করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
জাসাস-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান বলেন: গুম-খুন-মামলার ভয় দেখিয়ে জাসাস কর্মীদের দমন করা যায়নি । শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং তারেক রহমানের নির্দেশনাই আমাদের অনুপ্রেরণা।”
মিথ্যা মামলা ও হয়রানি:
ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে বহু জাসাস নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা, বিনা কারণে গ্রেপ্তার, রিমান্ড এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে সরকারি পেটোয়া পুলিশ বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার বাহিনী দিয়ে দমনপীরণ করেও কর্মসূচী কখনও বন্ধ করতে পারেনি।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ বিভিন্ন বিভাগে জাসাসের নেতাকর্মীরা নিয়মিত পুলিশি নজরদারির মুখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছেন।
ঐক্যের ভিত্তি: ত্যাগ ও সাংস্কৃতিক চেতনা :
হেলাল খানের নেতৃত্বে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের ভাষা অব্যাহত রেখেছেন। নাটক, পথনাটক, গান, কবিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তাঁরা সরকারের একচেটিয়া অপপ্রচার ও রাষ্ট্রীয় দমননীতির জবাব দিয়েছিলেন।
আহবায়ক হেলাল খান আরো বলেন- আমাদের নেতাকর্মীরা জেল-জুলুমের ভয় পায় না। জাসাস হচ্ছে জাতীয়তাবাদের সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের প্রথম কণ্ঠস্বর।”
জাহিদুল আলম 






















