সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

নিয়োগ বাণিজ্য করে শতকোটি টাকার সম্পদ এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। আর এই কর্মযজ্ঞকে কাজে লাগিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা গড়ে তুলেছেন নিজেদের সম্পদের পাহাড়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলোতে জনগণের যতটুকু লাভ হয় তার থেকে বেশি লাভ হয় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের।

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুসন্ধানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্ত হাতে এসেছে । এই দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন হলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট তৈরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরটিতে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই দপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদককে জানান, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া প্রায় ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে দপ্তরটির প্রধান প্রকৌশলী পথ বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন মোঃ আবদুর রশিদ এলজিইডিতে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে বড় একটি অংশ চলে যায় এলজিইডি এই সিন্ডিকেটের হাতে।

* প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া দুর্নীতির এই অর্থ দিয়ে কি করেন? কোথায় রেখেছেন?
দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুসন্ধানী দল এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বের হয়ে হাতে পায় একাধিক তথ্য-উপাত্ত। দুর্নীতির অর্থে নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ ও ঢাকায় কিনেছেন জমি ও বেনামে একাধিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন। রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন, বরুয়া মৌজায় তার নামে ক্রয়ে করেছেন ৭ কাঠা জমি, যার জার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের শাজাহান রোডের ডি-ব্লকের হোল্ডিং নং ৩২/৩ এর ছয়তলা বাড়িটিও তার। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ফাতেমা জাকিয়ার নামে ক্রয় করেছেন ফ্লাট। সিরাজগঞ্জের হাইওয়ে রাস্তার পাশে ৬০ কাঠা জায়গার উপর চালাচ্ছেন ফুড গার্ডেন নামে রেস্টুরেন্ট এবং তার পাশেই নিজ শ্যালকের নামে জমি ক্রয় করে দুইটি ৫তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। আব্দুর রশিদ তার নিজ গ্রাম কাজিপুর উপজেলায় সম্পদ পাহাড় গড়েছেন।

এই বিষয়ে কথা বলতে প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়াকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনেই কল কেটে দেন তারপর তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

 

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

নিয়োগ বাণিজ্য করে শতকোটি টাকার সম্পদ এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ

আপডেট সময় ০৮:০৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। আর এই কর্মযজ্ঞকে কাজে লাগিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা গড়ে তুলেছেন নিজেদের সম্পদের পাহাড়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলোতে জনগণের যতটুকু লাভ হয় তার থেকে বেশি লাভ হয় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের।

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুসন্ধানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্ত হাতে এসেছে । এই দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন হলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট তৈরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরটিতে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই দপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদককে জানান, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া প্রায় ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে দপ্তরটির প্রধান প্রকৌশলী পথ বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন মোঃ আবদুর রশিদ এলজিইডিতে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে বড় একটি অংশ চলে যায় এলজিইডি এই সিন্ডিকেটের হাতে।

* প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া দুর্নীতির এই অর্থ দিয়ে কি করেন? কোথায় রেখেছেন?
দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুসন্ধানী দল এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বের হয়ে হাতে পায় একাধিক তথ্য-উপাত্ত। দুর্নীতির অর্থে নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ ও ঢাকায় কিনেছেন জমি ও বেনামে একাধিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন। রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন, বরুয়া মৌজায় তার নামে ক্রয়ে করেছেন ৭ কাঠা জমি, যার জার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের শাজাহান রোডের ডি-ব্লকের হোল্ডিং নং ৩২/৩ এর ছয়তলা বাড়িটিও তার। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ফাতেমা জাকিয়ার নামে ক্রয় করেছেন ফ্লাট। সিরাজগঞ্জের হাইওয়ে রাস্তার পাশে ৬০ কাঠা জায়গার উপর চালাচ্ছেন ফুড গার্ডেন নামে রেস্টুরেন্ট এবং তার পাশেই নিজ শ্যালকের নামে জমি ক্রয় করে দুইটি ৫তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। আব্দুর রশিদ তার নিজ গ্রাম কাজিপুর উপজেলায় সম্পদ পাহাড় গড়েছেন।

এই বিষয়ে কথা বলতে প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়াকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনেই কল কেটে দেন তারপর তিনি আর কল রিসিভ করেননি।