দত্তনগর বিএডিসির ৫টি বীজ উৎপাদন খামারে দূর্নীতি অনিয়মের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে খামারের
উপপরিচালকরা। দত্তনগর বিএডিসির ৫টি বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালকদের দূর্নীতি অনিয়ম ও সার্বিক কার্যক্রম
মনিটরিং করার জন্য অতিরিক্ত একজন যুগ্ন পরিচালক আছে। যুগ্ন পরিচালক নিজে দূর্নীতি না করলেও তাদের অধিনস্ত
খামারের ডিডিদের দূর্নীতি অনিয়ম করার স্বর্গরাজ্য গড়ে দিয়েছে। এরপরও সারা বাংলাদেশের বিএডিসির সকল ডিডিদের
কাছে পীর সাহেব হিসেবে মোঃ কামরুজ্জামান পরিচিতি লাভ করেছেন। তার অধিনস্ত খামার গুলোর দূর্নীতি অনিয়মের
বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হলে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ যখন তদন্ত করেন তখন মোঃ কামরুজ্জামান সাহেবের পানি পড়ায় সব দূর্নীতি
অনিয়ম ধামা চাপা পড়ে যায়। গত ১৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে দত্তনগরের বিএডিসির ৫টি বীজ উৎপাদন খামার গুলো ঘুরে
দেখে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তার মধ্যে একটি হলো খামারের উপপরিচালকদের স্ত্রী, ছেলে মেয়ে দত্তনগরে থাকেন না।
উপপরিচালকদের বাসার গেটে দিনের বেলা ২ জন পাহারাদার থাকার পাশাপাশি বাসার রাঁধুনি হিসেবে ১-৩ জন করে
রেখেছে। পাথিলা বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালকের বাসার রাঁধুনি হিসেবে কাজ করেন মোঃ শাহজাহান নামের
একজন শ্রমিক, বাসার দারওয়ার হিসেবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্তমোঃ লিটন ও আরও একজন শ্রমিক কাজ করেন।
গোকুলনগর বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালকের বাসার রাঁধুনি হিসেবে কাজ করেন মোঃ জুনু মিয়া নামের একজন
শ্রমিক, বাসার দারওয়ার হিসেবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মোঃ আয়নাল ও মোঃ লাল মিয়া নামের ২ জন শ্রমিক কাজ
করেন। করিঞ্চা বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালকের বাসার রাঁধুনি হিসেবে কাজ করেন মোছাঃ শাহানাজ খাতুন নামের
একজন শ্রমিক, বাসার দারওয়ার হিসেবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মোঃ আনিস ও আরও একজন শ্রমিক কাজ করেন। মথুরা
বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালকের বাসার রাঁধুনি হিসেবে কাজ করেন একজন মহিলা শ্রমিক ও একজন পুরুষ শ্রমিক,
বাসার দারওয়ার হিসেবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২জন শ্রমিক কাজ করেন। কুশাডাঙ্গা বীজ উৎপাদন খামারের
উপপরিচালকের বাসার রাঁধুনি হিসেবে কাজ করে মোঃ মুক্তার হোসেন ও একজন মহিলা শ্রমিক, উপপরিচালকের স্ত্রী যখন
খামারে আসেন তখন খামারে এই মহিলা রাধুঁনি থাকেন, উপপরিচালকের স্ত্রী যখন খামারের বাইরে থাকেন তখন এই রাধুঁনি
মহিলা শ্রমিক উপপরিচালকের স্ত্রী সাথে চলে যান। এছাড়া বাসার দারওয়ার হিসেবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২ জন শ্রমিক
কাজ করেন। তথ্য সংরক্ষণ করার সময় একজন শ্রমিক বলেন যে, স্যারদের বাসার কাজের লোক হিসেবে যারা আছেন
তাদের মধ্যে অনেকের নিজ নামে স্যারদের হাজিরা খাতায় পাওয়া যাবে না কিšুÍ স্যারদের বাসার কাজের লোকদের
পরিবারের যেকোনো একজনের নামে হাজিরা হয় টাকা তোলার সময় স্যারদের বাসার কাজের লোকরাই তুলে আনে।
খামারে কর্মরত একজন কর্মচারী বলেন ভাই স্যারদের বাসার কাজের লোক নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ প্রকাশ হয়েছে
কিন্তু স্যারদের কিছুই হয়নি। স্যাররা তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বলে থাকেন যে, তারা আমাদের বাসার কাজের লোক না
তারা হলো খামারের পাহারাদার আর এইটা সত্যি বলে সার্টিফিকেট দেয় এই খামারের ভারপ্রাপ্ত জেডি মোঃ কামরুজ্জামান।
যে কারণে এই ডিডিদের বিরুদ্ধে যতই লিখেন কিছুই করতে পারবেন না। এই ব্যাপারে কয়কেজন ডিডির সাথে কথা বললে
তারা বলেন যে, আমরা সরকারের কাজ করি সরকার এতটুকু সুযোগ সুবিধা আমাদের না দিলে আমরা কাজ করবো
কিভাবে। অপকৌশল করে সরকারের টাকাই উপপরিচালকদের বাসার কাজের লোকের বেতন হয় আর বিএডিসির জিএম,
এমডি, চেয়্যারম্যান সাহেবরা জানে না এমন অবাস্তব কথা খামারের পার্শ্বে বসবাসকারী মানুষ গুলো বিশ্বাস করেন না।
সংবাদ শিরোনাম ::
দত্তনগর বিএডিসির ৫টি বীজ উৎপাদন খামারে দূর্নীতি অনিয়মের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে খামারের উপ-পরিচালকরা
-
বিশেষ প্রতিনিধি: - আপডেট সময় ১০:২১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
- ৮৫৬ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ























