ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি-কেইন কেন ওমর সানিকে চাবুক মারতেন মৌসুমী?

ইসরায়েলের হামলা ও হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বেরোবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা এবং ভারতের হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে এবং ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারা প্রতিবাদ করেন।

বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় মুসলিম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভটি লালবাগ হয়ে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-আমিন বলেন, “হে মুসলিম বিশ্বের নেতারা, আপনারা কোথায়? ২০০ কোটি মুসলিম কোথায়? আপনারা কি শুধু আবাবিলের স্বপ্ন দেখেন? হে আরব বিশ্ব, ১৯৭৩ সালে তেল অবরোধ করেছিলেন, এখন তা করতে ইচ্ছে করে না? এখনো পশ্চিমাদের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চান?”

জাতিসংঘকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনারা নাকি শান্তি স্থাপনকারী! তাহলে ইসরায়েল বারবার আগ্রাসন চালাতে পারছে কীভাবে? এই ধরনের সংগঠনের দরকার নেই। প্রয়োজনে মুসলিম বিশ্ব আলাদা জাতিসংঘ গঠন করবে।”

বেরোবি সমন্বয়ক জাহিদ হাসান জয় বলেন, “ইসরায়েলি পণ্যগুলো আজ থেকে বয়কট করলাম। বাড়িতে আর তাদের পণ্য রাখবেন না।”

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী হেলাল বলেন, “দিন দিন নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হচ্ছে। এই হামলায় পশ্চিমাসহ কিছু আরব দেশও সাহায্য করছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে, তার নিন্দা জানাই। চারদিকে যখন লাশের স্তূপ, তখনও আরব বিশ্ব ঘুমিয়ে আছে। শুধু দোয়া করলেই সব সমাধান হয়ে যেত, তাহলে উহুদ কিংবা বদরের যুদ্ধের প্রয়োজন হতো না। তাই সবাইকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে হবে।”

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয়

ইসরায়েলের হামলা ও হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বেরোবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা এবং ভারতের হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে এবং ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারা প্রতিবাদ করেন।

বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় মুসলিম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভটি লালবাগ হয়ে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-আমিন বলেন, “হে মুসলিম বিশ্বের নেতারা, আপনারা কোথায়? ২০০ কোটি মুসলিম কোথায়? আপনারা কি শুধু আবাবিলের স্বপ্ন দেখেন? হে আরব বিশ্ব, ১৯৭৩ সালে তেল অবরোধ করেছিলেন, এখন তা করতে ইচ্ছে করে না? এখনো পশ্চিমাদের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চান?”

জাতিসংঘকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনারা নাকি শান্তি স্থাপনকারী! তাহলে ইসরায়েল বারবার আগ্রাসন চালাতে পারছে কীভাবে? এই ধরনের সংগঠনের দরকার নেই। প্রয়োজনে মুসলিম বিশ্ব আলাদা জাতিসংঘ গঠন করবে।”

বেরোবি সমন্বয়ক জাহিদ হাসান জয় বলেন, “ইসরায়েলি পণ্যগুলো আজ থেকে বয়কট করলাম। বাড়িতে আর তাদের পণ্য রাখবেন না।”

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী হেলাল বলেন, “দিন দিন নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হচ্ছে। এই হামলায় পশ্চিমাসহ কিছু আরব দেশও সাহায্য করছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে, তার নিন্দা জানাই। চারদিকে যখন লাশের স্তূপ, তখনও আরব বিশ্ব ঘুমিয়ে আছে। শুধু দোয়া করলেই সব সমাধান হয়ে যেত, তাহলে উহুদ কিংবা বদরের যুদ্ধের প্রয়োজন হতো না। তাই সবাইকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে হবে।”