ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন মাহমুদুল হাসান কুমিল্লায় ১০০ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস জব্দ, আটক ২ গুলশানে স্পা, র অন্তরালে ,,বাহার , ম্যানেজার রানা, সুমন, ব্ল্যাকমেলই সহ মাদক বাণিজ্য নারী দিয়ে ফাঁদ আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বয়তুল্ল্যাহ সেতুর উত্তর পাশে ধস: যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উত্তরা ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তরার সড়কে শিক্ষার্থীরা আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করলেন পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান আব্দুল মালেক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির নয়ন মিয়ার প্রতিবাদ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা এমডি মুজিবুরের জনতা ব্যাংকে লুটপাট

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অনিয়মের শেষ নেই রুখবে কে?

২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালের অনিয়মের শেষ নেই, শত শত রোগী এক্সেরা করার জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছে,যারা আইয়াকে হাতের মুঠোয় ৫০ টাকা গুছিয়ে দিচ্ছে তাদের সিরিয়াল মেন্টেল করতে হয় না? ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ২০০ টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল নিয়ে এক্সরে রুমে প্রবেশ করতে হয় এইখানে ও অনিয়মের শেষ নেই, ৩০ জনের উপরে এক্সেরা করতে পারবে না বলে
প্রতিবেদক জানান,আবার গতকালকে অনেককে এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে সকালে আসবেন।

সকালে এসে দেখা যায় এক্সরে রুমে প্রবেশের জন্য শতশত নারী পুরুষ দাড়িয়ে আছে। রুমে প্রবেশ করানো হচ্ছে না? দায়িত্বরত নার্স জিজ্ঞেস করলে উনি উত্তর দেন রুমে প্রবেশ করে কি করবে
কর্মকর্তা আসেনি এক্সরে করবে কে?
সকাল ১০ ঘটিকার সময় ২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যদি এক্সরে কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকে রোগীর অবস্থা কি হবে রিপোর্ট কখন নেবে ডাক্তার দেখাবে কখন।

সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায়,গতকাল সকাল ১১ ঘটিকায় এসেছিলেন কক্সবাজার সরকারী কলেজের ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র বায়েজিদ।এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে আজ সকালে আসতে বলেন। সকালে আসার পর থেকে দাড়িয়ে আছেন।এক্সরে করার কোন খবর নেই, আক্ষেপ করে বলেন, টাকা দিয়ে সেবা নিচ্ছি তারপরও এত গড়ি মসি কেন মরে গেলে ও সরকারি হাসপাতালে আর কখন ও আসব না? যেমন অবহেলা তেমন তাদের ব্যবহার খুব খারাপ যারা লাইনে না দাড়িয়ে ২০/৫০ টাকা
তারা আগে ডাঃ দেখাতে পারেন আইন আছে প্রয়োগ নেই, ভুক্তভোগী রোগী শরীফ বয়স ৫৫ গতকাল থেকে এক্সেরে করাতে এসে আজ পর্যন্ত এক্সেরে করাতে পারেন নি,এমন অসংখ্য লোকের সাথে প্রতিবেদকের সাথে কথা হয়। হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী কেউ সময়মত হাসপাতালে আসেন না,নিয়ম ও মানেন না এই অনিয়ম গুলো রুখবে কে আমজনতার প্রশ্ন। ২০০ টাকার একটা এক্সরে করতে যদি ২ দিন সময় লাগে দুর থেকে আগত রোগীদের অবস্থা কি হবে হাসপাতাল কতৃপক্ষের শুভবুদ্ধি কখন উদয় হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন মাহমুদুল হাসান

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অনিয়মের শেষ নেই রুখবে কে?

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালের অনিয়মের শেষ নেই, শত শত রোগী এক্সেরা করার জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছে,যারা আইয়াকে হাতের মুঠোয় ৫০ টাকা গুছিয়ে দিচ্ছে তাদের সিরিয়াল মেন্টেল করতে হয় না? ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ২০০ টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল নিয়ে এক্সরে রুমে প্রবেশ করতে হয় এইখানে ও অনিয়মের শেষ নেই, ৩০ জনের উপরে এক্সেরা করতে পারবে না বলে
প্রতিবেদক জানান,আবার গতকালকে অনেককে এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে সকালে আসবেন।

সকালে এসে দেখা যায় এক্সরে রুমে প্রবেশের জন্য শতশত নারী পুরুষ দাড়িয়ে আছে। রুমে প্রবেশ করানো হচ্ছে না? দায়িত্বরত নার্স জিজ্ঞেস করলে উনি উত্তর দেন রুমে প্রবেশ করে কি করবে
কর্মকর্তা আসেনি এক্সরে করবে কে?
সকাল ১০ ঘটিকার সময় ২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যদি এক্সরে কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকে রোগীর অবস্থা কি হবে রিপোর্ট কখন নেবে ডাক্তার দেখাবে কখন।

সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায়,গতকাল সকাল ১১ ঘটিকায় এসেছিলেন কক্সবাজার সরকারী কলেজের ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র বায়েজিদ।এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে আজ সকালে আসতে বলেন। সকালে আসার পর থেকে দাড়িয়ে আছেন।এক্সরে করার কোন খবর নেই, আক্ষেপ করে বলেন, টাকা দিয়ে সেবা নিচ্ছি তারপরও এত গড়ি মসি কেন মরে গেলে ও সরকারি হাসপাতালে আর কখন ও আসব না? যেমন অবহেলা তেমন তাদের ব্যবহার খুব খারাপ যারা লাইনে না দাড়িয়ে ২০/৫০ টাকা
তারা আগে ডাঃ দেখাতে পারেন আইন আছে প্রয়োগ নেই, ভুক্তভোগী রোগী শরীফ বয়স ৫৫ গতকাল থেকে এক্সেরে করাতে এসে আজ পর্যন্ত এক্সেরে করাতে পারেন নি,এমন অসংখ্য লোকের সাথে প্রতিবেদকের সাথে কথা হয়। হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী কেউ সময়মত হাসপাতালে আসেন না,নিয়ম ও মানেন না এই অনিয়ম গুলো রুখবে কে আমজনতার প্রশ্ন। ২০০ টাকার একটা এক্সরে করতে যদি ২ দিন সময় লাগে দুর থেকে আগত রোগীদের অবস্থা কি হবে হাসপাতাল কতৃপক্ষের শুভবুদ্ধি কখন উদয় হবে।