ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজৈরে মাদারীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা নিজ অফিসে প্রথম কার্য দিবস শুরু স্পিকার থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: মেজর হাফিজ উদ্দিনকে ঘিরে তজুমদ্দিনে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ভাড়া বাসায় ই’য়াবার ব্যবসা, দম্পতিসহ আটক ৩ কৃষকের পা ভেঙ্গে দিলো হাতুরি দিয়ে  দুর্নীতি-অবৈধ সম্পদের অভিযোগে উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগের প্রস্তুতি রাঙামাটি গণপূর্তের প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ কাজ শেষ না করেই ঠিকাদারকে বিল, অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে নুরুলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান বদলের অভিযোগ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ 

আজ স্যার কে.জি. গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

আজ ২৮ ফেরুয়ারী স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের ( কে. জি. গুপ্ত) ১৭৪ তম জন্মবার্ষিকী ।অবিভক্ত বাংলার কৃতি সন্তান কে. জি. গুপ্ত ১৮৫১ খৃস্টাব্দের বর্তমান নরসিংদী জেলার ভাটপাড়া গ্রামে গুপ্ত জমিদার পরিবারে ২৮ ফেরুয়ারী কে. জি. গুপ্ত জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কালী নারায়ন গুপ্ত, মাতার নাম অন্নদা সুন্দরী গুপ্ত ।
১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে তিনি পোগজ স্কুলে ভর্তি হয়ে সেখান থেকেই ১৮৬৬ সালে কৃতিত্বের সাথে এন্ট্রান্স পাশ করেন। পরে কে. জি. গুপ্ত উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতা যান। ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বিলেতের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। তিনি লিংকন্স ইন থেকে বার-এট-ল’ সম্পন্ন করেন। ১৮৭১ সালে তিনি আইসিএস উত্তীর্ণ হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত ছিলেন পূর্ব বাংলার প্রথম আই সি এস অফিসার। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে মহকুমা প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, আবগারি কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার, বোর্ড অব রেভিনিউ-এর সদস্যসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একই সঙ্গে হাউস অব কমন্স-এর একমাত্র ভারতীয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৬ সালে তিনি সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তৎকালীন বৃটিশ সরকার তাকে স্যার উপাধিতে ভূষিত করেন।
কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের কর্মকান্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে‘কে.সি.এস.আই’ ( knight commander of the stars of India)
উপাধিতে ভূষিত করে। কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত ছিলেন এ উপাধি প্রাপ্ত প্রথম বাঙ্গালী। ১৯১৯ সালে তার নামে নরসিংদীর পাঁচদোনায় স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত উচ্চ বিদ্যালয় স্হাপন করা হয়।
১৯২৬ সালের ২৯ মার্চ ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তী কে.জি. বাঙ্গালী কলকাতার বালীগঞ্জে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের কৃতিত্বময় শিক্ষা জীবন, সফল কর্মজীবন ও সমাজ সংস্কারে তাঁর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। কে, জি গুপ্তের অসাম্প্রদায়িক জীবনাদর্শে অণুপ্রাণিত হয়ে সমাজ থেকে সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় কুসংস্কার দূরীকরণে ভূমিকা রাখতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানানো হয় । দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকার পর কে. জি. গুপ্তের স্মৃতিকে সকলের কাছে তুলে ধরার আহ্বান করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আজ স্যার কে.জি. গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

আপডেট সময় ০৬:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আজ ২৮ ফেরুয়ারী স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের ( কে. জি. গুপ্ত) ১৭৪ তম জন্মবার্ষিকী ।অবিভক্ত বাংলার কৃতি সন্তান কে. জি. গুপ্ত ১৮৫১ খৃস্টাব্দের বর্তমান নরসিংদী জেলার ভাটপাড়া গ্রামে গুপ্ত জমিদার পরিবারে ২৮ ফেরুয়ারী কে. জি. গুপ্ত জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কালী নারায়ন গুপ্ত, মাতার নাম অন্নদা সুন্দরী গুপ্ত ।
১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে তিনি পোগজ স্কুলে ভর্তি হয়ে সেখান থেকেই ১৮৬৬ সালে কৃতিত্বের সাথে এন্ট্রান্স পাশ করেন। পরে কে. জি. গুপ্ত উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতা যান। ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বিলেতের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। তিনি লিংকন্স ইন থেকে বার-এট-ল’ সম্পন্ন করেন। ১৮৭১ সালে তিনি আইসিএস উত্তীর্ণ হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত ছিলেন পূর্ব বাংলার প্রথম আই সি এস অফিসার। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে মহকুমা প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, আবগারি কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার, বোর্ড অব রেভিনিউ-এর সদস্যসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একই সঙ্গে হাউস অব কমন্স-এর একমাত্র ভারতীয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৬ সালে তিনি সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তৎকালীন বৃটিশ সরকার তাকে স্যার উপাধিতে ভূষিত করেন।
কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের কর্মকান্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে‘কে.সি.এস.আই’ ( knight commander of the stars of India)
উপাধিতে ভূষিত করে। কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত ছিলেন এ উপাধি প্রাপ্ত প্রথম বাঙ্গালী। ১৯১৯ সালে তার নামে নরসিংদীর পাঁচদোনায় স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত উচ্চ বিদ্যালয় স্হাপন করা হয়।
১৯২৬ সালের ২৯ মার্চ ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তী কে.জি. বাঙ্গালী কলকাতার বালীগঞ্জে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের কৃতিত্বময় শিক্ষা জীবন, সফল কর্মজীবন ও সমাজ সংস্কারে তাঁর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। কে, জি গুপ্তের অসাম্প্রদায়িক জীবনাদর্শে অণুপ্রাণিত হয়ে সমাজ থেকে সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় কুসংস্কার দূরীকরণে ভূমিকা রাখতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানানো হয় । দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকার পর কে. জি. গুপ্তের স্মৃতিকে সকলের কাছে তুলে ধরার আহ্বান করা হয়।