সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালিত

সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সুর্যোদয়ের প্রাক্কালে ৩১বার তোপধব্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
১৬ ডিসেম্বর সোমবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কলেজ মোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ,স্বাস্থ্য বিভাগ, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।
পরে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা, পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুর রহমান, বীর প্রতীক আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ লিংকন, সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর এ মুর্শেদ, জেলা পরিষদের নির্বাহী মো: ফিরুজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার প্রমুখ।
দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট চত্বরে, সরকারি ও বেসরকারি ভবনসমূহে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া দিনব্যাপী বিজয়মেলা, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদেও সুস্বাস্থ্য, জাতির জন্য শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম ও শিশু পরিবারসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালিত

আপডেট সময় ১২:২৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সুর্যোদয়ের প্রাক্কালে ৩১বার তোপধব্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
১৬ ডিসেম্বর সোমবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কলেজ মোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ,স্বাস্থ্য বিভাগ, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।
পরে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা, পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুর রহমান, বীর প্রতীক আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ লিংকন, সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর এ মুর্শেদ, জেলা পরিষদের নির্বাহী মো: ফিরুজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার প্রমুখ।
দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট চত্বরে, সরকারি ও বেসরকারি ভবনসমূহে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া দিনব্যাপী বিজয়মেলা, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদেও সুস্বাস্থ্য, জাতির জন্য শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম ও শিশু পরিবারসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।