সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত ও ছিনতাইমুক্ত করার প্রত্যয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। গত ০৪ জুলাই ২০২৬ রাতে দ্বিতীয় মহানন্দা সেতু (নতুন ব্রিজ) সংলগ্ন চর-ইসলামাবাদ এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুর্গম জঙ্গল, কাদাময় ও অত্যন্ত প্রতিকূল রাস্তা উপেক্ষা করে সরাসরি উপস্থিত থেকে এই সাহসী অভিযানের নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
​পুলিশ সুপারের এমন সময়োপযোগী ও জিরো টলারেন্স নীতিকে সাধুবাদ জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সাথে মাদকের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অভিযান যেন ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
​তবে পুলিশের এই প্রশংসনীয় ও সফল উদ্যোগের পরেও স্থানীয় জনসাধারণের মনে চরম ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। ইসলামাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর আইনি ফাঁকফোকর গলে মাত্র কয়েকদিন বা সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যেই জামিনে বের হয়ে আসে। কারাগার থেকে বের হয়ে তারা আবারও এলাকায় আগের মতোই রমরমা মাদক ব্যবসা ও সিন্ডিকেট চালু করে।
​এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পুলিশ কষ্ট করে তাদের ধরে নিয়ে গেলেও তারা যদি বারবার জামিনে ফিরে এসে একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটায়, তবে এলাকা কখনোই মাদকমুক্ত করা সম্ভব নয়। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি এলাকায় ছিনতাই ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার পেছনে রয়েছে এই মাদক চক্র।
​ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, এই চিহ্নিত মাদক কারবারিরা মূলত সরকারি লিজ নেওয়া জমিতে বসবাস করে মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। তাই এলাকাকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও ছিনতাইয়ের কবল থেকে রক্ষা করতে হলে এই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের অনতিবিলম্বে সরকারি লিজ বাতিল করে এলাকা থেকে চিরতরে বিতাড়িত করতে হবে। একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এখন এটাই ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের প্রধান দাবি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৮:২৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত ও ছিনতাইমুক্ত করার প্রত্যয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। গত ০৪ জুলাই ২০২৬ রাতে দ্বিতীয় মহানন্দা সেতু (নতুন ব্রিজ) সংলগ্ন চর-ইসলামাবাদ এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুর্গম জঙ্গল, কাদাময় ও অত্যন্ত প্রতিকূল রাস্তা উপেক্ষা করে সরাসরি উপস্থিত থেকে এই সাহসী অভিযানের নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
​পুলিশ সুপারের এমন সময়োপযোগী ও জিরো টলারেন্স নীতিকে সাধুবাদ জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সাথে মাদকের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অভিযান যেন ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
​তবে পুলিশের এই প্রশংসনীয় ও সফল উদ্যোগের পরেও স্থানীয় জনসাধারণের মনে চরম ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। ইসলামাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর আইনি ফাঁকফোকর গলে মাত্র কয়েকদিন বা সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যেই জামিনে বের হয়ে আসে। কারাগার থেকে বের হয়ে তারা আবারও এলাকায় আগের মতোই রমরমা মাদক ব্যবসা ও সিন্ডিকেট চালু করে।
​এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পুলিশ কষ্ট করে তাদের ধরে নিয়ে গেলেও তারা যদি বারবার জামিনে ফিরে এসে একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটায়, তবে এলাকা কখনোই মাদকমুক্ত করা সম্ভব নয়। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি এলাকায় ছিনতাই ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার পেছনে রয়েছে এই মাদক চক্র।
​ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, এই চিহ্নিত মাদক কারবারিরা মূলত সরকারি লিজ নেওয়া জমিতে বসবাস করে মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। তাই এলাকাকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও ছিনতাইয়ের কবল থেকে রক্ষা করতে হলে এই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের অনতিবিলম্বে সরকারি লিজ বাতিল করে এলাকা থেকে চিরতরে বিতাড়িত করতে হবে। একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এখন এটাই ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের প্রধান দাবি।