সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

কুড়িগ্রামে বিজয় দিবসের ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ! আহত ৯

বিজয় দিবসে পুস্পস্তবক দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বিজয়স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার সমর্থক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার সমর্থকদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কলেজ মোড়ে সংঘর্ষ ঘটে। এতে আহত হয় অন্তত ৯ জন।
আহতরা হলেন, দেয়ানের খামার গ্রামের মইনুদ্দিনের পুত্র মাইদুল ইসলাম, মমতাজ আলীর পুত্র উমর ফারুক, গোলাম কিবরিয়ার পুত্র আইয়ুব আলী, পাইকেরছড়ার গ্রামের শাহা আলমের পুত্র আলম মিয়া, দক্ষিণ ছাট গোপালপুর মমিনুল সিকদারের পুত্র স্বদেশ সিকদার, কামাত আঙ্গারিয়ার সুলতান মিয়ার পুত্র সোহেল, আ. মজিদের পুত্র লিমন, আ. জব্বার ইয়াকুব, বাগভান্ডারের আহাম্মদ আলীর পুত্র আ. রহমান।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ৫-৬ জন নেতাকর্মী ফুল নিয়ে যায়। কিন্তু জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকের লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রায় শতাধিক লোকজন বিজয়স্মম্ভে উপস্থিত হয়ে বাধা প্রদান করে। পরে তারা আরও সংঘবদ্ধ হয়ে কলেজ মোড়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও আমার দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় আমাদের ৫/৭ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকদেরও লাঞ্ছিত করে হামলাকারীরা। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেবো।
জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা বলেন, আমি কিছু জানি না। আমি অসুস্থ চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছি। ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার বহিষ্কৃত। সে বিএনপির কোনো পদেই নেই।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েম আহমেদ বলেন, আজকে মারামারি ঘটনায় হাসপাতালে প্রায় ৮/৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এরমধ্যে একজন গুরতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মাসুদ রানা বলেন, ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কুড়িগ্রামে বিজয় দিবসের ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ! আহত ৯

আপডেট সময় ১২:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

বিজয় দিবসে পুস্পস্তবক দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বিজয়স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার সমর্থক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার সমর্থকদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কলেজ মোড়ে সংঘর্ষ ঘটে। এতে আহত হয় অন্তত ৯ জন।
আহতরা হলেন, দেয়ানের খামার গ্রামের মইনুদ্দিনের পুত্র মাইদুল ইসলাম, মমতাজ আলীর পুত্র উমর ফারুক, গোলাম কিবরিয়ার পুত্র আইয়ুব আলী, পাইকেরছড়ার গ্রামের শাহা আলমের পুত্র আলম মিয়া, দক্ষিণ ছাট গোপালপুর মমিনুল সিকদারের পুত্র স্বদেশ সিকদার, কামাত আঙ্গারিয়ার সুলতান মিয়ার পুত্র সোহেল, আ. মজিদের পুত্র লিমন, আ. জব্বার ইয়াকুব, বাগভান্ডারের আহাম্মদ আলীর পুত্র আ. রহমান।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ৫-৬ জন নেতাকর্মী ফুল নিয়ে যায়। কিন্তু জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকের লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রায় শতাধিক লোকজন বিজয়স্মম্ভে উপস্থিত হয়ে বাধা প্রদান করে। পরে তারা আরও সংঘবদ্ধ হয়ে কলেজ মোড়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও আমার দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় আমাদের ৫/৭ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকদেরও লাঞ্ছিত করে হামলাকারীরা। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেবো।
জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা বলেন, আমি কিছু জানি না। আমি অসুস্থ চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছি। ফরিদুল ইসলাম শাহিন সিকদার বহিষ্কৃত। সে বিএনপির কোনো পদেই নেই।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েম আহমেদ বলেন, আজকে মারামারি ঘটনায় হাসপাতালে প্রায় ৮/৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এরমধ্যে একজন গুরতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মাসুদ রানা বলেন, ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।