সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

মিঠাপুকুরের মাটিকে উর্বর করেছে মাওলানা শামীম বিন সাঈদী

রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি ওয়াজ মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী পুত্র মাওলানা শামীম বিন সাঈদী। বাবার ইচ্ছা পূরণের অংশ বিশেষ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে নিহত শহিদদের বাড়িতে গিয়ে কবর জিয়ারত এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন তিনি।

রবিবার (১৫-ডিসেম্বর) দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের লতিবপুর পশ্চিম পাড়ায় মিঠাপুকুরে প্রথম নিহত সাদিকুর রহমানের বাড়িতে এবং পরে মির্জাপুর
লাভলু শাহ বাড়িতে যান তিনি। তার সঙ্গে মিঠাপুকুর উপজেলার নবনির্বাচিত বাংলাদেশ জামাতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল ৪নং ভাংনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন ওয়াহেদীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় শহীদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পুত্র শামীম বিন সাঈদী অশ্রুসিক্ত নয়নে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, জালিম সরকারের পাতানো রায়ের বিরুদ্ধে এই মিঠাপুকুরের জনগন যে আত্মত্যাগ শিকার করেছে তার জন্য আমি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। বাবা বেঁচে থাকলে হয়তোবা আজকে মিঠাপুকুরে শহিদ ভাইদের বাড়িতে আসতেন।কিন্তু দূর্ভাগ্য বাবাকে তারা বাঁচতে দেয়নি। আমি যখন এখানে এসেছি তখন জানতে পারলাম মিঠাপুকুরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় কি পরিমাণ জুলুম,নির্যাতন,অন্যায় অত্যাচার করেছে বলে চোখের পানি মুছতে থাকেন। শহিদদের পরিবারের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আপনারা চিন্তা করবেন না, আপনাদের সন্তানদের রক্তের বিনিময়ে হাসিনা সরকারের আজকের এই পতন। মিঠাপুকুরের মাটিকে উর্বর করেছে এই শহিদ ভাইয়েরা। শহিদ সাদিকুলের বাবাকে জড়িয়ে ধরে শামীম বিন সাঈদি বলেন, আমিও একজন শহিদের সন্তান। আমি আপনাদের কষ্ট বুঝতে পারছি। এসময় এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং ২০১৩ সালের ঘটনার বিবরণ শুনে উপস্থিত সকলে চোখের কোনা বয়ে পানি টপটপ করে পড়তে থাকে অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

মিঠাপুকুরের মাটিকে উর্বর করেছে মাওলানা শামীম বিন সাঈদী

আপডেট সময় ০৬:২৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি ওয়াজ মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী পুত্র মাওলানা শামীম বিন সাঈদী। বাবার ইচ্ছা পূরণের অংশ বিশেষ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে নিহত শহিদদের বাড়িতে গিয়ে কবর জিয়ারত এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন তিনি।

রবিবার (১৫-ডিসেম্বর) দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের লতিবপুর পশ্চিম পাড়ায় মিঠাপুকুরে প্রথম নিহত সাদিকুর রহমানের বাড়িতে এবং পরে মির্জাপুর
লাভলু শাহ বাড়িতে যান তিনি। তার সঙ্গে মিঠাপুকুর উপজেলার নবনির্বাচিত বাংলাদেশ জামাতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল ৪নং ভাংনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন ওয়াহেদীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় শহীদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পুত্র শামীম বিন সাঈদী অশ্রুসিক্ত নয়নে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, জালিম সরকারের পাতানো রায়ের বিরুদ্ধে এই মিঠাপুকুরের জনগন যে আত্মত্যাগ শিকার করেছে তার জন্য আমি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। বাবা বেঁচে থাকলে হয়তোবা আজকে মিঠাপুকুরে শহিদ ভাইদের বাড়িতে আসতেন।কিন্তু দূর্ভাগ্য বাবাকে তারা বাঁচতে দেয়নি। আমি যখন এখানে এসেছি তখন জানতে পারলাম মিঠাপুকুরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় কি পরিমাণ জুলুম,নির্যাতন,অন্যায় অত্যাচার করেছে বলে চোখের পানি মুছতে থাকেন। শহিদদের পরিবারের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আপনারা চিন্তা করবেন না, আপনাদের সন্তানদের রক্তের বিনিময়ে হাসিনা সরকারের আজকের এই পতন। মিঠাপুকুরের মাটিকে উর্বর করেছে এই শহিদ ভাইয়েরা। শহিদ সাদিকুলের বাবাকে জড়িয়ে ধরে শামীম বিন সাঈদি বলেন, আমিও একজন শহিদের সন্তান। আমি আপনাদের কষ্ট বুঝতে পারছি। এসময় এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং ২০১৩ সালের ঘটনার বিবরণ শুনে উপস্থিত সকলে চোখের কোনা বয়ে পানি টপটপ করে পড়তে থাকে অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।