সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

কুয়াশায় ঢাকা কুড়িগ্রাম, যান চলাচলে বিঘ্ন

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। কনকনে শীতে কাঁবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের নিম্নআয়ের মানুষ। পুরো জনপদ কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে। ঘন কুয়াশার কারণে সব থেকে বেশি বিপাকে পড়েছে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো।

শনিবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা শহরের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। জেলায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির মতো পড়েছে কুয়াশা। দিনেও কুয়াশাকে ভেদ করতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। ঘন কুয়াশার কারণে জেলা সদরের মোগলবাসা নৌ-ঘাট, যাত্রাপুর নৌ-ঘাট ও চিলমারী নৌ-বন্দর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত কোন যাত্রীবাহী নৌকা ও ফেরি ছাড়তে পারেনি।  যার ফলে চিলমারী নৌ-বন্দরে আটকা পড়েছে পাথরবোঝাই ট্রাকগুলো। অন্যদিকে যাত্রীরা সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছে না।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় ৩ ঘন্টা বিলম্বে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তনগর ট্রেনটি ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে এসে পৌঁছায়।

ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলোর চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনা সেতু পার হওয়ার পর প্রচন্ড কুয়াশা দেখা গেছে। ট্রেন খুব ধীর গতিতে চললছিল। সকাল ৬ টার ট্রেন ৯টায় এসে পৌঁছল।’

ট্রাকচালক আয়নাল হক বলেন, ‘গতকাল বিকালে সোনাহাট থেকে পাথর নিয়ে আসছি বন্দরে। কুয়াশার কারণে সকাল ৮টার ফেরি এখনো ছাড়তেই পারেনি।’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, শনিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিনদিন এমন থাকার পর ২ টি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে এ জেলার উপর দিয়ে। যার ফলে সূর্যের তেমন দেখা মিলবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কুয়াশায় ঢাকা কুড়িগ্রাম, যান চলাচলে বিঘ্ন

আপডেট সময় ০২:২৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। কনকনে শীতে কাঁবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের নিম্নআয়ের মানুষ। পুরো জনপদ কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে। ঘন কুয়াশার কারণে সব থেকে বেশি বিপাকে পড়েছে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো।

শনিবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা শহরের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। জেলায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির মতো পড়েছে কুয়াশা। দিনেও কুয়াশাকে ভেদ করতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। ঘন কুয়াশার কারণে জেলা সদরের মোগলবাসা নৌ-ঘাট, যাত্রাপুর নৌ-ঘাট ও চিলমারী নৌ-বন্দর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত কোন যাত্রীবাহী নৌকা ও ফেরি ছাড়তে পারেনি।  যার ফলে চিলমারী নৌ-বন্দরে আটকা পড়েছে পাথরবোঝাই ট্রাকগুলো। অন্যদিকে যাত্রীরা সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছে না।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় ৩ ঘন্টা বিলম্বে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তনগর ট্রেনটি ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে এসে পৌঁছায়।

ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলোর চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনা সেতু পার হওয়ার পর প্রচন্ড কুয়াশা দেখা গেছে। ট্রেন খুব ধীর গতিতে চললছিল। সকাল ৬ টার ট্রেন ৯টায় এসে পৌঁছল।’

ট্রাকচালক আয়নাল হক বলেন, ‘গতকাল বিকালে সোনাহাট থেকে পাথর নিয়ে আসছি বন্দরে। কুয়াশার কারণে সকাল ৮টার ফেরি এখনো ছাড়তেই পারেনি।’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, শনিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিনদিন এমন থাকার পর ২ টি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে এ জেলার উপর দিয়ে। যার ফলে সূর্যের তেমন দেখা মিলবে না।