সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

জাফলং সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করছে সেলিম ,ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন,ও হাসেম।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় , সেলিম, ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন,ও হাসেম, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি অভিযোগ উঠেছে, বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে চাঁদাবাজি করছে, সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় গুচ্ছ গ্ৰাম লাল মাটি আম তলা, এ ক্যান্টিন সাইনবোর্ড সহ বিভিন্ন সাইট, সংগ্ৰাম ক্যাম্পের বিজিবির লাইনম্যান সেলিম,ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিনে,ও হাসে,এই লাইনম্যানদের মাধ্যমে চলে চোরাকারবারীদের চোরাচালান ব্যবসা , সীমান্ত এলাকায় ডিউটিতে থাকা বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ম্যানেজ করে ভারতীয় অবৈধ পণ্য সামগ্রী বাংলাদেশ প্রবেশ করতে সহযোগিতা করে, সেলিম,ফয়েজ আহমেদ, হ আজির উদ্দিন ও হাসেম গং দের কাছে অসহায় এলাকার সাধারণ জনতা। সেলিম,ফয়েজ আহমেদ ও হাসেম হয়েছে অবৈধ ব্যবসা, ভারত থেকে ভারতীয় মদ, ফেনসিডিলসহ, অস্ত্র, সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্ট মোবাইফোন,
চিনি, চা পাতা, কসমেটিক,কিট, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, টি শার্ট, তাদের এই অবৈধ ব্যবসায় বেঘাত না গটার জন্য সীমান্ত এলাকায় ডিউটিতে থাকা বিজিবি সদস্য দের ম্যানেজ করে, চোরাকারবারীদের সহযোগিতা করে, লাইনম্যান হিসেবে কাজ করে বিজিবির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ সহ বিভিন্ন অপকর্মের ও অভিযোগ হয়েছে তাদের নামে। সচোরাকাবারীদের গডফাদার এ ৪জন সীমান্তের তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মূখ খুলে কথা বলতে পারে না। তাদের রয়েছে বিশাল এক বাহিনী এই বাহিনী সব সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করে ও দেশিয় অস্ত্র হাতে নিয়ে মহড়া দেয়, এবং তাদের সাথে রয়েছে বিজিবি সদস্য রা ম্যানেজ করে দিনে ও রাতে কুটি কুটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য, বাংলাদেশ প্রবেশ করতেছে আর এতে করে রাজস্ব বোর্ড হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয়, ভারত থেকে কি আসছে তা চেক করে দেখা হয় না। থানা পুলিশ ও নিরবতা পালন এ রয়েছে। পরিচয় গোপন রেখে ঐ এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লাইনম্যান দের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে চোরাকারবারীদের স্বর্গরাজ্য সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় চোরাচালান ব্যবসা গড়ে উঠেছে, দুচোখ দেখা ছাড়া কিছুই বলা যাবে না।
সেলিম, ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন, ও হাসেম, বাহিনীর সদস্যরা হুমকির সম্মুখীন হতে হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্ৰাম ক্যাম্প কমান্ডার সরকারি মোঠুফোনে কল দিলে উনি ফোন রিসিভ করে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই এমন কিছু হলে ব্যবস্থা নিব, আমি জরুরী কাজে বর হচ্ছি, পরে কথা বলবো

এবিষয়ে জানতে চাইলে চোরাচালান বন্ধে সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করার কথা জানিয়েছেন বিজিবি’র সিলেটের সেক্টর কমান্ডার ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

জাফলং সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করছে সেলিম ,ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন,ও হাসেম।

আপডেট সময় ০৫:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় , সেলিম, ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন,ও হাসেম, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি অভিযোগ উঠেছে, বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে চাঁদাবাজি করছে, সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় গুচ্ছ গ্ৰাম লাল মাটি আম তলা, এ ক্যান্টিন সাইনবোর্ড সহ বিভিন্ন সাইট, সংগ্ৰাম ক্যাম্পের বিজিবির লাইনম্যান সেলিম,ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিনে,ও হাসে,এই লাইনম্যানদের মাধ্যমে চলে চোরাকারবারীদের চোরাচালান ব্যবসা , সীমান্ত এলাকায় ডিউটিতে থাকা বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ম্যানেজ করে ভারতীয় অবৈধ পণ্য সামগ্রী বাংলাদেশ প্রবেশ করতে সহযোগিতা করে, সেলিম,ফয়েজ আহমেদ, হ আজির উদ্দিন ও হাসেম গং দের কাছে অসহায় এলাকার সাধারণ জনতা। সেলিম,ফয়েজ আহমেদ ও হাসেম হয়েছে অবৈধ ব্যবসা, ভারত থেকে ভারতীয় মদ, ফেনসিডিলসহ, অস্ত্র, সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্ট মোবাইফোন,
চিনি, চা পাতা, কসমেটিক,কিট, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, টি শার্ট, তাদের এই অবৈধ ব্যবসায় বেঘাত না গটার জন্য সীমান্ত এলাকায় ডিউটিতে থাকা বিজিবি সদস্য দের ম্যানেজ করে, চোরাকারবারীদের সহযোগিতা করে, লাইনম্যান হিসেবে কাজ করে বিজিবির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ সহ বিভিন্ন অপকর্মের ও অভিযোগ হয়েছে তাদের নামে। সচোরাকাবারীদের গডফাদার এ ৪জন সীমান্তের তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মূখ খুলে কথা বলতে পারে না। তাদের রয়েছে বিশাল এক বাহিনী এই বাহিনী সব সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করে ও দেশিয় অস্ত্র হাতে নিয়ে মহড়া দেয়, এবং তাদের সাথে রয়েছে বিজিবি সদস্য রা ম্যানেজ করে দিনে ও রাতে কুটি কুটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য, বাংলাদেশ প্রবেশ করতেছে আর এতে করে রাজস্ব বোর্ড হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয়, ভারত থেকে কি আসছে তা চেক করে দেখা হয় না। থানা পুলিশ ও নিরবতা পালন এ রয়েছে। পরিচয় গোপন রেখে ঐ এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লাইনম্যান দের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে চোরাকারবারীদের স্বর্গরাজ্য সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় চোরাচালান ব্যবসা গড়ে উঠেছে, দুচোখ দেখা ছাড়া কিছুই বলা যাবে না।
সেলিম, ফয়েজ আহমেদ, আজির উদ্দিন, ও হাসেম, বাহিনীর সদস্যরা হুমকির সম্মুখীন হতে হয়।

এবিষয়ে জানতে সংগ্ৰাম ক্যাম্প কমান্ডার সরকারি মোঠুফোনে কল দিলে উনি ফোন রিসিভ করে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই এমন কিছু হলে ব্যবস্থা নিব, আমি জরুরী কাজে বর হচ্ছি, পরে কথা বলবো

এবিষয়ে জানতে চাইলে চোরাচালান বন্ধে সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করার কথা জানিয়েছেন বিজিবি’র সিলেটের সেক্টর কমান্ডার ।