চট্টগ্রামে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৮ আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আলমগীর হোসেন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হচ্ছেন- সুমন দাস, সুজন চন্দ্র দাস, ইমন চক্রবর্তী, রূপন দাশ, সৌরভ দাশ, সাকিবুল আলম, আহমদ হোসেন ও মো. রাকিব।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও এপিপি মোরশেদ আলম।
আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে হামলা ও ভাঙচুরের আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালত প্রাঙ্গণে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুরো আদালতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে জজ কোর্ট বন্ধ থাকায় আদালতে লোক সমাগম কম। আদালতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও এপিপি মোরশেদ আলম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করেছিল। এর মধ্যে একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ৮ আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করে ইসকন নেতা চিন্ময় দাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৬ কাজী শরিফুল ইসলাম। সেদিন তাকে বহন করা প্রিজন ভ্যান দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখে তার অনুসারীরা।
এ সময় চিন্ময় অনুসারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ অনুসারীরা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সাংবাদিকদের অন্তত ৫০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এর প্রতিবাদ করলে আইনজীবীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় চিন্ময় অনুসারীরা। এ সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সাইফুল হত্যার ঘটনায় তার পিতা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 






















