সারজিস আলম বলেন, শেখ হাসিনা ও তাদের দোসররা নতুন রূপে ফিরে আসতে চাইছে। ষড়যন্ত্র করছে নানামুখী। তাদের প্রতিহত করতে প্রয়োজনে ছাত্র-জনতা আবারও সড়কে নামবে
নতুন করে এই বাংলাদেশে ওই পোশাক পরে কিছু পুলিশ সদস্য আবার একটি দলের হয়ে কাজ করছে। দয়া করে ওই পোশাকটা খুলে রেখে চলে যান। আমরা জীবন দিতে শিখে গেছি, এই দেশে কোনো দালাল ও তোষামোদকারীর আর জায়গা হবে না। শহীদ ভাইদের নিয়ে এখনো মামলা ব্যবসা হচ্ছে। আমরা এগুলো দেখতে চাই না।
পুলিশের গুলির সামনে জুলাই-অগাস্টে আমাদের অনেকে বুক পেতেছিল। আপনাদের যা কিছু প্রয়োজন, সবকিছু দিয়ে আপনাদের পাশে থাকব। কেউ যদি খুনি হাসিনার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে, আমরা একসাথে নেমে আবার তাদের প্রতিহত করবো।
শনিবার (০৭ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের পিটিআই অডিটোরিয়ামে জুলাই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে নিহত শহীদ পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
এসময় তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার কথা বলেন সারজিস আলম। শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়ে এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি প্রশাসনকে আরও বেশি কঠোর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রথম ধাপে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১০ জেলার ১০৪টি শহীদ পরিবারের মাঝে পাঁচ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন আর্থিক সহায়তা প্রদানের এই কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়কবৃন্দ,প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ আরও অনেকেই।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, রাসেল আহমেদ, খান তালাত মাহমুদ রাফি ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্য তাসনিম জারা।
উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) অং সুই প্রু মারমা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি সঞ্জয় সরকার ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
মোঃ রাজু শেখ,স্টাফ রিপোর্টার 






















