সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অনুষ্ঠিত হলো ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ বৃক্ষরোপণ করে বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের বনবিভাগের মালি বাউন্ডারি শহিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ভুয়া সনদে চাকরি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সাব-রেজিস্ট্রার বেলাল ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ মাসে ৩৬৫ শিশুর জনগ্রহণ, নরমাল ৩৪৭ এবং সিজার ১৮টি আর্জেন্টিনার ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন মেসি আদ-দ্বীন গল্প-কাহিনী লিখেছে, তাদের জবাবে সন্তুষ্ট নই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক সংক্রান্ত সালিশের সংঘর্ষে বল্লমের আঘাতে নিহত ১, আহত প্রায় ১০ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

অদ্ভুত এক নিমন্ত্রণপত্র! চবিতে তোলপাড়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইঞ্জিনিয়ার অফিসের এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রির ভাতিজা দেশে এসেছেন ফ্রান্স থেকে। এ উপলক্ষে চলছে ধুমধাম আয়োজন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসের সবাইকে দাওয়াত দিতে চান তিনি।

তবে জনে জনে দাওয়াত দেওয়াটা বেশ সময়সাপেক্ষ। ঝামেলারও বটে। তাই শর্টকাট উপায় অনুসরণ করেছেন তিনি। আর তাতেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

ব্যক্তিগত এ নিমন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার অফিসের অফিসিয়াল প্যাড। প্যাডে যিনি স্বাক্ষর করেছেন, সেই শ্যামল কান্তি বড়ুয়াও ব্যবহার করেছেন তার অফিসিয়াল পদবি। যা হাস্যকর ও অনৈতিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ওই পত্রে লেখা হয়, প্রকৌশল দপ্তরে কর্মরত প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১১/১১/২০২৪ তারিখ রোজ সোমবার দুপুর বেলায় অত্র অফিসের কর্মরত বিদ্যুৎ মিস্ত্রী রনজিত বড়ুয়ার ভাতিজা ফ্রান্স থেকে আগমন উপলক্ষ্যে তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকলকে নিমন্ত্রণ করেছেন। উক্ত নিমন্ত্রণে সকলকে অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

পত্রের নিচে ডেপুটি রেজিস্ট্রার শ্যামল কান্তি বড়ুয়া গত ৭ নভেম্বর স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়া ওপরে বামে ‘প্রধান প্রকৌশলী’ লেখা, মাঝে চবির লোগো ও ডানে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ’ লেখা রয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার অফিসের একটি সূত্র জানায়, ব্যক্তিগত দাওয়াতের কাজে অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করা হাস্যকর। আবার এতে স্বাক্ষর করেছেন এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার। ডেপুটি রেজিস্ট্রারেরও বোঝা উচিত তিনি কোথায় স্বাক্ষর করবেন আর কোথায় করবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মোল্যা খালেদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, রনজিত আমাদের অফিসে চাকরি করে, অফিসের সবাইকে দাওয়াত দিয়েছে। যারা যেতে পারে যাবে অথবা অলটারনেট করে গিয়ে খেয়ে আসবে। এটা অফিসের বাইরে কোথাও দিইনি আমরা। প্যাডে স্বাক্ষর করা ডেপুটি রেজিস্ট্রার শ্যামল কান্তি বড়ুয়াকে কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমি এধরনের কোনো চিঠি এখনও দেখিনি। যদি অফিসিয়াল ডেজিগনেশন ও প্যাড ব্যবহার করে থাকে তাহলে সেটা অনৈতিক ও আপত্তিকর। আমি বিষয়টা দেখবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অদ্ভুত এক নিমন্ত্রণপত্র! চবিতে তোলপাড়

আপডেট সময় ০৪:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইঞ্জিনিয়ার অফিসের এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রির ভাতিজা দেশে এসেছেন ফ্রান্স থেকে। এ উপলক্ষে চলছে ধুমধাম আয়োজন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসের সবাইকে দাওয়াত দিতে চান তিনি।

তবে জনে জনে দাওয়াত দেওয়াটা বেশ সময়সাপেক্ষ। ঝামেলারও বটে। তাই শর্টকাট উপায় অনুসরণ করেছেন তিনি। আর তাতেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

ব্যক্তিগত এ নিমন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার অফিসের অফিসিয়াল প্যাড। প্যাডে যিনি স্বাক্ষর করেছেন, সেই শ্যামল কান্তি বড়ুয়াও ব্যবহার করেছেন তার অফিসিয়াল পদবি। যা হাস্যকর ও অনৈতিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ওই পত্রে লেখা হয়, প্রকৌশল দপ্তরে কর্মরত প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১১/১১/২০২৪ তারিখ রোজ সোমবার দুপুর বেলায় অত্র অফিসের কর্মরত বিদ্যুৎ মিস্ত্রী রনজিত বড়ুয়ার ভাতিজা ফ্রান্স থেকে আগমন উপলক্ষ্যে তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকলকে নিমন্ত্রণ করেছেন। উক্ত নিমন্ত্রণে সকলকে অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

পত্রের নিচে ডেপুটি রেজিস্ট্রার শ্যামল কান্তি বড়ুয়া গত ৭ নভেম্বর স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়া ওপরে বামে ‘প্রধান প্রকৌশলী’ লেখা, মাঝে চবির লোগো ও ডানে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ’ লেখা রয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার অফিসের একটি সূত্র জানায়, ব্যক্তিগত দাওয়াতের কাজে অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করা হাস্যকর। আবার এতে স্বাক্ষর করেছেন এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার। ডেপুটি রেজিস্ট্রারেরও বোঝা উচিত তিনি কোথায় স্বাক্ষর করবেন আর কোথায় করবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মোল্যা খালেদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, রনজিত আমাদের অফিসে চাকরি করে, অফিসের সবাইকে দাওয়াত দিয়েছে। যারা যেতে পারে যাবে অথবা অলটারনেট করে গিয়ে খেয়ে আসবে। এটা অফিসের বাইরে কোথাও দিইনি আমরা। প্যাডে স্বাক্ষর করা ডেপুটি রেজিস্ট্রার শ্যামল কান্তি বড়ুয়াকে কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমি এধরনের কোনো চিঠি এখনও দেখিনি। যদি অফিসিয়াল ডেজিগনেশন ও প্যাড ব্যবহার করে থাকে তাহলে সেটা অনৈতিক ও আপত্তিকর। আমি বিষয়টা দেখবো।