সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে মুক্তি পাচ্ছে ‘রুম নম্বর ২০১১’

নিশ্চয় মনে আছে আবরার ফাহাদের কথা। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) নেমে আসে এক ভয়াল রাত। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের করুণ মৃত্যু হয় সেদিন। তাকে নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘রুম নম্বর ২০১১’ নামে শর্ট ফিল্ম।

সিনেমাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী শেখ জিসান আহমেদ। এখানে অভিনয় করেছেন প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। জিসু এন্টারটেইনমেন্টের পেজ থেকে সিনেমাটির বিষয়ে জানা যায়। সেই পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

পোস্টারের সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, আসছে.. ‘রুম নম্বর ২০১১’। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত আমাদের প্রথম মৌলিক কাজ। বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় একই সময়ে রিলিজ হবে। পেজ থেকে ধন্যবাদ দেয়া হয়েছে ‘একটিফুল’কে।

পোস্টারে অবশ্য আবরার ফাহাদের কথা উল্লেখ নেই। বিষয়টির বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হয় জিসু এন্টারটেইনমেন্টের সিইও শেখ জিসান আহমেদের সঙ্গে।

সিনেমাটির ডিরেক্টর জিসান আহমেদ জানালেন, ‘হ্যাঁ এটি আবরার ফাহাদের ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ হচ্ছে। ছবিটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইচ্ছা আছে আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী ৭ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি দেয়ার।

তিনি আরও বলেন, ‘ছবিটি ২৫ মিনিটের হতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়াতে (ফেসবুক, ইউটিউব) মুক্তি দেয়া হবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকা থেকে মুক্তি পাবে এটি। সিনেমাটির সহযোগিতার বিষয়ে জিসান বলেন, আমাদের প্রথম মৌলিক এই ছবির সহযোগিতায় রয়েছেন আমেরিকার বাংলাদেশি সংগঠন ‘একটিফুল’।

উল্লেখ্য, আবরারের মৃত্যুতে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। দেশব্যাপী আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের পর ফুঁসে ওঠে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্ররাজনীতি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে মুক্তি পাচ্ছে ‘রুম নম্বর ২০১১’

আপডেট সময় ১১:১৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিশ্চয় মনে আছে আবরার ফাহাদের কথা। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) নেমে আসে এক ভয়াল রাত। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের করুণ মৃত্যু হয় সেদিন। তাকে নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘রুম নম্বর ২০১১’ নামে শর্ট ফিল্ম।

সিনেমাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী শেখ জিসান আহমেদ। এখানে অভিনয় করেছেন প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। জিসু এন্টারটেইনমেন্টের পেজ থেকে সিনেমাটির বিষয়ে জানা যায়। সেই পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

পোস্টারের সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, আসছে.. ‘রুম নম্বর ২০১১’। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত আমাদের প্রথম মৌলিক কাজ। বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় একই সময়ে রিলিজ হবে। পেজ থেকে ধন্যবাদ দেয়া হয়েছে ‘একটিফুল’কে।

পোস্টারে অবশ্য আবরার ফাহাদের কথা উল্লেখ নেই। বিষয়টির বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হয় জিসু এন্টারটেইনমেন্টের সিইও শেখ জিসান আহমেদের সঙ্গে।

সিনেমাটির ডিরেক্টর জিসান আহমেদ জানালেন, ‘হ্যাঁ এটি আবরার ফাহাদের ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ হচ্ছে। ছবিটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইচ্ছা আছে আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী ৭ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি দেয়ার।

তিনি আরও বলেন, ‘ছবিটি ২৫ মিনিটের হতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়াতে (ফেসবুক, ইউটিউব) মুক্তি দেয়া হবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকা থেকে মুক্তি পাবে এটি। সিনেমাটির সহযোগিতার বিষয়ে জিসান বলেন, আমাদের প্রথম মৌলিক এই ছবির সহযোগিতায় রয়েছেন আমেরিকার বাংলাদেশি সংগঠন ‘একটিফুল’।

উল্লেখ্য, আবরারের মৃত্যুতে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। দেশব্যাপী আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের পর ফুঁসে ওঠে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্ররাজনীতি।