ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

বিকাশের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ

মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের অধীনস্থ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসের এক প্রতিবেদন বলছে, আর্জেন্টিনার সাথে বিকাশ লিমিটেড ব্রান্ডপার্টনারশীপের চুক্তি করতে গিয়ে নিয়ম না মেনে ৪ লাখ ১০ হাজার ডলার আজেন্টিনা দলকে পরিশোধ করেছে। যা সুস্পষ্ট দেশের আইনে মানি লন্ডারিং। বৈধ কোন ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার না করেই এই অর্থ পরিশোধ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিকাশের মানিলন্ডারিং নিয়ে অধিকতর তদন্ত চাওয়া হয়েছে। বিকাশের বিরুদ্ধে কেনো ব্যবস্থা নেয়া হবেনা,সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
একটি সূত্র দাবি করেছে, বিদেশ থেকে আসা বিকাশ লেনদেনের আড়ালে নিয়মিত অর্থ পাচার করা হয় বিকাশ এবং নগদের মত মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলার মাধ্যমে।
কিভাবে বিকাশ নগদে অর্থ পাচার হয়!?? তা নিয়ে এতোদিনে কোন ব্যবস্থাই গ্রহন করা হয়নি।
বিকাশের এই অর্থপাচার নিয়ে কারো কাছে তথ্য থাকলে দেয়ার অনুরোধ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

বিকাশের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের অধীনস্থ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসের এক প্রতিবেদন বলছে, আর্জেন্টিনার সাথে বিকাশ লিমিটেড ব্রান্ডপার্টনারশীপের চুক্তি করতে গিয়ে নিয়ম না মেনে ৪ লাখ ১০ হাজার ডলার আজেন্টিনা দলকে পরিশোধ করেছে। যা সুস্পষ্ট দেশের আইনে মানি লন্ডারিং। বৈধ কোন ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার না করেই এই অর্থ পরিশোধ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিকাশের মানিলন্ডারিং নিয়ে অধিকতর তদন্ত চাওয়া হয়েছে। বিকাশের বিরুদ্ধে কেনো ব্যবস্থা নেয়া হবেনা,সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
একটি সূত্র দাবি করেছে, বিদেশ থেকে আসা বিকাশ লেনদেনের আড়ালে নিয়মিত অর্থ পাচার করা হয় বিকাশ এবং নগদের মত মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলার মাধ্যমে।
কিভাবে বিকাশ নগদে অর্থ পাচার হয়!?? তা নিয়ে এতোদিনে কোন ব্যবস্থাই গ্রহন করা হয়নি।
বিকাশের এই অর্থপাচার নিয়ে কারো কাছে তথ্য থাকলে দেয়ার অনুরোধ।