ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঘিরে নানা বিতর্ক শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩১ লাখ টাকা গায়েব, মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ চা দোকানির অ্যাকাউন্টে জুয়ার কোটি টাকা, তিন দিনেই লেনদেন ২ কোটি ২৬ লাখ আত্রাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন তাড়াইলে বড় পর্দায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এনসিপির নেতৃত্বের ওপর ক্ষোভ, পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন শ্রীমঙ্গলে ১২০ লিটার চোলাইমদসহ অটোরিকশা জব্দ, গ্রেপ্তার ১ শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গোপালগঞ্জে ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি বোরহানউদ্দিনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি বালু বিক্রির উৎসব, ইউএনও জহিরুল আলমের সহযোগিতার অভিযোগ

ঢাকা মেডিকেল থেকে মদের বোতল, অস্ত্র ও পুলিশের সিল উদ্ধার

ঢাকা মেডিকেল থেকে মদের বোতল, ধারালো অস্ত্র, পুলিশের কেসের সিল, বেসরকারি হাসপাতালের ভিজিটিং কার্ড, আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ড, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তালিকা সহ পাঁচজনকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাদেরকে আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিনের রুম ও জিল্লুর রহমান রুমে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজের রুম থেকে মদের বোতল, পুলিশ কেসের সিল, ধারালো অস্ত্র, বেসরকারি হাসপাতালের ভিজিটিং কার্ড, আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ড ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তালিকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে হাসপাতালে কাজের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযান পরিচালনাকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা খবর পেয়েছি জরুরি বিভাগে যারা চিকিৎসাসেবা নিতে আসে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। সেসবের সত্যতা নিশ্চিতে আমরা জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিনের রুমে অভিযান পরিচালনা করি। তিনি (রিয়াজ) স্বীকার করেন বিভিন্ন আইসিইউতে পাঠিয়ে প্রত্যেক রোগী থেকে ১ হাজার টাকা করে নেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, তার (রিয়াজ) রুমে কেন মদের বোতল পাওয়া যাবে। সে তো চিকিৎসক নয় তার কাছে কেন পুলিশ কেসে সিল পাওয়া যাবে। বিভিন্ন অবৈধ ছাত্রলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনসহ বিভিন্ন নামের তালিকা কেন পাওয়া যাবে। বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের কার্ড আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তার কাছে কেন থাকবে।

এ সময় তার অন্যতম দুই সহযোগীকে আটক করে পরিচালকের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিচালকের নির্দেশনায় তাদেরকে আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা করে নিয়ে কাজে নিয়োগ দেন সেই অভিযোগে তাকেও ধরে আনা হয় প্রশাসনিক ব্লকে। পরে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং এরপর তাকেও আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া নতুন ভবন থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঘিরে নানা বিতর্ক

ঢাকা মেডিকেল থেকে মদের বোতল, অস্ত্র ও পুলিশের সিল উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

ঢাকা মেডিকেল থেকে মদের বোতল, ধারালো অস্ত্র, পুলিশের কেসের সিল, বেসরকারি হাসপাতালের ভিজিটিং কার্ড, আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ড, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তালিকা সহ পাঁচজনকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাদেরকে আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিনের রুম ও জিল্লুর রহমান রুমে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজের রুম থেকে মদের বোতল, পুলিশ কেসের সিল, ধারালো অস্ত্র, বেসরকারি হাসপাতালের ভিজিটিং কার্ড, আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ড ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তালিকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে হাসপাতালে কাজের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযান পরিচালনাকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা খবর পেয়েছি জরুরি বিভাগে যারা চিকিৎসাসেবা নিতে আসে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। সেসবের সত্যতা নিশ্চিতে আমরা জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিনের রুমে অভিযান পরিচালনা করি। তিনি (রিয়াজ) স্বীকার করেন বিভিন্ন আইসিইউতে পাঠিয়ে প্রত্যেক রোগী থেকে ১ হাজার টাকা করে নেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, তার (রিয়াজ) রুমে কেন মদের বোতল পাওয়া যাবে। সে তো চিকিৎসক নয় তার কাছে কেন পুলিশ কেসে সিল পাওয়া যাবে। বিভিন্ন অবৈধ ছাত্রলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনসহ বিভিন্ন নামের তালিকা কেন পাওয়া যাবে। বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের কার্ড আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তার কাছে কেন থাকবে।

এ সময় তার অন্যতম দুই সহযোগীকে আটক করে পরিচালকের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিচালকের নির্দেশনায় তাদেরকে আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা করে নিয়ে কাজে নিয়োগ দেন সেই অভিযোগে তাকেও ধরে আনা হয় প্রশাসনিক ব্লকে। পরে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং এরপর তাকেও আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া নতুন ভবন থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।