ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

ব্যবসায়ী ফারুক হত্যা মামলায় চার আসামীর ফাঁসি

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ফারুক আহাম্মেদ রাজুকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ১১বছর পর অভিযুক্ত চার আসামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেক আসামীকে ৫০হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছাঃ ইয়াসমিন এই রায় দেন।ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন মুরাদনগর উপজেলার উপজেলা নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে রফিক (২৫), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে নাজমুল সিকদার(২০), দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে মান্নান (২৭), একই উপজেলার দক্ষিন ভিংলাবাড়ী গ্রামের রঞ্জু মিয়ার ছেলে সুমন(২৮)। রায় ঘোষনার সময় আসামীরা পলাতক ছিলেন।
জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জে ২০১৩ সালের ২রা ডিসেম্বর রাতে পাওনা টাকা নিয়ে দন্দের জের ধরে কাপড় ব্যবসায়ী ফারুক আহাম্মেদ রাজুকে বাড়ী থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়ে দেহটিকে একটি মাঠে বালুচাপা দিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের মানুষ বালুর মাঠে গিয়ে চাপাদেয়া অবস্থায় মানুষের হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবগত করে। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধারের পর পাশের একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে ব্যবসায়ী ফারুকের কাটা মাথা উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহতের বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন এসআই আনোয়ার হোসেন তদন্ত শেষে ৪আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দেন। দীর্ঘ শুনানি ও ২২জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

ব্যবসায়ী ফারুক হত্যা মামলায় চার আসামীর ফাঁসি

আপডেট সময় ১০:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ফারুক আহাম্মেদ রাজুকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ১১বছর পর অভিযুক্ত চার আসামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেক আসামীকে ৫০হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছাঃ ইয়াসমিন এই রায় দেন।ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন মুরাদনগর উপজেলার উপজেলা নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে রফিক (২৫), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে নাজমুল সিকদার(২০), দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে মান্নান (২৭), একই উপজেলার দক্ষিন ভিংলাবাড়ী গ্রামের রঞ্জু মিয়ার ছেলে সুমন(২৮)। রায় ঘোষনার সময় আসামীরা পলাতক ছিলেন।
জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জে ২০১৩ সালের ২রা ডিসেম্বর রাতে পাওনা টাকা নিয়ে দন্দের জের ধরে কাপড় ব্যবসায়ী ফারুক আহাম্মেদ রাজুকে বাড়ী থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়ে দেহটিকে একটি মাঠে বালুচাপা দিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের মানুষ বালুর মাঠে গিয়ে চাপাদেয়া অবস্থায় মানুষের হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবগত করে। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধারের পর পাশের একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে ব্যবসায়ী ফারুকের কাটা মাথা উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহতের বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন এসআই আনোয়ার হোসেন তদন্ত শেষে ৪আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দেন। দীর্ঘ শুনানি ও ২২জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেন।