ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেট সীমান্তে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চোরাচালান চক্র নওগাঁয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ অনিয়মে সংকটগ্রস্ত পূবালী ব্যাংক ‘আপনাদের মিথ্যা বলব না’, বিশ্বকাপের পর নীরবতা ভাঙলেন এমবাপে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইন প্রয়োগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী পাঁচ বছরে খাদ্য মজুতের সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে নেয়ার পরিকল্পনা বাড়িওয়ালারা প্লিজ একটু মানবিক হোন : মনিরা মিঠু বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

বন্দর কর্মচারীর ‘আয়নাবাজি’, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা আগ্রাবাদে

‘আমি বন্দর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। তুমি মাদক বিক্রি করো। এই নম্বরে টাকা পাঠাও’, অথবা ‘তুমি তো ইয়াবা খাও, আমার নম্বরে বিকাশ করো, নয়তো কাল তুলে আনবো’—এভাবে ভুয়া নামে নিজেকে বন্দর থানা পুলিশের এসআই দাবি করে চাঁদাবাজি করতেন খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ ওরফে বায়েজিদ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা পড়লো আসল পুলিশের হাতে।ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ের চাঁদা নিতে গেলে বন্দর থানার বারেক বিল্ডিং এলাকা থেকে বায়েজিদকে আটক করা হয়।
বায়েজিদ (৩৭) চট্টগ্রাম বন্দরের গ্রিজার হাইড্রোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে জরিপ শাখায় কর্মরত আছেন। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব থানা এলাকার মৃত খন্দকার আজিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বন্দর কলোনির বি-টাইপ এলাকায় বসবাস করেন
বন্দর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কিশোর মজুমদার বলেন, বন্দরের চাকরিজীবী বায়েজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বন্দর থানার এসআই পরিচয় দিয়ে মানুষের থেকে চাঁদা দাবি করতো। মূলত মাদক বিক্রেতা ও ক্রেতারাই ছিলো বায়েজিদের মূল টার্গেট। মাদকসেবন করে এমন দুজন থেকে ৯৪০০ টাকা আত্মসাৎ করে সে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানার এসআই রাজ্জাকুল ইসলাম রুবেল তাকে আটক করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চোরাচালান চক্র

বন্দর কর্মচারীর ‘আয়নাবাজি’, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা আগ্রাবাদে

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

‘আমি বন্দর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। তুমি মাদক বিক্রি করো। এই নম্বরে টাকা পাঠাও’, অথবা ‘তুমি তো ইয়াবা খাও, আমার নম্বরে বিকাশ করো, নয়তো কাল তুলে আনবো’—এভাবে ভুয়া নামে নিজেকে বন্দর থানা পুলিশের এসআই দাবি করে চাঁদাবাজি করতেন খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ ওরফে বায়েজিদ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা পড়লো আসল পুলিশের হাতে।ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ের চাঁদা নিতে গেলে বন্দর থানার বারেক বিল্ডিং এলাকা থেকে বায়েজিদকে আটক করা হয়।
বায়েজিদ (৩৭) চট্টগ্রাম বন্দরের গ্রিজার হাইড্রোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে জরিপ শাখায় কর্মরত আছেন। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব থানা এলাকার মৃত খন্দকার আজিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বন্দর কলোনির বি-টাইপ এলাকায় বসবাস করেন
বন্দর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কিশোর মজুমদার বলেন, বন্দরের চাকরিজীবী বায়েজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বন্দর থানার এসআই পরিচয় দিয়ে মানুষের থেকে চাঁদা দাবি করতো। মূলত মাদক বিক্রেতা ও ক্রেতারাই ছিলো বায়েজিদের মূল টার্গেট। মাদকসেবন করে এমন দুজন থেকে ৯৪০০ টাকা আত্মসাৎ করে সে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানার এসআই রাজ্জাকুল ইসলাম রুবেল তাকে আটক করেন।