চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাটে বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন বালুশ্রমিক, একজন কৃষিশ্রমিক ও একজন যুবক। শনিবার সকালে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা): উপজেলায় বজ্রপাতে কৃষক ও যুবকের মৃত্যু হয়েছে। কৃষক আহম্মেদ মল্লিক (৭০) পাটাচোরা গ্রামের মল্লিকপাড়ার মৃত খেদের মল্লিকের ছেলে এবং রুবেল হোসেন (২৮) ঝাজরী গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে। সকাল ৯টার দিকে পৃথক দুটি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দামুড়হুদা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, পৌনে ৯টার দিকে খড়েরগাড়ী মাঠে ক্ষেতে যান আহম্মেদ মল্লিক। বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
অন্যদিকে দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ৯টার দিকে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় ঝাজরী গ্রামের রুবেল হোসেন একটি দোকানের নিচে বসে ছিলেন। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
শরণখোলা (বাগেরহাট): বজ্রপাতে দুই বালুশ্রমিক মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও সাতজন।
মৃতরা হলেন— পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের মোস্তফা শেখ (৫০) ও একই উপজেলার বদনী ভাঙ্গা গ্রামের মিলন শেখ (৫০)।
আহতরা হলেন— উপজেলার চাল রায়েন্দা গ্রামের খোকন গাজী (৩০), রাসেল ফরাজী (২৮), বাবুল (৫০), সাগর (৩০), সোহেল (৩০), সাউথখালীর জলিল (৪৫) ও বালিপাড়ার নাছির (২৮)। হতাহতারা বালুশ্রমিক।
আজ সকাল ১০টার দিকে উপজেলার তাফালবাড়ি এলাকার বান্ধাঘাটায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরণখোলা থানার ওসি এএসএম কামরুজ্জামান।
পুলিশ জানিয়েছে, বান্ধাঘাটায় কার্গো থেকে বালু তুলছিলেন শ্রমিকরা। বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশে একটি টিনশেডে আশ্রয় নেন। এ সময় পরপর দুটি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মোস্তফা শেখ ও মিলন শেখের মৃত্যু হয়। আহত হন সাত শ্রমিক। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 




















