ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বো’মা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন  গোদাগাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে জখম  পীরগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক

অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ

  • রিয়াজ ফরাজী 
  • আপডেট সময় ০১:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে
ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ হাফিজ ইব্রাহিমের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে তাঁর সমর্থকরা বক্তব্যটি বিকৃতভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন।
তাদের ভাষ্য, বক্তব্যের একটি অংশ কেটে বা প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
সমর্থকদের দাবি, যে বক্তব্যটি নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে সেটি সাম্প্রতিক নয়; প্রায় দুই মাস আগে দেওয়া হয়েছিল। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সত্যিই ওই বক্তব্যের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে গত দুই মাসে সংসদ সদস্যের নির্দেশে কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
তাদের মতে, বক্তব্যের পুরো অংশ শুনলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে সংসদ সদস্য অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরোধিতা করেছেন। তিনি কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের পক্ষে অবস্থান নেননি। বরং সরকার নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
এ বিষয়ে তারা আরও জানান, বক্তব্যে দৌলতখান ও গঙ্গাপুর এলাকার দুটি সম্ভাব্য স্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল নদীর নাব্যতা রক্ষা, চর অপসারণ এবং নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সরকারিভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা। দেশের বিভিন্ন নদীবেষ্টিত এলাকায়ও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সমর্থকদের অভিযোগ, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ প্রচার করে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে সংসদ সদস্য অবৈধ বালু উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছেন। অথচ সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনলে বিষয়টির প্রকৃত অর্থ ও প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এ অবস্থায় তারা সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত খণ্ডিত ভিডিও বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখে মন্তব্য না করে পুরো বক্তব্য শুনে নিজস্ব বিবেচনায় মতামত দেওয়া উচিত। গুজব বা অপপ্রচারের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক সত্যকে গুরুত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
তারা বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য বিকৃত করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের কেশম দ্বীপের বেসামরিক ভবনে ৯০০ কেজির বো’মা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী

অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ হাফিজ ইব্রাহিমের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে তাঁর সমর্থকরা বক্তব্যটি বিকৃতভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন।
তাদের ভাষ্য, বক্তব্যের একটি অংশ কেটে বা প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
সমর্থকদের দাবি, যে বক্তব্যটি নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে সেটি সাম্প্রতিক নয়; প্রায় দুই মাস আগে দেওয়া হয়েছিল। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সত্যিই ওই বক্তব্যের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে গত দুই মাসে সংসদ সদস্যের নির্দেশে কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
তাদের মতে, বক্তব্যের পুরো অংশ শুনলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে সংসদ সদস্য অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরোধিতা করেছেন। তিনি কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের পক্ষে অবস্থান নেননি। বরং সরকার নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
এ বিষয়ে তারা আরও জানান, বক্তব্যে দৌলতখান ও গঙ্গাপুর এলাকার দুটি সম্ভাব্য স্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল নদীর নাব্যতা রক্ষা, চর অপসারণ এবং নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সরকারিভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা। দেশের বিভিন্ন নদীবেষ্টিত এলাকায়ও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সমর্থকদের অভিযোগ, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ প্রচার করে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে সংসদ সদস্য অবৈধ বালু উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছেন। অথচ সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনলে বিষয়টির প্রকৃত অর্থ ও প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এ অবস্থায় তারা সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত খণ্ডিত ভিডিও বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখে মন্তব্য না করে পুরো বক্তব্য শুনে নিজস্ব বিবেচনায় মতামত দেওয়া উচিত। গুজব বা অপপ্রচারের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক সত্যকে গুরুত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
তারা বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য বিকৃত করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী।