ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন  গোদাগাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে জখম  পীরগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে অগ্রণী ব্যাংক!

সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ

দুর্নীতিগ্রস্ত কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমান। দুর্নীতি ও নারী ধর্ষণের অভিযোগে এ মহারাজ ছিলেন সাময়িক বরখাস্ত। নতুন মিশনে নেমেছেন মহারাজ টাকার বস্তা নিয়ে। তাঁর স্বপ্ন, তিনি হবেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার। ড. আব্দুল মোমেনের মতো চরম দুর্নীতিবাজ আমলা দুদকের চেয়ারম্যান হতে পারলে হাফিজুর রহমানের কমিশনার হতে সমস্যা হবে না বলে মনে হচ্ছে। তাঁর বস্তা বস্তা টাকা আছে।

হাফিজুর রহমান হাসিনার আমলে নিজেকে ওয়াজেদ মিয়ার ভাতিজা পরিচয় দিতেন। সেই সুবাদে হাসিনা তাঁর চাচি। রংপুরের পীরগঞ্জে বাড়ি হওয়ায় হাফিজকে অনেকে কেয়ার করতেন। পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের নির্বাচনের মাধ্যমে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসার পর হুইপ মাহবুব আরা গিনি এবং স্বৈরাচারী হাসিনার বিশেষ সহকারী সেলিমা আহমদের মাধ্যমে কাস্টমসের সেরা পোস্টিং ঢাকা বন্ডে কমিশনার হন এই হাফিজুর রহমান। পদে বসেই মহারাজ লুটপাট শুরু করেন।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর মেয়ের সঙ্গে কেলেঙ্কারির ভিডিও ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাফিজকে বরখাস্ত করা হয়। ২০১৫ সালে এনবিআর সদস্য পারভেজ ইকবালের তদন্তে বেস্ট লজিস্টিকস লিমিটেড নামের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং কোম্পানির ৭৫ শতাংশ মালিকানা এবং দুর্নীতির অর্থে বিপুলসংখ্যক অবৈধ এফডিআরসহ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

পরবর্তীতে স্বৈরাচার সরকারের অর্থমন্ত্রী লোটাস কামালের মেয়ে নাফিসা কামাল এবং দুদকের তৎকালীন কমিশনার, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে ২০ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে চাকরি ফেরত পান। কিন্তু বয়স না থাকায় যোগদান করতে পারেননি। মহারাজ এবার শতকোটি টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছেন দুদকের কমিশনার হতে। শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শক্তিশালী একটি গ্রুপ হাফিজুর রহমানের পক্ষে কাজ করছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন 

সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দুর্নীতিগ্রস্ত কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমান। দুর্নীতি ও নারী ধর্ষণের অভিযোগে এ মহারাজ ছিলেন সাময়িক বরখাস্ত। নতুন মিশনে নেমেছেন মহারাজ টাকার বস্তা নিয়ে। তাঁর স্বপ্ন, তিনি হবেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার। ড. আব্দুল মোমেনের মতো চরম দুর্নীতিবাজ আমলা দুদকের চেয়ারম্যান হতে পারলে হাফিজুর রহমানের কমিশনার হতে সমস্যা হবে না বলে মনে হচ্ছে। তাঁর বস্তা বস্তা টাকা আছে।

হাফিজুর রহমান হাসিনার আমলে নিজেকে ওয়াজেদ মিয়ার ভাতিজা পরিচয় দিতেন। সেই সুবাদে হাসিনা তাঁর চাচি। রংপুরের পীরগঞ্জে বাড়ি হওয়ায় হাফিজকে অনেকে কেয়ার করতেন। পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের নির্বাচনের মাধ্যমে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসার পর হুইপ মাহবুব আরা গিনি এবং স্বৈরাচারী হাসিনার বিশেষ সহকারী সেলিমা আহমদের মাধ্যমে কাস্টমসের সেরা পোস্টিং ঢাকা বন্ডে কমিশনার হন এই হাফিজুর রহমান। পদে বসেই মহারাজ লুটপাট শুরু করেন।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর মেয়ের সঙ্গে কেলেঙ্কারির ভিডিও ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাফিজকে বরখাস্ত করা হয়। ২০১৫ সালে এনবিআর সদস্য পারভেজ ইকবালের তদন্তে বেস্ট লজিস্টিকস লিমিটেড নামের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং কোম্পানির ৭৫ শতাংশ মালিকানা এবং দুর্নীতির অর্থে বিপুলসংখ্যক অবৈধ এফডিআরসহ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

পরবর্তীতে স্বৈরাচার সরকারের অর্থমন্ত্রী লোটাস কামালের মেয়ে নাফিসা কামাল এবং দুদকের তৎকালীন কমিশনার, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে ২০ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে চাকরি ফেরত পান। কিন্তু বয়স না থাকায় যোগদান করতে পারেননি। মহারাজ এবার শতকোটি টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছেন দুদকের কমিশনার হতে। শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শক্তিশালী একটি গ্রুপ হাফিজুর রহমানের পক্ষে কাজ করছে।