ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অভিবাসন ব্যয় কমা‌তে কাজ কর‌ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘১০০ হর্ন’ লাগানো বাইকারের মোটরসাইকেল জব্দ করল পুলিশ এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৪ কেজি গাঁ’জা ও ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১

যে ৩৩ আসনে থাকবে না নৌকার প্রার্থী

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৩৩টি আসনে কোনো পার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এসব আসনের মধ্যে ২৬টি আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এ ছাড়াও ১৪ দলের শরিকদের ৭টি আসন ছাড় দিয়েছে দলটি।

বিগত তিনটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এবারও জোটগতভাবেই ভোট করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল। জোট শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে গত কয়েকদিন বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। শেষ পর্যন্ত গত বৃহস্পতিবার ৭টি আসন ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মোট ১৬টি আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল ১৪ দল। এবার সংখ্যাটা একই রকম থাকবে বলে আশা করেছিলেন তারা। সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় মনঃক্ষুণ্ন শরিকরা।জোট শরিকদের ৭ আসনের প্রার্থীরা হলেন-

ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদকে ৩টি করে এবং জাতীয় পার্টিকে (জেপি) একটি আসন দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বরিশাল-৩, সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ ও মোস্তফা লুৎফুল্লা সাতক্ষীরা-১ আসনে জোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া-২, এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন বগুড়া-৪ ও মোশাররফ হোসেনকে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ছাড় দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আর জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পিরোজপুর-২ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনে আগে থেকেই কোনো প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতায় ২৬টি আসন পেয়েছে জাপা। এ আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী থাকবে না বলে জানা গেছে।

জাতীয় পার্টির ২৬ আসনের প্রার্থীরা হলেন-

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মো. মুজিবুল হক চুন্নু, রংপুর-১ আসনে হোসেন মকবুল শাহরিয়ার, রংপুর-৩ আসনে জিএম কাদের, নীলফামারী-৪ আসনে আহসান আদেলুর রহমান, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মুস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম-২ আসনে পনির উদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সেলিম ওসমান, গাইবান্ধা-১ আসনে শামীম পাটোয়ারী, গাইবান্ধা-২ আসনে মো. আব্দুর রশিদ সরকার, সিলেট-৩ আসনে মো. আতিকুর রহমান, নীলফামারী-৩ আসনে রানা মোহাম্মদ সোহেল ও বগুড়া-৩ আসনে নুরুল ইসলাম তালুকদার।

এ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আব্দুল হামিদ, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সুলেমান আলম শেঠ, বগুড়া-২ আসনে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনে মো. আশরাফুজ্জামান, ফেনী-৩ আসনে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পটুয়াখালী-১ আসনে রুহুল আমিন হাওলাদার, ময়মনসিংহ-৫ আসনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৮ আসনে ফখরুল ইমাম, পিরোজপুর-৩ আসনে মো. মাশরেকুল আজম রবি, হবিগঞ্জ-১ আসনে মো. আব্দুল মুনিম চৌধুরী, মানিকগঞ্জ-১ আসনে জহিরুল আলম রুবেল ও বরিশাল-৩ আসনে গোলাম কিবরিয়া টিপু।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

যে ৩৩ আসনে থাকবে না নৌকার প্রার্থী

আপডেট সময় ০৪:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৩৩টি আসনে কোনো পার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এসব আসনের মধ্যে ২৬টি আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এ ছাড়াও ১৪ দলের শরিকদের ৭টি আসন ছাড় দিয়েছে দলটি।

বিগত তিনটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এবারও জোটগতভাবেই ভোট করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল। জোট শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে গত কয়েকদিন বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। শেষ পর্যন্ত গত বৃহস্পতিবার ৭টি আসন ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মোট ১৬টি আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল ১৪ দল। এবার সংখ্যাটা একই রকম থাকবে বলে আশা করেছিলেন তারা। সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় মনঃক্ষুণ্ন শরিকরা।জোট শরিকদের ৭ আসনের প্রার্থীরা হলেন-

ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদকে ৩টি করে এবং জাতীয় পার্টিকে (জেপি) একটি আসন দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বরিশাল-৩, সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ ও মোস্তফা লুৎফুল্লা সাতক্ষীরা-১ আসনে জোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া-২, এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন বগুড়া-৪ ও মোশাররফ হোসেনকে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ছাড় দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আর জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পিরোজপুর-২ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনে আগে থেকেই কোনো প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতায় ২৬টি আসন পেয়েছে জাপা। এ আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী থাকবে না বলে জানা গেছে।

জাতীয় পার্টির ২৬ আসনের প্রার্থীরা হলেন-

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মো. মুজিবুল হক চুন্নু, রংপুর-১ আসনে হোসেন মকবুল শাহরিয়ার, রংপুর-৩ আসনে জিএম কাদের, নীলফামারী-৪ আসনে আহসান আদেলুর রহমান, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মুস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম-২ আসনে পনির উদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সেলিম ওসমান, গাইবান্ধা-১ আসনে শামীম পাটোয়ারী, গাইবান্ধা-২ আসনে মো. আব্দুর রশিদ সরকার, সিলেট-৩ আসনে মো. আতিকুর রহমান, নীলফামারী-৩ আসনে রানা মোহাম্মদ সোহেল ও বগুড়া-৩ আসনে নুরুল ইসলাম তালুকদার।

এ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আব্দুল হামিদ, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সুলেমান আলম শেঠ, বগুড়া-২ আসনে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনে মো. আশরাফুজ্জামান, ফেনী-৩ আসনে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পটুয়াখালী-১ আসনে রুহুল আমিন হাওলাদার, ময়মনসিংহ-৫ আসনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৮ আসনে ফখরুল ইমাম, পিরোজপুর-৩ আসনে মো. মাশরেকুল আজম রবি, হবিগঞ্জ-১ আসনে মো. আব্দুল মুনিম চৌধুরী, মানিকগঞ্জ-১ আসনে জহিরুল আলম রুবেল ও বরিশাল-৩ আসনে গোলাম কিবরিয়া টিপু।