ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বোরহানউদ্দিনে দুটি চুড়ির কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ” হুমকির মুখে এলাকা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের নতুনহাকিমুদ্দিন বাজার সংলগ্ন হাকিমুদ্দিন সড়কের সাথে দুটি চুড়ির কারখানায় টিউবওয়েলের মাধ্যমে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগ। হাকিমুদ্দিন এলাকায় টিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে পানিরসাথে ওঠে জ্বালানি গ্যাস। কারখানায় জ্বালানি গ্যাস ব্যবহার করতে দুটি কারখানায় প্রায় ২০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়। টিউবওয়েলের জ্বলানি গ্যাস অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে সংযোগ দেওয়া হয় ওই চুড়ির কারখানা গুলোতে।
ফলে যে কোন সময় হতে পারে বড় ধরণের বিস্ফোরণের ঘটনা। চুড়ির দুটি কারখানার মধ্যে ১টিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকলেও অন্য টিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার দেখা মেলেনি।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই দুটি চুড়ির কারখানার। এতে বিস্ফোরণ ঝুঁকিতে ওই এলাকাটি। চুড়ির কারখানার মালিক বাদলের কাছে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্যাস সংযোগ অবৈধ বলে ফোনের লাইন কেটে দেন। অপর চুড়ির কারখানার দায়িত্বে থাকা তুহিন ফরাজির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন এখনো পায়নি। টিউবওয়েলের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ তোতামিয়া জানান, আমরা কোন অনুমোদন দেই নাই। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইসিভিডিতে আ.লীগপন্থী চিকিৎসকসহ ২ জনের পদায়নে উঠছে নানা প্রশ্ন

বোরহানউদ্দিনে দুটি চুড়ির কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ” হুমকির মুখে এলাকা

আপডেট সময় ০৬:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের নতুনহাকিমুদ্দিন বাজার সংলগ্ন হাকিমুদ্দিন সড়কের সাথে দুটি চুড়ির কারখানায় টিউবওয়েলের মাধ্যমে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগ। হাকিমুদ্দিন এলাকায় টিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে পানিরসাথে ওঠে জ্বালানি গ্যাস। কারখানায় জ্বালানি গ্যাস ব্যবহার করতে দুটি কারখানায় প্রায় ২০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়। টিউবওয়েলের জ্বলানি গ্যাস অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে সংযোগ দেওয়া হয় ওই চুড়ির কারখানা গুলোতে।
ফলে যে কোন সময় হতে পারে বড় ধরণের বিস্ফোরণের ঘটনা। চুড়ির দুটি কারখানার মধ্যে ১টিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকলেও অন্য টিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার দেখা মেলেনি।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই দুটি চুড়ির কারখানার। এতে বিস্ফোরণ ঝুঁকিতে ওই এলাকাটি। চুড়ির কারখানার মালিক বাদলের কাছে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্যাস সংযোগ অবৈধ বলে ফোনের লাইন কেটে দেন। অপর চুড়ির কারখানার দায়িত্বে থাকা তুহিন ফরাজির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন এখনো পায়নি। টিউবওয়েলের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ তোতামিয়া জানান, আমরা কোন অনুমোদন দেই নাই। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ।