ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাঠামোগত রূপান্তর ঘটাতে হবে: তথ্যমন্ত্রী গত ১৭ বছর শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায় আবারও বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা মদের কারখানার ড্রেন খুঁড়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা প্রাডো গাড়িতে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ যুবক তিস্তা নিয়ে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদমন্ত্রী আল্লাহর ওপর ভরসা করি, কোনো চালাকির কাছে নয়: ট্রাইব্যুনালে পলক

বাঘার বাউসা মহাবিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্য, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন বাউসা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অত্যন্ত গোপনে ও অর্থের বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যপক ক্ষুব্ধ অত্র এলাকাবাসী।

বাউসা ইউনিয়নের মহাবিদ্যালয়টির সার্বিক উন্নতি এবং এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ করেছেন ফাহিম মুন্তাসির (প্রান্ত) নামের এক ছাত্র ।

অভিযোগ পত্রে জানাযায়, রাজশাহী জেলাধীন বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পরিষদের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বাউসা মহাবিদ্যালয়টি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর অত্যন্ত গোপনে বাউসা মহাবিদ্যালয়টিতে ৫ টি পদে (অধ্যক্ষ, ল্যাব সহকারী ২টি পদে ও অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তাকর্মী) নিয়োগ প্রক্রিয়া অর্থের বিনিময়ে সম্পন্ন করা হয় বলে জানতে পারা যায়। বিষয়টি এলাকার জনমনে কলেজটির অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ,স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে সময়ে বাউসা মহাবিদ্যালয়ে ৫ টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে এটি বাউসার জনগণ জানতে পারল না। বুঝতে পারলো না বিষটি শুধু অর্থের বিনিময়ে হয়েছে। কলেজের সার্বিক উন্নতি এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।

সাম্প্রতিক বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার সামনে মাইকে এই নিয়োগের বিষয়ে কঠোর সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। এ থেকেই এলাকাবাসী সহ মহাবিদ্যালয় টির অভিভাবক সদস্যরা অত্যন্ত গোপনে ও অর্থের বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয় জানতে পারে এবং বিষয় টা নিয়ে এলাকায় ব্যপক সমালোচনা ও ক্ষোভের পাশাপাশি চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়।

ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো: মুন্টু আলী বলেন, নিয়োগের বিষয় এ আমি কিছুই জানিনা। নিয়োগের কয়েক দিন পর লোক মুখে শুনে অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু কে ফোন দিয়ে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে, সে আমাকে বলে নিয়োগ হয়েছে। আমি তখন তাকে প্রশ্ন করলাম নিয়োগ হলো কিন্তু আমাদের জানালেন না, সে বলে পরে জানতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুন্ন করে দুর্নীতি-অনিয়মের মাধ্যমে কৌশলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগ কারী (ছাত্র) ফাহিম মুন্তাসির প্রান্ত দাবি করে বলেন, আমাদের কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেই নিজেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিলেন। ৫০ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ ও সভাপতি এই নিয়োগ বাণিজ্যের প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করেছে। আমার জানামতে আমাদের কলেজটিতে কোন ল্যাব নেই তারপরও ল্যাব সহকারী দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক নিয়োগ বঞ্চিত একাধিক প্রার্থীরা বলেন, অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল আলম বাবু মিলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগে অধ্যক্ষ ও সভাপতি প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার বাণিজ্য করেছেন বলে দাবি তাদের৷

বাউসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান, চলতি বছরেই জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কে সামনে রেখে অধ্যক্ষ ও সভাপতির এ নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়টি নিয়ে জনগণের মনে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে, এতে করে জাতীয় নির্বাচনে এর বিরুপ প্রতিক্রিয়া পরবে বলে ধারণা করছেন।

এ বিষয়ে বাউসা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগ হয়েছে। ৫ টি পদে ১৫ জন রাজশাহী সিটি কলেজে পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করেছে। এখানে টাকার কোন বানিজ্যের ঘটনা নেই।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল আলম বাবু বলেন, ‘সব কিছু বিধি মোতাবেক হয়েছে। স্বচ্ছভাবে প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ তুফান সেই বক্তব্য বলেছিলেন একজন প্রিন্সিপাল রাতের অন্ধকারে এলাকার লোকজনের সাথে প্রতারণা করে পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যদের না জানিয়ে ৫০ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে ৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। তাহলে এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানটিকে কি সহযোগিতা করবে?

বাঘা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ ফ ম হাসান বলেন, বাউসা মহাবিদ্যালয় নিয়োগ বিষয়ে একটি অভিযোগ গতকাল পেয়েছি। আমি তদন্তে যাব,আর আমি নিয়োগ বিষয়ে কোন কিছু জানি না।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার বলেন, এবিষয়ে আমার সঠিক জানা নেই, সময় পেলে জেনে জানাতে পারব।

উল্লেখ্য, এদিকে অভিভাবক সদস্য সহ নিয়োগ বঞ্চিতরা ও সচেতন এলাকাবাসী বাউসা মহাবিদ্যালয়ে এ অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে সুষ্ঠু নিয়মে নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাঘার বাউসা মহাবিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্য, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৩:২৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩

রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন বাউসা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অত্যন্ত গোপনে ও অর্থের বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যপক ক্ষুব্ধ অত্র এলাকাবাসী।

বাউসা ইউনিয়নের মহাবিদ্যালয়টির সার্বিক উন্নতি এবং এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ করেছেন ফাহিম মুন্তাসির (প্রান্ত) নামের এক ছাত্র ।

অভিযোগ পত্রে জানাযায়, রাজশাহী জেলাধীন বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পরিষদের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বাউসা মহাবিদ্যালয়টি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর অত্যন্ত গোপনে বাউসা মহাবিদ্যালয়টিতে ৫ টি পদে (অধ্যক্ষ, ল্যাব সহকারী ২টি পদে ও অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তাকর্মী) নিয়োগ প্রক্রিয়া অর্থের বিনিময়ে সম্পন্ন করা হয় বলে জানতে পারা যায়। বিষয়টি এলাকার জনমনে কলেজটির অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ,স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে সময়ে বাউসা মহাবিদ্যালয়ে ৫ টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে এটি বাউসার জনগণ জানতে পারল না। বুঝতে পারলো না বিষটি শুধু অর্থের বিনিময়ে হয়েছে। কলেজের সার্বিক উন্নতি এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।

সাম্প্রতিক বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার সামনে মাইকে এই নিয়োগের বিষয়ে কঠোর সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। এ থেকেই এলাকাবাসী সহ মহাবিদ্যালয় টির অভিভাবক সদস্যরা অত্যন্ত গোপনে ও অর্থের বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয় জানতে পারে এবং বিষয় টা নিয়ে এলাকায় ব্যপক সমালোচনা ও ক্ষোভের পাশাপাশি চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়।

ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো: মুন্টু আলী বলেন, নিয়োগের বিষয় এ আমি কিছুই জানিনা। নিয়োগের কয়েক দিন পর লোক মুখে শুনে অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু কে ফোন দিয়ে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে, সে আমাকে বলে নিয়োগ হয়েছে। আমি তখন তাকে প্রশ্ন করলাম নিয়োগ হলো কিন্তু আমাদের জানালেন না, সে বলে পরে জানতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুন্ন করে দুর্নীতি-অনিয়মের মাধ্যমে কৌশলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগ কারী (ছাত্র) ফাহিম মুন্তাসির প্রান্ত দাবি করে বলেন, আমাদের কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেই নিজেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিলেন। ৫০ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ ও সভাপতি এই নিয়োগ বাণিজ্যের প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করেছে। আমার জানামতে আমাদের কলেজটিতে কোন ল্যাব নেই তারপরও ল্যাব সহকারী দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক নিয়োগ বঞ্চিত একাধিক প্রার্থীরা বলেন, অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল আলম বাবু মিলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগে অধ্যক্ষ ও সভাপতি প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার বাণিজ্য করেছেন বলে দাবি তাদের৷

বাউসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান, চলতি বছরেই জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কে সামনে রেখে অধ্যক্ষ ও সভাপতির এ নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়টি নিয়ে জনগণের মনে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে, এতে করে জাতীয় নির্বাচনে এর বিরুপ প্রতিক্রিয়া পরবে বলে ধারণা করছেন।

এ বিষয়ে বাউসা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নান্টু বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগ হয়েছে। ৫ টি পদে ১৫ জন রাজশাহী সিটি কলেজে পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করেছে। এখানে টাকার কোন বানিজ্যের ঘটনা নেই।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল আলম বাবু বলেন, ‘সব কিছু বিধি মোতাবেক হয়েছে। স্বচ্ছভাবে প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ তুফান সেই বক্তব্য বলেছিলেন একজন প্রিন্সিপাল রাতের অন্ধকারে এলাকার লোকজনের সাথে প্রতারণা করে পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যদের না জানিয়ে ৫০ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে ৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। তাহলে এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানটিকে কি সহযোগিতা করবে?

বাঘা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ ফ ম হাসান বলেন, বাউসা মহাবিদ্যালয় নিয়োগ বিষয়ে একটি অভিযোগ গতকাল পেয়েছি। আমি তদন্তে যাব,আর আমি নিয়োগ বিষয়ে কোন কিছু জানি না।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার বলেন, এবিষয়ে আমার সঠিক জানা নেই, সময় পেলে জেনে জানাতে পারব।

উল্লেখ্য, এদিকে অভিভাবক সদস্য সহ নিয়োগ বঞ্চিতরা ও সচেতন এলাকাবাসী বাউসা মহাবিদ্যালয়ে এ অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে সুষ্ঠু নিয়মে নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার দাবি জানিয়েছেন।