ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাঠামোগত রূপান্তর ঘটাতে হবে: তথ্যমন্ত্রী গত ১৭ বছর শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায় আবারও বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা মদের কারখানার ড্রেন খুঁড়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা প্রাডো গাড়িতে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ যুবক তিস্তা নিয়ে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদমন্ত্রী আল্লাহর ওপর ভরসা করি, কোনো চালাকির কাছে নয়: ট্রাইব্যুনালে পলক

মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা

গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের দরিদ্র ও নিম্ন আয়বান্ধব পরিবারের মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় বিশেষ মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করে আসছে সরকার। বর্তমানে সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’-র মাধ্যমে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়।

মাতৃত্বকালীন ভাতা কত?
মাসিক পরিমাণ : একজন মা প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে ভাতা পান।

ভাতার মেয়াদ : শিশুর বয়স ৩ বছর (৩৬ মাস) পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত এই ভাতা দেওয়া হয়।
পেমেন্ট পদ্ধতি : ভাতার টাকা সরাসরি সুবিধাভোগী মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাকাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে পৌঁছে যায়।

কারা পাবেন এই ভাতা?
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক ও নিম্ন আয়ের গর্ভবতী নারী হতে হবে।

বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন ২০ বছর।
প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতা প্রযোজ্য (সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ভাতা মিলবে)। আবেদনকারীর নিজের বা স্বামীর নামে ন্যূনতম জমি বা স্থায়ী আয়ের পর্যাপ্ত উৎস থাকা যাবে না।

আবেদন করবেন কিভাবে?
অনলাইন আবেদন : সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অফিশিয়াল পোর্টাল বা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট অনলাইন সেবা লিংকের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।

ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় : স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
*আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সত্যায়িত কপি।
*ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ।
*গর্ভাবস্থার ডাক্তারি সনদ/কার্ড (হাসপাতাল বা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রাপ্ত)।
*নিজের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস।

*পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে স্থানীয় কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে। ভাতা অনুমোদিত হলে নিয়মিত মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে টাকা জমা হওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা

আপডেট সময় ০৪:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের দরিদ্র ও নিম্ন আয়বান্ধব পরিবারের মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় বিশেষ মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করে আসছে সরকার। বর্তমানে সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’-র মাধ্যমে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়।

মাতৃত্বকালীন ভাতা কত?
মাসিক পরিমাণ : একজন মা প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে ভাতা পান।

ভাতার মেয়াদ : শিশুর বয়স ৩ বছর (৩৬ মাস) পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত এই ভাতা দেওয়া হয়।
পেমেন্ট পদ্ধতি : ভাতার টাকা সরাসরি সুবিধাভোগী মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাকাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে পৌঁছে যায়।

কারা পাবেন এই ভাতা?
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক ও নিম্ন আয়ের গর্ভবতী নারী হতে হবে।

বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন ২০ বছর।
প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতা প্রযোজ্য (সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ভাতা মিলবে)। আবেদনকারীর নিজের বা স্বামীর নামে ন্যূনতম জমি বা স্থায়ী আয়ের পর্যাপ্ত উৎস থাকা যাবে না।

আবেদন করবেন কিভাবে?
অনলাইন আবেদন : সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অফিশিয়াল পোর্টাল বা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট অনলাইন সেবা লিংকের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।

ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় : স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
*আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সত্যায়িত কপি।
*ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ।
*গর্ভাবস্থার ডাক্তারি সনদ/কার্ড (হাসপাতাল বা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রাপ্ত)।
*নিজের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস।

*পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে স্থানীয় কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে। ভাতা অনুমোদিত হলে নিয়মিত মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে টাকা জমা হওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হয়।