গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের দরিদ্র ও নিম্ন আয়বান্ধব পরিবারের মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় বিশেষ মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করে আসছে সরকার। বর্তমানে সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’-র মাধ্যমে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়।
মাতৃত্বকালীন ভাতা কত?
মাসিক পরিমাণ : একজন মা প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে ভাতা পান।
ভাতার মেয়াদ : শিশুর বয়স ৩ বছর (৩৬ মাস) পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত এই ভাতা দেওয়া হয়।
পেমেন্ট পদ্ধতি : ভাতার টাকা সরাসরি সুবিধাভোগী মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাকাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে পৌঁছে যায়।
কারা পাবেন এই ভাতা?
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক ও নিম্ন আয়ের গর্ভবতী নারী হতে হবে।
বয়স হতে হবে সর্বনিম্ন ২০ বছর।
প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতা প্রযোজ্য (সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ভাতা মিলবে)। আবেদনকারীর নিজের বা স্বামীর নামে ন্যূনতম জমি বা স্থায়ী আয়ের পর্যাপ্ত উৎস থাকা যাবে না।
আবেদন করবেন কিভাবে?
অনলাইন আবেদন : সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অফিশিয়াল পোর্টাল বা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট অনলাইন সেবা লিংকের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।
ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় : স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
*আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সত্যায়িত কপি।
*ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ।
*গর্ভাবস্থার ডাক্তারি সনদ/কার্ড (হাসপাতাল বা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে প্রাপ্ত)।
*নিজের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস।
*পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে স্থানীয় কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে। ভাতা অনুমোদিত হলে নিয়মিত মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে টাকা জমা হওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হয়।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 




















