ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরগঞ্জের আ’লীগ নেতা ফিরোজের বিরুদ্ধে অবৈধ মার্কেট ও সম্পদ গড়ার অভিযোগ রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে কাল, কেন্দ্রে পৌঁছাবে শনিবার ক্যাশলেস লেনদেনে কোনো চার্জ লাগবে না: অর্থমন্ত্রী চন্দ্রগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হামলার শিকার ফুটপাত দখল করলেই মামলা, হকারদের কড়া বার্তা দিল ডিএসসিসি সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ ও জ্বালানিতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনায় মব সৃষ্টি করে হেনস্তার শিকার পুলিশ কর্মকর্তা গঙ্গাচড়ায় উৎসবমুখর আয়োজনে প্রবীণ দিবস পালিত

চন্দ্রগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হামলার শিকার

  • হুমায়ুন কবির
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫২২ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণ কাজের সার্বিক চিত্র ও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহকালে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ইসমাইল হোসেন নামের এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ‘মব জাস্টিস’-এর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দলবদ্ধ হামলার শিকার হওয়ার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, মহাসড়কটি ফোর লেনে উন্নীতকরণ কাজের অগ্রগতি, বাস্তব পরিস্থিতি ও জনভোগান্তিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান ওই সাংবাদিক। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে কতিপয় ব্যক্তি তাঁর সংবাদ সংগ্রহের কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁকে দলবদ্ধভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার কাজে এ ধরনের বাধা ও হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য গুরুতর হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোনো অভিযোগ বা বিরোধ থাকলে তা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সমাধানের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে দলবদ্ধভাবে একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং কর্মস্থলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা বা সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরগঞ্জের আ’লীগ নেতা ফিরোজের বিরুদ্ধে অবৈধ মার্কেট ও সম্পদ গড়ার অভিযোগ

চন্দ্রগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হামলার শিকার

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণ কাজের সার্বিক চিত্র ও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহকালে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ইসমাইল হোসেন নামের এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ‘মব জাস্টিস’-এর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দলবদ্ধ হামলার শিকার হওয়ার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, মহাসড়কটি ফোর লেনে উন্নীতকরণ কাজের অগ্রগতি, বাস্তব পরিস্থিতি ও জনভোগান্তিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান ওই সাংবাদিক। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে কতিপয় ব্যক্তি তাঁর সংবাদ সংগ্রহের কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁকে দলবদ্ধভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার কাজে এ ধরনের বাধা ও হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য গুরুতর হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোনো অভিযোগ বা বিরোধ থাকলে তা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সমাধানের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে দলবদ্ধভাবে একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং কর্মস্থলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা বা সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।