ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

মাঠের মধ্যেই কোহলি-গম্ভীরের কথা-কাটাকাটি

বছরের এই সময়টায় উপমহাদেশে গ্রীষ্মকাল। সূর্যের উত্তাপ খানিকটা বেশিই থাকে। সোমবার রাতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস ম্যাচের উত্তাপ বোধহয় সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে! লো স্কোরিং এই ম্যাচে ব্যাট-বলের লড়াই ছাপিয়ে কথার লড়াইয়ে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি-গৌতম গম্ভীর। শেষ পর্যন্ত সতীর্থদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামলেছেন দুই দলের সাপোর্ট স্টাফরা।

ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচ শেষে দু’দলের ক্রিকেটারদের হাত মেলানোর সময়। ম্যাচ চলাকালীন লক্ষ্মৌয়ের উইকেট পড়ার পরে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উল্লাস করছিলেন কোহলি। এসময় লক্ষ্মৌয়ের ডাগআউটের দিকে তাকিয়ে মুখে আঙুল দিয়ে চুপ করে থাকার ভঙ্গি দেখান বেঙ্গালুরুর সাবেক এই অধিনায়ক।

আফগানিস্তানের ক্রিকেটার নাবিন উল হক আউট হওয়ার সময়ও উত্তেজিত হয়ে উল্লাস করেন কোহলি। টুপি খুলে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন। সেটা হয়তো ভালোভাবে নেননি নাবিন। তাই হাত মেলানোর সময় কোহলিকে কিছু একটা বলতে দেখা যায় এই আফগান ক্রিকেটারকে। সঙ্গে সঙ্গে জবাবও দেন কোহলি। তার পরই সেই বিতর্কে যোগ দেন গম্ভীর। আর তাতেই বিবাদ বেড়ে যায়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে দেখে সেখানে এসে উপস্থিত হন দু’দলের বাকি ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা। কোহলি ও গম্ভীর দু’জনেই দিল্লির। লক্ষ্মৌয়ের স্পিনার অমিত মিশ্রা ও সহকারী কোচ বিজয় দাহিয়াও একসময় দিল্লির হয়ে খেলেছেন। সেই কারণে তারা কোহলি-গম্ভীরকে ভালো ভাবে চেনেন। তাই তারাই বেশি উদ্যোগী হয়ে দু’জনকে সামাল দেন। লক্ষ্মৌয়ের অধিনায়ক লোকেশ রাহুলও ছিলেন সেখানে। গম্ভীরকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন লক্ষ্মৌ অধিনায়ক। আর কোহলিকে সরিয়ে নিয়ে যান আরসিবির বেঙ্গালুরু অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।

কিন্তু সেখানেই সব থেমে যায়নি। তিনি যে গম্ভীরের কথা ভাল ভাবে নেননি সেটা কোহলির চোখ-মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে রাহুলের সঙ্গে অনেকটা সময় কথা বলেন তিনি। ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত হন লক্ষ্মৌয়ের মালিক সঞ্জীব গোয়েনকা। তার সঙ্গে অবশ্য হাত মেলান কোহলি।

কোহলির সঙ্গে গম্ভীরের বিবাদ এটাই যে প্রথম তা কিন্তু না। এর আগে গম্ভীর যখন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ছিলেন তখনও দু’জনের মধ্যে মাঠে বিবাদ হয়েছে। একে অপরের দিকে তেড়ে গিয়েছেন তারা। এমনকি বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে ডাগআউটে চেয়ারে লাথিও মারতে দেখা গিয়েছে গম্ভীরকে। এত বছর পরেও দুজনের সম্পর্কের উন্নতি হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

মাঠের মধ্যেই কোহলি-গম্ভীরের কথা-কাটাকাটি

আপডেট সময় ১০:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

বছরের এই সময়টায় উপমহাদেশে গ্রীষ্মকাল। সূর্যের উত্তাপ খানিকটা বেশিই থাকে। সোমবার রাতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টস ম্যাচের উত্তাপ বোধহয় সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে! লো স্কোরিং এই ম্যাচে ব্যাট-বলের লড়াই ছাপিয়ে কথার লড়াইয়ে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি-গৌতম গম্ভীর। শেষ পর্যন্ত সতীর্থদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামলেছেন দুই দলের সাপোর্ট স্টাফরা।

ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচ শেষে দু’দলের ক্রিকেটারদের হাত মেলানোর সময়। ম্যাচ চলাকালীন লক্ষ্মৌয়ের উইকেট পড়ার পরে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উল্লাস করছিলেন কোহলি। এসময় লক্ষ্মৌয়ের ডাগআউটের দিকে তাকিয়ে মুখে আঙুল দিয়ে চুপ করে থাকার ভঙ্গি দেখান বেঙ্গালুরুর সাবেক এই অধিনায়ক।

আফগানিস্তানের ক্রিকেটার নাবিন উল হক আউট হওয়ার সময়ও উত্তেজিত হয়ে উল্লাস করেন কোহলি। টুপি খুলে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন। সেটা হয়তো ভালোভাবে নেননি নাবিন। তাই হাত মেলানোর সময় কোহলিকে কিছু একটা বলতে দেখা যায় এই আফগান ক্রিকেটারকে। সঙ্গে সঙ্গে জবাবও দেন কোহলি। তার পরই সেই বিতর্কে যোগ দেন গম্ভীর। আর তাতেই বিবাদ বেড়ে যায়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে দেখে সেখানে এসে উপস্থিত হন দু’দলের বাকি ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা। কোহলি ও গম্ভীর দু’জনেই দিল্লির। লক্ষ্মৌয়ের স্পিনার অমিত মিশ্রা ও সহকারী কোচ বিজয় দাহিয়াও একসময় দিল্লির হয়ে খেলেছেন। সেই কারণে তারা কোহলি-গম্ভীরকে ভালো ভাবে চেনেন। তাই তারাই বেশি উদ্যোগী হয়ে দু’জনকে সামাল দেন। লক্ষ্মৌয়ের অধিনায়ক লোকেশ রাহুলও ছিলেন সেখানে। গম্ভীরকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন লক্ষ্মৌ অধিনায়ক। আর কোহলিকে সরিয়ে নিয়ে যান আরসিবির বেঙ্গালুরু অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।

কিন্তু সেখানেই সব থেমে যায়নি। তিনি যে গম্ভীরের কথা ভাল ভাবে নেননি সেটা কোহলির চোখ-মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে রাহুলের সঙ্গে অনেকটা সময় কথা বলেন তিনি। ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত হন লক্ষ্মৌয়ের মালিক সঞ্জীব গোয়েনকা। তার সঙ্গে অবশ্য হাত মেলান কোহলি।

কোহলির সঙ্গে গম্ভীরের বিবাদ এটাই যে প্রথম তা কিন্তু না। এর আগে গম্ভীর যখন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ছিলেন তখনও দু’জনের মধ্যে মাঠে বিবাদ হয়েছে। একে অপরের দিকে তেড়ে গিয়েছেন তারা। এমনকি বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে ডাগআউটে চেয়ারে লাথিও মারতে দেখা গিয়েছে গম্ভীরকে। এত বছর পরেও দুজনের সম্পর্কের উন্নতি হয়নি।