ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গুড়ায় পাউবোর ভুয়া প্রকল্পে ২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ, অনুসন্ধানে দুদক প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ নেতাদের হাতে চীনের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র তৈরির বিজ্ঞাপন, লালমাইয়ে যুবক আটক বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শিবগঞ্জে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত নাহিদ উজ্জামানকে সংবর্ধনা রংপুর মেডিকেলে আগুন, বিদ্যুৎহীনতায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা লালপুরে ৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রীর সফর হজযাত্রীদের কোরবানির অর্থ নিয়ে অনিয়ম, এজেন্সিকে জরিমানা

২০২৩ সালে গ্যাস সংকট ভয়াবহ হয়ে উঠবে ইউরোপে : কাতার

রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জেরে ইউরোপ আগামী বছর ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্যাস সংকটে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি।

রাশিয়া সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিলে অন্যান্য উৎস থেকে গ্যাস কিনে সাময়িকভাবে হয়তো এই সংকটের সমাধান সম্ভব হবে, কিন্তু সেসব উৎস টেকসই হবে না বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তরলীকৃত গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারী এই দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী।

‘কিন্তু সামনের বছর থেকে গ্যাস ইউরোপের প্রধান ইস্যু হয়ে উঠবে। কারণ ইউরোপ রাতারাতি কোনো বিশাল আকারের পারমাণবিক চুল্লি প্রস্তুত করতে পারবে না।’

‘যদি কয়লাভিত্তিক বা জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ইউরোপ চালু করে, সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা; কিন্তু সেটিও সম্ভব নয়, কারণ রা যদি তা না হয়, সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত ইউরোপকে গ্যাসের ওপরই নির্ভর করতে হবে।’

রাশিয়ার গ্যাসের ওপর ইউরোপের নির্ভরশীলতা ব্যাপক। এতদিন এই মহাদেশের মোট গ্যাস চাহিদার ৪০ শতাংশ সরবরাহ আসত রাশিয়া থেকে। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনী ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ওপর একরাশ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে যদিও গ্যাসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তবে নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকেই ইউরোপে গ্যাসের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে মস্কো। সেই সঙ্গে শর্ত দিয়েছে— বাইরের কোনো দেশ যদি রাশিয়ার কাছ থেকে গ্যাস কিনতে চায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই রুশ মুদ্রা রুবলে তা কিনতে হবে। ইইউ’র অনেক সদস্যরাষ্ট্র এই শর্তে আপত্তি জানিয়েছে।

তবে ইইউয়ের নেতারা জানিয়েছেন, আপাতত নরওয়ে ও আলজেরিয়া থেকে এলএনজি গ্যাস আমদানির মাধ্যমে গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হবে।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে সাদ আল কাবি বলেন, ‘গ্যাসের ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী হয়। অর্থাৎ আপনি যদি কোনো দেশ থেকে গ্যাস কেনেন, সেক্ষেত্রে ওই দেশের সঙ্গে ১৫, ২০ কিংবা ৩০ বছর মেয়াদী চুক্তিতে আপনার যেতে হবে।’

‘ইউরোপ যেসব উৎস থেকে গ্যাস কেনার কথা ভাবছে, আমার মনে হয় না তারা দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুড়ায় পাউবোর ভুয়া প্রকল্পে ২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ, অনুসন্ধানে দুদক

২০২৩ সালে গ্যাস সংকট ভয়াবহ হয়ে উঠবে ইউরোপে : কাতার

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২

রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জেরে ইউরোপ আগামী বছর ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্যাস সংকটে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি।

রাশিয়া সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিলে অন্যান্য উৎস থেকে গ্যাস কিনে সাময়িকভাবে হয়তো এই সংকটের সমাধান সম্ভব হবে, কিন্তু সেসব উৎস টেকসই হবে না বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তরলীকৃত গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারী এই দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী।

‘কিন্তু সামনের বছর থেকে গ্যাস ইউরোপের প্রধান ইস্যু হয়ে উঠবে। কারণ ইউরোপ রাতারাতি কোনো বিশাল আকারের পারমাণবিক চুল্লি প্রস্তুত করতে পারবে না।’

‘যদি কয়লাভিত্তিক বা জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ইউরোপ চালু করে, সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা; কিন্তু সেটিও সম্ভব নয়, কারণ রা যদি তা না হয়, সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত ইউরোপকে গ্যাসের ওপরই নির্ভর করতে হবে।’

রাশিয়ার গ্যাসের ওপর ইউরোপের নির্ভরশীলতা ব্যাপক। এতদিন এই মহাদেশের মোট গ্যাস চাহিদার ৪০ শতাংশ সরবরাহ আসত রাশিয়া থেকে। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনী ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ওপর একরাশ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে যদিও গ্যাসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তবে নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকেই ইউরোপে গ্যাসের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে মস্কো। সেই সঙ্গে শর্ত দিয়েছে— বাইরের কোনো দেশ যদি রাশিয়ার কাছ থেকে গ্যাস কিনতে চায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই রুশ মুদ্রা রুবলে তা কিনতে হবে। ইইউ’র অনেক সদস্যরাষ্ট্র এই শর্তে আপত্তি জানিয়েছে।

তবে ইইউয়ের নেতারা জানিয়েছেন, আপাতত নরওয়ে ও আলজেরিয়া থেকে এলএনজি গ্যাস আমদানির মাধ্যমে গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হবে।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে সাদ আল কাবি বলেন, ‘গ্যাসের ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী হয়। অর্থাৎ আপনি যদি কোনো দেশ থেকে গ্যাস কেনেন, সেক্ষেত্রে ওই দেশের সঙ্গে ১৫, ২০ কিংবা ৩০ বছর মেয়াদী চুক্তিতে আপনার যেতে হবে।’

‘ইউরোপ যেসব উৎস থেকে গ্যাস কেনার কথা ভাবছে, আমার মনে হয় না তারা দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।