সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

বিকেলে বাফুফের জরুরি সভা, নতুন সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে?

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা ছিল গত শুক্রবার ( ১৪ এপ্রিল)। জরুরি সভার আলোচ্যসূচি ছিল নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে বাফুফে সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে নিষিদ্ধের পর সেই সভা বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই বাফুফে ভবনে একটা থমথমে পরিস্থিতি। 

এদিকে, ফুটবল ফেডারেশনের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়েআজ (সোমবার) বিকেলে নির্বাহী কমিটির সভা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, আজ বিকেলেই নির্বাহী কমিটির সভায় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হবেন। এর পাশাপাশি সোহাগের নিষেধাজ্ঞা রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করারও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখন সাধারণ সম্পাদকশূন্য। বাফুফেতে সভাপতির পরই গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর সাধারণ সম্পাদক। যে কারণে, বাফুফেকে দ্রুতই এই পদের জন্য নতুন কাউকে বেছে নিতে হবে। সোহাগ এখন অতীত। শনিবারই বাফুফে ভবন থেকে সোহাগের নামফলক তুলে ফেলা হয়। সহসাই সেখানে বসবে নতুন নামফলক। কে হচ্ছেন সেই ব্যক্তি তা নিয়ে চলছে গুঞ্জন।

এর আগে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গতকাল (রোববার) বিকেলে ফেডারেশনের শীর্ষ কয়েকজন এক্সিকিউটিভকে (বেতনভুক্ত) ডেকেছিলেন। সোহাগের সঙ্গে জুরিখে যাওয়া এক্সিকিউটিভসহ অন্যরাও ছিলেন। সোহাগকে নিষিদ্ধ করার ৫১ পাতার রিপোর্টের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি এক্সিকিউটিভদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই রিপোর্ট পড়ে বাফুফের এক্সিকিউটিভদের কাজে অসতর্কতার বিষয়টি তার চোখে ধরা পড়ে। ফিফার সোহাগকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবেদন এবং তার পর্যবেক্ষণ নিয়ে এক্সকিউটিভদের মতামত নেন।

কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে এক্সিকিউটিভদের এই সাক্ষাতের সময় ফেডারেশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। ফিন্যান্স বিভাগের কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের ত্রুটি ও দুর্বলতা তার চোখে ধরা পড়েছিল আগেই। সোহাগের এই নিষেধাজ্ঞা রিপোর্টে ফিন্যান্স বিভাগের অবহেলা আরো প্রকট হয়। ফেডারেশনের সেই শীর্ষ কর্মকর্তা ফিন্যান্স বিভাগের এক্সকিউটিভদের পদত্যাগ করার কথা বলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

বিকেলে বাফুফের জরুরি সভা, নতুন সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে?

আপডেট সময় ১২:০৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা ছিল গত শুক্রবার ( ১৪ এপ্রিল)। জরুরি সভার আলোচ্যসূচি ছিল নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে বাফুফে সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে নিষিদ্ধের পর সেই সভা বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই বাফুফে ভবনে একটা থমথমে পরিস্থিতি। 

এদিকে, ফুটবল ফেডারেশনের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়েআজ (সোমবার) বিকেলে নির্বাহী কমিটির সভা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, আজ বিকেলেই নির্বাহী কমিটির সভায় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হবেন। এর পাশাপাশি সোহাগের নিষেধাজ্ঞা রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করারও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখন সাধারণ সম্পাদকশূন্য। বাফুফেতে সভাপতির পরই গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর সাধারণ সম্পাদক। যে কারণে, বাফুফেকে দ্রুতই এই পদের জন্য নতুন কাউকে বেছে নিতে হবে। সোহাগ এখন অতীত। শনিবারই বাফুফে ভবন থেকে সোহাগের নামফলক তুলে ফেলা হয়। সহসাই সেখানে বসবে নতুন নামফলক। কে হচ্ছেন সেই ব্যক্তি তা নিয়ে চলছে গুঞ্জন।

এর আগে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গতকাল (রোববার) বিকেলে ফেডারেশনের শীর্ষ কয়েকজন এক্সিকিউটিভকে (বেতনভুক্ত) ডেকেছিলেন। সোহাগের সঙ্গে জুরিখে যাওয়া এক্সিকিউটিভসহ অন্যরাও ছিলেন। সোহাগকে নিষিদ্ধ করার ৫১ পাতার রিপোর্টের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি এক্সিকিউটিভদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই রিপোর্ট পড়ে বাফুফের এক্সিকিউটিভদের কাজে অসতর্কতার বিষয়টি তার চোখে ধরা পড়ে। ফিফার সোহাগকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবেদন এবং তার পর্যবেক্ষণ নিয়ে এক্সকিউটিভদের মতামত নেন।

কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে এক্সিকিউটিভদের এই সাক্ষাতের সময় ফেডারেশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। ফিন্যান্স বিভাগের কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের ত্রুটি ও দুর্বলতা তার চোখে ধরা পড়েছিল আগেই। সোহাগের এই নিষেধাজ্ঞা রিপোর্টে ফিন্যান্স বিভাগের অবহেলা আরো প্রকট হয়। ফেডারেশনের সেই শীর্ষ কর্মকর্তা ফিন্যান্স বিভাগের এক্সকিউটিভদের পদত্যাগ করার কথা বলেন।