ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

গ্রেপ্তার এড়াতে দোকানে কাজ নেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাহফুজ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খোন্দকার মাহফুজুর রহমানকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শ্যামলী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২ এর একটি দল। র‌্যাব জানিয়েছে, আত্মগোপনের কৌশল হিসেবে তিনি শ্যামলীতে একটি খাবারের দোকানে কাজ নিয়েছিলেন।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক বলেন, গ্রেপ্তার মাহফুজুর রহমান একজন পেশাদার মাদক কারবারি। ২০০৮ সালের গত ১৬ অক্টোবর বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের হয়।

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার মাহফুজুর রহমানকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। ১৩ দিন জেল হাজতে আটক থাকার পর আদালতে হাজিরা দেওয়া সাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হন।

জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপন করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আসামি খন্দকার মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। তাকে আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেন। পরোয়ানার ভিত্তিতেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাহফুজুর রহমানকে গতরাতে রাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নোয়াখালী বেগমগঞ্জের আবু নাছের খন্দকারের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে র‌্যাব-২ এর এ কর্মকর্তা বলেন, পলাতক থাকাকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। সর্বশেষ শ্যামলীর একটি খাবার হোটেলে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

গ্রেপ্তার এড়াতে দোকানে কাজ নেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাহফুজ

আপডেট সময় ১২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খোন্দকার মাহফুজুর রহমানকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শ্যামলী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২ এর একটি দল। র‌্যাব জানিয়েছে, আত্মগোপনের কৌশল হিসেবে তিনি শ্যামলীতে একটি খাবারের দোকানে কাজ নিয়েছিলেন।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক বলেন, গ্রেপ্তার মাহফুজুর রহমান একজন পেশাদার মাদক কারবারি। ২০০৮ সালের গত ১৬ অক্টোবর বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের হয়।

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার মাহফুজুর রহমানকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। ১৩ দিন জেল হাজতে আটক থাকার পর আদালতে হাজিরা দেওয়া সাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হন।

জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপন করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আসামি খন্দকার মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। তাকে আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেন। পরোয়ানার ভিত্তিতেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাহফুজুর রহমানকে গতরাতে রাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নোয়াখালী বেগমগঞ্জের আবু নাছের খন্দকারের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে র‌্যাব-২ এর এ কর্মকর্তা বলেন, পলাতক থাকাকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। সর্বশেষ শ্যামলীর একটি খাবার হোটেলে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।