ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্বাধীনবাংলা সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলী ঘোষণা (২০২৭–২০২৮) সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সমন্বিত মানবিক সহায়তা কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত কলেজ শিক্ষকের কাছে ডাকযোগে কাফনের কাপড়, তদন্তে পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আতাহারে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’: বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াত সহ ১১ দলীয় জোটের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়-ব্যয়ের হিসেব দিলেন প্রশাসক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের কিং কোবরা সাপ উদ্ধার বয়সভিত্তিক দলে বিদেশি কোচ ও বিদেশে প্রস্তুতি ম্যাচের পরিকল্পনা

দেবী দুর্গার হাতে তুলে দেওয়া হলো মমতার দলের পতাকা

দুর্গাপূজা ঘিরে উৎসবের আমেজ ভারতে। করোনার ধকল কাটিয়ে এবার উৎসবে রয়েছে ভিন্ন রঙ। সেই সুরে মহালয়ার আগে থেকে পূজার উদ্বোধন শুরু করে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।  

তবে সেসব ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির একটি ঘটনায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভ্যানে করে দুর্গাপ্রতিমা মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিমার হাতে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়ে দেন দলের একজন পঞ্চায়েত সদস্য। শুক্রবার, মহাপঞ্চমীর বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। দেবীর যে দু’হাতে ত্রিশূল থাকে, গোটা রাস্তায় সেই দু’হাতেই দেখা যায় শাসকদলের পতাকা। মণ্ডপে পৌঁছনোর পরে অবশ্য ওই পতাকা খুলে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতা বলছেন, ‘এতদিন মা দুর্গাকে অস্ত্র নিয়ে যেতে দেখতাম। এই প্রথম দেখলাম, তৃণমূলের পতাকা নিয়ে মণ্ডপ পর্যন্ত যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। বারোয়ারি পূজার সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই যুক্ত থাকেন। এই বারোয়ারি পূজাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে। পঞ্চাশ হাজার, ষাট হাজার টাকা দিয়ে বারোয়ারিগুলো হাতের মুঠোয় করতে চাইছে।’

আরেকজন বিজেপি নেতা বলছেন, মহালয়ার আগে পূজার উদ্বোধন হচ্ছে। এই সরকার বা তাদের কিছু নেতা ধর্মকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। দুর্গাপ্রতিমার হাতে নেতা তৃণমূলের পতাকা দিচ্ছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। পূজা শেষ হলে থানায় অভিযোগ জানাব।

ওই পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি, দিদি (মমতা বন্দোপাধ্যায়) উন্নয়ন করেছেন বলে আমরা প্রতিমার হাতে দলীয় পতাকা দিয়েছি। আমরা চাই, দিদি এমন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যান।  তবে তৃণমূলের সবাই এ ঘটনাকে সমর্থন করছেন না। কেউ কেউ বলছেন, সবাইকে ধর্মের নিয়মনীতি মেনে চলা উচিত। নিজের সংস্কৃতির বাইরে কোনো কিছু করাই উচিত নয়। স্থানীয় পুলিশ বলছে, অভিযোগ দায়ের হলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের একাংশও ক্ষুব্ধ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক

দেবী দুর্গার হাতে তুলে দেওয়া হলো মমতার দলের পতাকা

আপডেট সময় ১২:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

দুর্গাপূজা ঘিরে উৎসবের আমেজ ভারতে। করোনার ধকল কাটিয়ে এবার উৎসবে রয়েছে ভিন্ন রঙ। সেই সুরে মহালয়ার আগে থেকে পূজার উদ্বোধন শুরু করে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।  

তবে সেসব ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির একটি ঘটনায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভ্যানে করে দুর্গাপ্রতিমা মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিমার হাতে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়ে দেন দলের একজন পঞ্চায়েত সদস্য। শুক্রবার, মহাপঞ্চমীর বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। দেবীর যে দু’হাতে ত্রিশূল থাকে, গোটা রাস্তায় সেই দু’হাতেই দেখা যায় শাসকদলের পতাকা। মণ্ডপে পৌঁছনোর পরে অবশ্য ওই পতাকা খুলে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতা বলছেন, ‘এতদিন মা দুর্গাকে অস্ত্র নিয়ে যেতে দেখতাম। এই প্রথম দেখলাম, তৃণমূলের পতাকা নিয়ে মণ্ডপ পর্যন্ত যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। বারোয়ারি পূজার সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই যুক্ত থাকেন। এই বারোয়ারি পূজাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে। পঞ্চাশ হাজার, ষাট হাজার টাকা দিয়ে বারোয়ারিগুলো হাতের মুঠোয় করতে চাইছে।’

আরেকজন বিজেপি নেতা বলছেন, মহালয়ার আগে পূজার উদ্বোধন হচ্ছে। এই সরকার বা তাদের কিছু নেতা ধর্মকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। দুর্গাপ্রতিমার হাতে নেতা তৃণমূলের পতাকা দিচ্ছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। পূজা শেষ হলে থানায় অভিযোগ জানাব।

ওই পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি, দিদি (মমতা বন্দোপাধ্যায়) উন্নয়ন করেছেন বলে আমরা প্রতিমার হাতে দলীয় পতাকা দিয়েছি। আমরা চাই, দিদি এমন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যান।  তবে তৃণমূলের সবাই এ ঘটনাকে সমর্থন করছেন না। কেউ কেউ বলছেন, সবাইকে ধর্মের নিয়মনীতি মেনে চলা উচিত। নিজের সংস্কৃতির বাইরে কোনো কিছু করাই উচিত নয়। স্থানীয় পুলিশ বলছে, অভিযোগ দায়ের হলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের একাংশও ক্ষুব্ধ।