ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গুড়ায় পাউবোর ভুয়া প্রকল্পে ২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ, অনুসন্ধানে দুদক প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ নেতাদের হাতে চীনের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র তৈরির বিজ্ঞাপন, লালমাইয়ে যুবক আটক বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শিবগঞ্জে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত নাহিদ উজ্জামানকে সংবর্ধনা রংপুর মেডিকেলে আগুন, বিদ্যুৎহীনতায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা লালপুরে ৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রীর সফর হজযাত্রীদের কোরবানির অর্থ নিয়ে অনিয়ম, এজেন্সিকে জরিমানা

দেবী দুর্গার হাতে তুলে দেওয়া হলো মমতার দলের পতাকা

দুর্গাপূজা ঘিরে উৎসবের আমেজ ভারতে। করোনার ধকল কাটিয়ে এবার উৎসবে রয়েছে ভিন্ন রঙ। সেই সুরে মহালয়ার আগে থেকে পূজার উদ্বোধন শুরু করে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।  

তবে সেসব ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির একটি ঘটনায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভ্যানে করে দুর্গাপ্রতিমা মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিমার হাতে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়ে দেন দলের একজন পঞ্চায়েত সদস্য। শুক্রবার, মহাপঞ্চমীর বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। দেবীর যে দু’হাতে ত্রিশূল থাকে, গোটা রাস্তায় সেই দু’হাতেই দেখা যায় শাসকদলের পতাকা। মণ্ডপে পৌঁছনোর পরে অবশ্য ওই পতাকা খুলে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতা বলছেন, ‘এতদিন মা দুর্গাকে অস্ত্র নিয়ে যেতে দেখতাম। এই প্রথম দেখলাম, তৃণমূলের পতাকা নিয়ে মণ্ডপ পর্যন্ত যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। বারোয়ারি পূজার সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই যুক্ত থাকেন। এই বারোয়ারি পূজাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে। পঞ্চাশ হাজার, ষাট হাজার টাকা দিয়ে বারোয়ারিগুলো হাতের মুঠোয় করতে চাইছে।’

আরেকজন বিজেপি নেতা বলছেন, মহালয়ার আগে পূজার উদ্বোধন হচ্ছে। এই সরকার বা তাদের কিছু নেতা ধর্মকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। দুর্গাপ্রতিমার হাতে নেতা তৃণমূলের পতাকা দিচ্ছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। পূজা শেষ হলে থানায় অভিযোগ জানাব।

ওই পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি, দিদি (মমতা বন্দোপাধ্যায়) উন্নয়ন করেছেন বলে আমরা প্রতিমার হাতে দলীয় পতাকা দিয়েছি। আমরা চাই, দিদি এমন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যান।  তবে তৃণমূলের সবাই এ ঘটনাকে সমর্থন করছেন না। কেউ কেউ বলছেন, সবাইকে ধর্মের নিয়মনীতি মেনে চলা উচিত। নিজের সংস্কৃতির বাইরে কোনো কিছু করাই উচিত নয়। স্থানীয় পুলিশ বলছে, অভিযোগ দায়ের হলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের একাংশও ক্ষুব্ধ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুড়ায় পাউবোর ভুয়া প্রকল্পে ২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ, অনুসন্ধানে দুদক

দেবী দুর্গার হাতে তুলে দেওয়া হলো মমতার দলের পতাকা

আপডেট সময় ১২:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

দুর্গাপূজা ঘিরে উৎসবের আমেজ ভারতে। করোনার ধকল কাটিয়ে এবার উৎসবে রয়েছে ভিন্ন রঙ। সেই সুরে মহালয়ার আগে থেকে পূজার উদ্বোধন শুরু করে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।  

তবে সেসব ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির একটি ঘটনায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভ্যানে করে দুর্গাপ্রতিমা মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিমার হাতে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়ে দেন দলের একজন পঞ্চায়েত সদস্য। শুক্রবার, মহাপঞ্চমীর বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। দেবীর যে দু’হাতে ত্রিশূল থাকে, গোটা রাস্তায় সেই দু’হাতেই দেখা যায় শাসকদলের পতাকা। মণ্ডপে পৌঁছনোর পরে অবশ্য ওই পতাকা খুলে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতা বলছেন, ‘এতদিন মা দুর্গাকে অস্ত্র নিয়ে যেতে দেখতাম। এই প্রথম দেখলাম, তৃণমূলের পতাকা নিয়ে মণ্ডপ পর্যন্ত যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। বারোয়ারি পূজার সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই যুক্ত থাকেন। এই বারোয়ারি পূজাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে। পঞ্চাশ হাজার, ষাট হাজার টাকা দিয়ে বারোয়ারিগুলো হাতের মুঠোয় করতে চাইছে।’

আরেকজন বিজেপি নেতা বলছেন, মহালয়ার আগে পূজার উদ্বোধন হচ্ছে। এই সরকার বা তাদের কিছু নেতা ধর্মকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। দুর্গাপ্রতিমার হাতে নেতা তৃণমূলের পতাকা দিচ্ছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। পূজা শেষ হলে থানায় অভিযোগ জানাব।

ওই পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি, দিদি (মমতা বন্দোপাধ্যায়) উন্নয়ন করেছেন বলে আমরা প্রতিমার হাতে দলীয় পতাকা দিয়েছি। আমরা চাই, দিদি এমন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যান।  তবে তৃণমূলের সবাই এ ঘটনাকে সমর্থন করছেন না। কেউ কেউ বলছেন, সবাইকে ধর্মের নিয়মনীতি মেনে চলা উচিত। নিজের সংস্কৃতির বাইরে কোনো কিছু করাই উচিত নয়। স্থানীয় পুলিশ বলছে, অভিযোগ দায়ের হলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের একাংশও ক্ষুব্ধ।