ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মিজানুরের, অসহায় পরিবারে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আত্রাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশিকে মারধর, বিএসএফকে কড়া হুঁশিয়ারি বিজিবির একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন আশুলিয়ায় জোরপূর্বক মাদক ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় যুবককে মারধর, টাকা-মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ ধামরাইয়ে গ্যারেজে ডাকাতির ঘটনায় ৪ জন গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে শীতের আগমনে খেজুরের রস সংগ্রহে গাছিরা তৎপর কুমিল্লায় বিজিবি-এসআরবির যৌথ অভিযানে বিয়ারসহ আটক ১ বায়ুদূষণ রোধে ৫০৬ কোটি টাকার প্রকল্প, পরামর্শকের পকেটে ৬০ কোটি চিকিৎসাসেবায় পরিবর্তনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, আসছে ৫ রোবটিক সার্জারি মেশিন

চিকিৎসাসেবায় পরিবর্তনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, আসছে ৫ রোবটিক সার্জারি মেশিন

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে দেশে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহ, চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ এবং উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের কাছে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের সমস্যা এক দিন বা এক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি টেন্ডার আহ্বান করা হবে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্যানসার চিকিৎসার জন্য রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কথা স্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম। একজন চিকিৎসকের যেখানে ৫০ জন রোগী দেখার কথা, সেখানে তাঁকে ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী দেখতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, একটি মৃত্যুও সবার জন্য বেদনাদায়ক। কিন্তু ১৮ কোটি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসকেরা ক্লান্ত হয়ে পড়েন, যা তাঁদের কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় কয়েকজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁদের রোস্টার তালিকা সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসাসেবায় গাফিলতি ও দায়িত্ব পালনে অনিয়মের বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকগুলো নির্ধারিত শর্ত মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকা, লেবার রুমের ঘাটতি, চিকিৎসায় অব্যবস্থাপনা কিংবা যথাযথ সেবা না দেওয়ার কারণে রোগীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর আগে সকালে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফুলপুর হাসপাতালে অপরিচ্ছন্নতা ও কিছু অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে বাথরুম সংস্কার ও পরিষ্কারের নির্দেশ দেন তিনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে বাথরুমগুলো পরিষ্কার ও সংস্কার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো ইনডোর সেবা চালু না হওয়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে এ সেবা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি, মাতৃসেবা এবং শিশুদের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুরোনো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন, উপপরিচালক (পরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ডা. মো. জাকীউল ইসলাম, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মিজানুরের, অসহায় পরিবারে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

চিকিৎসাসেবায় পরিবর্তনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, আসছে ৫ রোবটিক সার্জারি মেশিন

আপডেট সময় ০৬:১৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে দেশে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহ, চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ এবং উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের কাছে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের সমস্যা এক দিন বা এক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি টেন্ডার আহ্বান করা হবে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্যানসার চিকিৎসার জন্য রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কথা স্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম। একজন চিকিৎসকের যেখানে ৫০ জন রোগী দেখার কথা, সেখানে তাঁকে ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী দেখতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, একটি মৃত্যুও সবার জন্য বেদনাদায়ক। কিন্তু ১৮ কোটি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসকেরা ক্লান্ত হয়ে পড়েন, যা তাঁদের কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় কয়েকজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁদের রোস্টার তালিকা সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসাসেবায় গাফিলতি ও দায়িত্ব পালনে অনিয়মের বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকগুলো নির্ধারিত শর্ত মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকা, লেবার রুমের ঘাটতি, চিকিৎসায় অব্যবস্থাপনা কিংবা যথাযথ সেবা না দেওয়ার কারণে রোগীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর আগে সকালে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফুলপুর হাসপাতালে অপরিচ্ছন্নতা ও কিছু অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে বাথরুম সংস্কার ও পরিষ্কারের নির্দেশ দেন তিনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে বাথরুমগুলো পরিষ্কার ও সংস্কার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো ইনডোর সেবা চালু না হওয়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে এ সেবা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি, মাতৃসেবা এবং শিশুদের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুরোনো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন, উপপরিচালক (পরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ডা. মো. জাকীউল ইসলাম, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।