ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক শফিকুল ইসলাম এখন ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, প্রজ্ঞাপন জারি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে চাই: রংপুরে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী লিভারপুলের ম্যাচে ছাদ থেকে উড়ে এলো রাগবি বল, তদন্তে পুলিশ কারাগারে দেড় বছর, এখনো দিন গুনছেন আট হেভিওয়েট আসামি কর্ণফুলী থানায় আওয়ামী লীগ নেতার গোপন বৈঠক, জাহাজ দখলের অভিযোগ পূজার সাজে মন্দিরা, শুভেচ্ছায় সম্প্রীতির বার্তা রোনালদোর শাস্তি নিয়ে বিতর্ক, ফেডারেশনের দাবি ‘যথেষ্ট’ রেলওয়ের জমি দখল করে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ, স্টার সিনেপ্লেক্স চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসানের পরিচয়পত্র পেশ

পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান সোমবার (১৯ অক্টোবর) লিসবনের বেলেম প্রাসাদে দেশটির রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিচয়পত্র পেশের পর রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রদূত ঢাকায় পর্তুগালের একটি পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করবে, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বাড়াবে।

এ ছাড়া, তিনি দ্বিপক্ষীয় গতিশীলতা কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা কার্যকর ও এগিয়ে নেওয়া, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান বাণিজ্যঘাটতি কমিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অবদানের স্বীকৃতি দেন এবং প্রশংসা করেন। তিনি পর্তুগিজ সমাজে বাংলাদেশিদের অন্তর্ভুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক বিষয়াবলি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর করতে দূতাবাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক শফিকুল ইসলাম এখন ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার

পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসানের পরিচয়পত্র পেশ

আপডেট সময় ১২:০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান সোমবার (১৯ অক্টোবর) লিসবনের বেলেম প্রাসাদে দেশটির রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিচয়পত্র পেশের পর রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রদূত ঢাকায় পর্তুগালের একটি পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করবে, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বাড়াবে।

এ ছাড়া, তিনি দ্বিপক্ষীয় গতিশীলতা কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা কার্যকর ও এগিয়ে নেওয়া, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান বাণিজ্যঘাটতি কমিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অবদানের স্বীকৃতি দেন এবং প্রশংসা করেন। তিনি পর্তুগিজ সমাজে বাংলাদেশিদের অন্তর্ভুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক বিষয়াবলি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর করতে দূতাবাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।