ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিঠাপুকুরে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৩৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কানাডার সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, নিহত-আহত বেশ কয়েকজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জেরে সাংবাদিককে অশ্রাব্য বার্তা পাঠানোর অভিযোগ কর কর্মকর্তা সাইফুলের বিরুদ্ধে বরগুনার বিষখালী নদী থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনের চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গাপূজা ঘিরে ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারিতে এসআরবি-৫ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার আ. লীগ ভোট চুরি করেছে, বিএনপি ফলাফল: হাসনাত দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী মা ইলিশ শিকারের ভিডিও করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণভোটেই, সংবিধানে নয়: ফুয়াদ

রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণভোটেই, সংবিধানে নয়: ফুয়াদ

রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণভোটের মাধ্যমে হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা সংবিধান দিয়ে হবে না, কোনো দিনও হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর ও গণভোটের মধ্য দিয়ে এ প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন বিষয়টিকে সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সাংবিধানিক প্রতারণা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির হলরুমে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার এক বছর: সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, জুলাই সনদের মৌলিক লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ করা, যেন তাঁরা এসব প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করতে না পারেন। কিন্তু সংস্কার পরিষদ গঠন না করে জুলাই সনদের ওপর গণভোটের রায় উপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রে আবারও আওয়ামী লীগের শাসনামলের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় নিয়ে আলোচনা করতে গেলেই সংবিধানের দোহাই দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশোধনী বিল সংসদে পাস করে আবার গণভোটের আয়োজন করা হবে। অথচ রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা সংবিধান দিয়ে হয় না। পৃথিবীতে কোনো বিপ্লব সংবিধান দিয়ে হয়নি। গণঅভ্যুত্থানের আগে সংসদের অনুমতি নিয়ে ছাত্রনেতারা আন্দোলন করেননি।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর ও গণভোটের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন বাকি শুধু সনদ বাস্তবায়ন। বিষয়টিকে সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা একটি ফাঁদ ও সাংবিধানিক প্রতারণা।

সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, সরকার সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করলে ১১ দলীয় জোট সহযোগিতা করবে। কিন্তু সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং গণভোটের রায় অস্বীকার করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় মেনে নিতে বাধ্য করতে তাঁরা জনগণের কাছে যাবেন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এ দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হবে। গণভোটের গণরায় যেন বর্তমান সরকার মেনে নেয়, সেটিই তাঁদের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠাপুকুরে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৩৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণভোটেই, সংবিধানে নয়: ফুয়াদ

আপডেট সময় ০১:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা গণভোটের মাধ্যমে হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা সংবিধান দিয়ে হবে না, কোনো দিনও হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর ও গণভোটের মধ্য দিয়ে এ প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন বিষয়টিকে সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সাংবিধানিক প্রতারণা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির হলরুমে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার এক বছর: সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, জুলাই সনদের মৌলিক লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ করা, যেন তাঁরা এসব প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করতে না পারেন। কিন্তু সংস্কার পরিষদ গঠন না করে জুলাই সনদের ওপর গণভোটের রায় উপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রে আবারও আওয়ামী লীগের শাসনামলের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় নিয়ে আলোচনা করতে গেলেই সংবিধানের দোহাই দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশোধনী বিল সংসদে পাস করে আবার গণভোটের আয়োজন করা হবে। অথচ রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা সংবিধান দিয়ে হয় না। পৃথিবীতে কোনো বিপ্লব সংবিধান দিয়ে হয়নি। গণঅভ্যুত্থানের আগে সংসদের অনুমতি নিয়ে ছাত্রনেতারা আন্দোলন করেননি।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর ও গণভোটের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন বাকি শুধু সনদ বাস্তবায়ন। বিষয়টিকে সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা একটি ফাঁদ ও সাংবিধানিক প্রতারণা।

সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, সরকার সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করলে ১১ দলীয় জোট সহযোগিতা করবে। কিন্তু সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং গণভোটের রায় অস্বীকার করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় মেনে নিতে বাধ্য করতে তাঁরা জনগণের কাছে যাবেন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এ দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হবে। গণভোটের গণরায় যেন বর্তমান সরকার মেনে নেয়, সেটিই তাঁদের প্রত্যাশা।