ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেটে জিন্দাবাজারের ‘বন্ড’কে ১২ হাজার টাকা জরিমানা সাত্তার গ্রুপের কাগুজে প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রায়ত্ত দুই ব্যাংকের খেলাপি ঋণ হাজার কোটি টাকা মেধাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার ওপর জোর প্রতিমন্ত্রী হাবিবের সাভারে ইউপি সচিব মীর আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির অভিযোগ কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৩৯ লাখ টাকার কসমেটিকস ও জর্দা জব্দ বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ গৌরীপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ সংসদে গণতন্ত্রের কথা, ক্যাম্পাসে অধিকার হরণ’—ডাকসু জিএস কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা, রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা

কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে। যদিও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ভর্তুকি দিতে বাধা দেয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আয়োজনে কৃষি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যেসব খাতে ঘাটতি আছে, গবেষণার মাধ্যমে তা সমাধান করা প্রয়োজন। উৎপাদনের পর কৃষক দাম পান না, আবার কৃষক যখন ফসল ফলান, তখন বাড়তি দামে বীজ কিনতে হয়।

তিনি বলেন, ফল ও সবজি দীর্ঘদিন মজুত রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা প্রয়োজন। এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষি এখন লাভজনক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জীবনযাপনের ব্যয় মেটানোর সংস্থান না থাকায় মাঠে এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। কৃষি এখন লাভজনক নয় বলেই অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব হয়েছে, এখন আর আমদানি করতে হয় না। ফলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও এর প্রক্রিয়া সুখকর নয়। জমিতে সার ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। জমিতে সার ব্যবহারে উর্বরতা কমে যায়।

কৃষি বিজ্ঞানীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। আইন পরিবর্তন করে হলেও কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি সব প্রতিষ্ঠানে ছেয়ে গেছে। এখন সুযোগ এসেছে সেখান থেকে বের হয়ে আসার। সবাই একটু ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবে।

এই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের বর্তমান কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয় উঠে আসে। বক্তারা বলেন, কৃষিতে উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে। শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের কাছেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশের কথা মাথায় রেখে কীটনাশক আরও উন্নত করার জন্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে জিন্দাবাজারের ‘বন্ড’কে ১২ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৪:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে। যদিও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ভর্তুকি দিতে বাধা দেয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আয়োজনে কৃষি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যেসব খাতে ঘাটতি আছে, গবেষণার মাধ্যমে তা সমাধান করা প্রয়োজন। উৎপাদনের পর কৃষক দাম পান না, আবার কৃষক যখন ফসল ফলান, তখন বাড়তি দামে বীজ কিনতে হয়।

তিনি বলেন, ফল ও সবজি দীর্ঘদিন মজুত রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা প্রয়োজন। এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষি এখন লাভজনক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জীবনযাপনের ব্যয় মেটানোর সংস্থান না থাকায় মাঠে এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। কৃষি এখন লাভজনক নয় বলেই অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব হয়েছে, এখন আর আমদানি করতে হয় না। ফলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও এর প্রক্রিয়া সুখকর নয়। জমিতে সার ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। জমিতে সার ব্যবহারে উর্বরতা কমে যায়।

কৃষি বিজ্ঞানীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। আইন পরিবর্তন করে হলেও কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি সব প্রতিষ্ঠানে ছেয়ে গেছে। এখন সুযোগ এসেছে সেখান থেকে বের হয়ে আসার। সবাই একটু ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবে।

এই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের বর্তমান কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয় উঠে আসে। বক্তারা বলেন, কৃষিতে উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে। শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের কাছেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশের কথা মাথায় রেখে কীটনাশক আরও উন্নত করার জন্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।