ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কমলাপুর কাস্টমসে মঈনুল-সুমি সিন্ডিকেটের দাপট, বদলি হয় কর্মকর্তারা ৯৯৯-এ ফোন, ১৫ মিনিটে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত গুলশানে গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আপস পঞ্চগড়ে কবরস্থানের জায়গা দখল করে চা-বাগান করার অভিযোগ আমিনার রহমানের বিরুদ্ধে শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির বড় ভাইয়ের জানাজা সম্পন্ন সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে সরিয়ে নিল ঠিকাদারের লোকজন আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে বর্তমান সরকার : শিক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর চেষ্টা করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

গুলশানে গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আপস

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমকে (২৪) গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামিপক্ষের সঙ্গে নিহতের পরিবারের ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। আপসনামায় বাদীপক্ষ সই করেছে এবং আসামি জামিনে মুক্তি পেলে বা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আলমগীর হোসেন আপসের বিষয়টি আদালতকে জানান।

ভিডিওতে গাড়ি চালানোর বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটপাতে বসে বিশ্রাম করছিলেন মেহেদী। এ সময় একটি নীল রঙের প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

দুর্ঘটনার পর গাড়ির ডান পাশের চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট ও হালকা ধূসর ট্রাউজার পরা আজান আলী শরীফ বেরিয়ে আসেন। গাড়ির বাম পাশ থেকে বেরিয়ে আসেন আকাশ মারক, যিনি আজানের বাবা আব্বাস আলী শরীফের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত।

ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টার সময় স্থানীয়রা আজানকে আটক করে পুলিশে দেন। তবে পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। নিহতের ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও প্রথমে আজানের নাম রাখা হয়নি।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ফুটেজে দেখা যায়, মেহেদীকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ির ডান পাশের চালকের দরজা দিয়ে আজানই বেরিয়ে আসছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজান আলী শরীফ গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তাঁর বাবা বাংলাদেশ বিমানের পাইলট আব্বাস আলী শরীফ। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত প্রোটন এস৭০ গাড়িটি আব্বাস আলী শরীফের স্ত্রী সিগমা আব্বাসের নামে নিবন্ধিত।

থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর খবর শুনে আসার পর তাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন আজানের পরিবারের সদস্যরা। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আজানকে আসামি না করে চালককে আসামি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে নানামুখী চাপের মুখে চালক আকাশ মারককে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন মোক্তাদীর।

তবে কেন আজানকে আসামি করা হয়নি, তা জানতে একাধিকবার মোক্তাদীরের নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একটি সূত্র জানায়, আজানে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কমলাপুর কাস্টমসে মঈনুল-সুমি সিন্ডিকেটের দাপট, বদলি হয় কর্মকর্তারা

গুলশানে গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আপস

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমকে (২৪) গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামিপক্ষের সঙ্গে নিহতের পরিবারের ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। আপসনামায় বাদীপক্ষ সই করেছে এবং আসামি জামিনে মুক্তি পেলে বা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আলমগীর হোসেন আপসের বিষয়টি আদালতকে জানান।

ভিডিওতে গাড়ি চালানোর বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটপাতে বসে বিশ্রাম করছিলেন মেহেদী। এ সময় একটি নীল রঙের প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

দুর্ঘটনার পর গাড়ির ডান পাশের চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট ও হালকা ধূসর ট্রাউজার পরা আজান আলী শরীফ বেরিয়ে আসেন। গাড়ির বাম পাশ থেকে বেরিয়ে আসেন আকাশ মারক, যিনি আজানের বাবা আব্বাস আলী শরীফের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত।

ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টার সময় স্থানীয়রা আজানকে আটক করে পুলিশে দেন। তবে পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। নিহতের ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও প্রথমে আজানের নাম রাখা হয়নি।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ফুটেজে দেখা যায়, মেহেদীকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ির ডান পাশের চালকের দরজা দিয়ে আজানই বেরিয়ে আসছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজান আলী শরীফ গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তাঁর বাবা বাংলাদেশ বিমানের পাইলট আব্বাস আলী শরীফ। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত প্রোটন এস৭০ গাড়িটি আব্বাস আলী শরীফের স্ত্রী সিগমা আব্বাসের নামে নিবন্ধিত।

থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর খবর শুনে আসার পর তাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন আজানের পরিবারের সদস্যরা। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আজানকে আসামি না করে চালককে আসামি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে নানামুখী চাপের মুখে চালক আকাশ মারককে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন মোক্তাদীর।

তবে কেন আজানকে আসামি করা হয়নি, তা জানতে একাধিকবার মোক্তাদীরের নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একটি সূত্র জানায়, আজানে