কক্সবাজারের চকরিয়ায় হঠাৎ করে বেড়ে গেছে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা না থাকার কারণে এসব চুরি-ছিনতাই বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষের। নিত্যদিন ঘটে চলেছে কোথাও না কোথাও চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা। নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবনের জন্য প্রতিনিয়ত এসব করে তারা।
জানা গেছে, গত ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডে ছনখোলার বিল রেললাইন এলাকায় ইয়াছির মোহাম্মদ সাকিব ও মোহাম্মদ মারুফ নামের এক যুবকের কাছ থেকে দুইটি মোবাইল ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় চিহ্নিত কিছু ছিনতাইকারী। এবিষয়ে চকরিয়া থানায় একই দিনে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবক বাদী হয়ে চকরিয়া থানার এজাহার দায়ের করেন।
অভিযুক্ত চিহ্নিত ছিনতাইকারী মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ আরিফ পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ইয়ার খান পৌর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তারা যোগসাজশে নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে জনসম্মুখে এবং ছিনতাই করে থাকে। তাদের নামে চকরিয়া থানায় একাধিক অভিযোগও রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলা ও পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ধর্ষ চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নতুন কেউ আসলে তাদের লক্ষ্য করে ছিনতাইকারীর দল। বিশেষ করে পৌরশহরের বাঁশঘাটা সড়ক, কাঁচাবাজার সড়ক, সবুজবাগ এলাকা, হালকাকারাস্থ বটতলী, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সড়ক, ফুলতলা স্টেশন, চিরিংগা স্টেশন পাড়া, সরকারি হাসপাতাল সড়ক, থানা রাস্তার মাথা, বাস টার্মিনাল, উপজেলা কলোনি, ছনখোলার বিল এলাকাসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় চুরি ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে। তারা সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষদের কাছ মোবাইল-টাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস চুরি-ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চুরি-ছিনতাইয়ের স্বীকার হলেও ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে অভিযোগও করেনা। যার ফলে পুলিশও সঠিক তথ্য না পাওয়ায় ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে এসব চুরি-ছিনতাইকারী চক্রের দল।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মুজিবুর রহমান বলেন; অভিযোগ এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বেশ কিছু জায়গা চিহিৃত করেছি। ওইসব জায়গায় প্রতিদিন পুলিশ টহল দিচ্ছে। গতকালও বেশ কিছু এলাকায় রেড দেয়া হয়েছে। কোন অবস্থাতেই চোর-ছিনতাইকারী ও ইভটিজারদের ছাড় দেয়া হবেনা।
কক্সবাজার ব্যূরো 






















