ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি রামদা ও তিনটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট ছয়টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া আরও দুটি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে কসবা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা সাকিনের তালতলা চৌরাস্তার মোড়সংলগ্ন ব্রিজের ওপর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—কসবার মনকশাইর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৪২), চকচন্দ্রপুর গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে মো. জুনায়েদ মিয়া (২০), তালতলা মধ্যপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে রাজু (২১), সৈয়দাবাদ ভূইয়াবাড়ী গ্রামের মোহাম্মদ ভূইয়ার ছেলে মো. রুমান ভূইয়া (২৭), সৈয়দাবাদ দক্ষিণপাড়া গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে মনির ওরফে কসাই মনির (৩০) এবং মনকশাইর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সুজন মিয়া (৫৫)।
পুলিশ জানায়, কসবা থানার এসআই মো. নুরুন নবীর নেতৃত্বে এএসআই রবিউল হাসানসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত একটি রামদা, জুনায়েদ মিয়া ও রাজুর কাছ থেকে দুটি চাইনিজ কুড়াল, রুমান ভূইয়ার কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত একটি রামদা, মনির ওরফে কসাই মনিরের কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল এবং সুজন মিয়ার কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া পলাতক আসামিদের ফেলে যাওয়া আরও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় রানা (২৮), পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া, সাং তালতলা মধ্যপাড়া এবং শেখদল মিয়া (২৭), পিতা আনিছ মিয়া, সাং অনন্তপুর—উভয়েই কসবা উপজেলার বাসিন্দা—পলাতক রয়েছেন। তাদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জন আসামি রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কসবা থানায় ১৫ সেপ্টেম্বর মামলা নম্বর-২৮ দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























