ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না কুমিল্লায় কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত বরগুনার তালতলীতে নদীর তীরে ভেসে এলো বিশাল আকারে মৃত তিমি বড়লেখায় মিথ্যা মামলার অভিযোগে সোনাহর আলীর সংবাদ সম্মেলন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটিতে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম বেরোবির বিজয়-২৪ হলে আধুনিকায়িত রিডিং রুম ও মসজিদ উদ্বোধন বিএনপি’র কান্ডারী ছাত্রনেতা তপন মাহমুদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মোহাম্মদপুরবাসী নওগাঁয় বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও মদ জব্দ

হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।

দুদক জানায়, সজেকা, ঢাকা-১-এর মামলা নং ১৬ (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪) এ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে ব্যয় বাদে তার বৈধ আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার ৬ টাকা হারুনের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক।

অন্যদিকে, ১৮নং মামলায় হারুন অর রশীদ ও তার ভাই এ বি এম শাহারিয়ারকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় শাহারিয়ারের ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক।

এ ছাড়া হারুনের কাছ থেকে হেবা সূত্রে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি পাওয়াসহ সম্পদ স্থানান্তর ও মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতাও পাওয়া গেছে।
দুদক জানায়, মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। তদন্তে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, আয়কর নথি ও ব্যাংক লেনদেন পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মামলা দুটিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি অপরাধলব্ধ সম্পদের অবৈধ উৎস গোপন, সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়া গেছে।

হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

আর এ বি এম শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে এসব ধারার পাশাপাশি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই

হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক

আপডেট সময় ০৯:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।

দুদক জানায়, সজেকা, ঢাকা-১-এর মামলা নং ১৬ (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪) এ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে ব্যয় বাদে তার বৈধ আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার ৬ টাকা হারুনের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক।

অন্যদিকে, ১৮নং মামলায় হারুন অর রশীদ ও তার ভাই এ বি এম শাহারিয়ারকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় শাহারিয়ারের ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক।

এ ছাড়া হারুনের কাছ থেকে হেবা সূত্রে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি পাওয়াসহ সম্পদ স্থানান্তর ও মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতাও পাওয়া গেছে।
দুদক জানায়, মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। তদন্তে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, আয়কর নথি ও ব্যাংক লেনদেন পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মামলা দুটিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি অপরাধলব্ধ সম্পদের অবৈধ উৎস গোপন, সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়া গেছে।

হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

আর এ বি এম শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে এসব ধারার পাশাপাশি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।